Type in:

আনর্তজাতিক খবর

ইন্ডিয়ার সর্ববৃহত্তম এবং এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম ট্র্যাভেল এজেন্সি আকবর গ্রুপ এখন আমেরিকায়

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর


তৈয়বুর রহমান টনি, হ-বাংলা নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে  :- অত্যন্ত সুনামের সাথে সর্বসধারণের মন জয় করে ইন্ডিয়ার সর্ববৃহত্তম এবং এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম ট্র্যাভেল এজেন্সি আকবর গ্রুপ এখন আমেরিকায়। অত্যন্ত জাকজমক ভাবে ট্র্যাভেল এজেন্সি আকবর গ্রুপের প্রধান অফিস নিউ ইয়র্কে উদ্বোধন করা হয় ১৫ই মে বুধবার সকাল ১০টায়। মঙ্গল প্রদীপ জালিয়ে এয়ার ইন্ডয়ার প্রধান এই্র প্রতিষ্ঠানটির উদ্বোধন করেন। আকবর গ্রুপের শাখা খোলা হয় হিউস্টন এবং টেক্সাস সিটিতেও। খুব শীঘ্রই আমেরিকার অনান্য সিটিতেও খোলা হবে এর শাখা। গত ১৫ই মে বুধবার এই উপলক্ষে আকবর গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এবং চেয়ারম্যান আব্দুল নাজার এক সাংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন।

IMG_0003____SaKiLLL____1

আব্দুল নাজার বলেন-“আমরা গত ৩৬ বছর যাবত অতন্ত্য সুনামের সাথে ইন্ডিয়াতে কাস্টমাদের সেবা দিয়ে আসছি। সেই সাথে আমরা অর্জন করেছি বহু এক্সিলেন্ট এওয়র্ড। সেই ধারাবাহিকতা আমরা এখন আমেরিকাতেও বজায় রাখতে চেষ্টা করবো। আপনাদের সকলের সহযোগিতা পেলে আমরা সেই সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে পারবো এই আশাবাদ ব্যক্ত করছি”। তিনি আরোও বলেন-“এখন প্রতি বৎসর বিপুল পরিমানে আমরিকান ইন্ডিয়াতে ভ্রমন করেন। আমাদের প্রতিষ্ঠান যাহাতে এই সকল ভিজিটারদের কম মূল্যে টিকেট সহ অন্যান্য আনুসাঙ্গিক সুযোগ সুবিধা প্রদান করতে পারে সেই প্রত্যাশা নিয়েই আমরা আমেরিকাতে আকবর গ্রুপ খুলেছি।

IMG_0003____SaKiLLL____2

গত ২০১০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী আমাদের প্রতিষ্ঠানের সেবা নিয়ে অর্ধেকেরও বেশী ভিজিটার আমেরিকাতে এসেছে। আমাদের এখানে টিকেটের সাথে প্যাকেজ ডিল রয়েছে সর্বোসাধারণের জন্য, সেইগুলো হলো কার রেন্টাল, হলিডে প্যাকেজ, ইন্ডিয়ার বিভিন্ন জায়গায় হোটেল বুকিং সহ আরোও অনেক ডিল”। প্রসঙ্গত: আকবর গ্রুপ ইন্ডিয়ার বাহিরে প্রথম অফিস খোলে দুবাই এ। তারপর খুব অল্প সময়ের মাঝে আকবর গ্রুপের আরোও শাখা অফিস গালফ দেশ গুলো সহ সৌদি আরব, ওমান, কাতার ও কুয়েতে খোলা হয়। আকবর গ্রুপের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর এবং চেয়ারম্যান আব্দুল নাজার প্রতিনিধিকে জানান ইন্ডিয়াতে এর ৮০টিরও বেশী শাখা রয়েছে। প্রতিনিধির মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশীদের এখানে আসার আমন্ত্রন জানান।

IMG_0003____SaKiLLL____3

আকবর গ্রুপের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্হিত ছিলেন আকবর ট্রাভেলের চীফ এক্সিকুটিব ওফিসার কে. ভি. হিডায়েত, আকবর ট্রাভেলের রেজুনাল ম্যানেজার আলী খান, এয়ার ইন্ডিয়ার রেজুনাল ম্যানেজার রিও নরবহ, আকবর হলিডের প্রাঃ লিঃ বেনাজির নাজার(সিইও), কিং ফিসার এয়ার লাইন্সের আতুল কুমারিয়া, ওরগানাইজিং এসোসিয়েট পাবলিকএ্যাডভোকেট বি দ্য বেলায়সিও জ্যাসবির জ্য সিং, কুনাল/ক্যরন জুয়েলার্স ভিট্রু ভর্মা, ক্যরন ভর্মা, মিলিনিয়াম গুরুফের ইরানহিক্কাল এম হানিফ, ইন্ডিয়ান প্যানরামার প্রোফেঃ ইনদারজীত এস সালুযা, আতা নিউ ইর্য়কের ইউ এ নাসির, দি সাউথ এশিয়ার আনুপাম নাগপাল, ইন্ডিয়া ওয়ানের নিরায টরিভেডি, ববি চেতারযী ও ইলিআস কুরাশী ও কমিউনিটির অনেক গন্যমান্য ব্যাক্তিরা উপস্হিত ছিল।







যুক্তরাষ্ট্রে খসড়া ইমিগ্রেশন বিল পাস

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর


নিউইয়র্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ১১ মিলিয়ন কাগজপত্রহীন ইমিগ্র্যান্টদের নাগরিকত্ব লাভে ইমিগ্রেশন সংস্কারে খসড়া বিলটি মঙ্গলবার পাস করেছে যুক্তরাষ্ট্র সিনেট জুডিসিয়ারি কমিটি।

বিলটি আইন হিসেবে পাস হতে এ জুনেই সিনেটের পূর্ণ অধিবেশনের  ভোটে দেওয়া হবে।এর ফলে, সিনেট জুডিসিয়ারি কমিটি কর্তৃক খসড়াটি পাসের সঙ্গে সঙ্গে ভাগ্য খুলে গেল দক্ষ হাইটেক কর্মীদের। ভারত ও অন্যান্য দেশের পাশাপাশি এখন বাংলাদেশের দক্ষ কম্পিউটার কর্মীরা যোগ্যতা দিয়ে ‘স্বপ্নের দেশ’ যুক্তরাষ্ট্রে নাগরিকত্ব লাভের সুযোগ পাবেন।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, সিনেট জুডিসিয়ারি কমিটিতে রিপাবলিকান ও ডেমোক্র্যাট দু’দলের চাওয়া-পাওয়ার একটি সমঝোতায় অবশেষে ১৩-৫ ভোটে এ বিলটি পাস হয়।এছাড়া দু’দলের সমঝোতার ক্ষেত্রে সমকামীদের অধিকার নিয়ে কিছু বিষয় বাড়তি যোগ করা হয়েছে এতে।
উল্লেখ্য, ইমিগ্রেশন সংস্কারে খসড়া বিলটিতে সমকামী ও বিদেশি দক্ষ শ্রমিকদের বিষয় নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় অত্যন্ত কষ্টসাধ্য সমঝোতা প্রক্রিয়ায় ৫ দিনে ৩০১টি সংশোধনী চূড়ান্ত করা হয়।

এ সমঝোতা আলোচনায় নেতৃত্ব দেন ভারমন্ট থেকে নির্বাচিত সিনেটর প্যট্রিক জে লেহী। প্রভাবশালী সিনেটর অরেন হ্যাচ সিনেটর বিদেশি শ্রমিকদের বিষয়ে তার সংশোধনী নিয়ে অনড় থাকলে শেষমুহূর্তে জটিলতা বাড়ে।শেষে দেন-দরবারের একপর্যায়ে সিনেট জুডিসিয়ারি কমিটিতে তার সংশোধনী কণ্ঠভোটে পাস করা হলে তিনি সিনেটের পূর্ণ অধিবেশনের বিলটি পাসের পক্ষে ভোট দেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিকে, নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত জ্যেষ্ঠ সিনেটর চাক শুমার এ বিলে এইচওয়ান ভিসার সংখ্যা প্রস্তাবিত এক লাখ ১০ হাজার থেকে বাড়িয়ে এক লাখ ১৫ হাজারে উত্তীর্ণ করতে এবং সর্বোচ্চ সংখ্যা বাৎসরিক এক লাখ ৮০ হাজার পর্যন্ত করতে প্রস্তাব পাসে সক্ষম হয়েছেন।

যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনগুলো খসড়া ইমিগ্রেশন বিলটিকে অত্যন্ত ‘তাৎপর্যপূর্ণ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য, দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন আইন সংস্কারে ও কাগজপত্রহীন ইমিগ্র্যান্টদের কোনো সফল উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি।


যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ায় বাবা-ছেলের একত্রে স্নাতক




হ-বাংলা নিউজ : যুক্তরাষ্ট্র থেকে : যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়া রাজ্যের মোরহাউস কলেজ থেকে রোববার এক বাবা ও তার ছেলে একত্রে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। ছেলে বলেন, তার বাবা কলেজে ফিরে আসায় তিনি গর্বিত।ডরিয়ান জয়নার সিনিয়র (৪৬) ১৯৮৮ সালে ওই কলেজের ছাত্র ছিলেন। এরপর তিনি লেখাপড়া ছেড়ে দিয়ে কম্পিউটারের চাকরিতে যোগদান করেন এবং সিনিয়র তথ্য ও অর্থবিষয়ক বিশ্লেষকের পদে পদোন্নতি পান।

২০১০ সালে তিনি মোরহাউসে ফিরে গিয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের সিদ্ধান্ত নেন।তার ছেলে ডরিয়ান জয়নার জুনিয়র (২৩) বলেন, আমি মনে করেছিলাম যে তিনি তার বন্ধুদের সঙ্গে সাক্ষাত্ করতে (কলেজে) এসেছেন। কিন্তু না, তিনি এসেছেন লেখাপড়া শেষ করতে। যদিও বাবা-ছেলে কখনও একই ক্লাসে বসেননি। তবে তারা একই শিক্ষকের অধীনে ক্লাস করেছেন এবং ক্যাম্পাসে একের সঙ্গে অন্যের দেখা হয়েছে। জয়নার জুনিয়র বলেন, অনেক সময় আমরা কথা বলার সময় লোকজন আমাদের পাশ দিয়ে হেঁটে যেত এবং বলত, ওয়াও, আপনাদের দুজনকে এক রকমই দেখাচ্ছে।

বাবা-ছেলের স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।জয়নার জুনিয়র বলেন, আমি নিশ্চয়ই তার জন্য গর্বিত। আমি গর্বিত এ কারণে যে তিনি আবার স্কুলে ফেরত এসেছেন এবং ডিগ্রি অর্জনের স্বপ্ন পূরণ করেছেন। এটা কঠিন বৈকি।






নিউইয়র্কের থার্টি সিক্স এভিনিউতে কোজাকের মাফিয়ারা নেই আছেন বাঙালি ব্যবসায়ীরা

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর



নিউইয়র্ক: টেলিভিশন সিরিজ কোজাকের কথা অনেকেরই মনে আছে। সংঘাত, সংঘর্ষ, জুয়া, যৌণতা, মাদক আর মদে মত্ত মাফিয়ার বিরুদ্ধে লড়তেন এক পুলিশ কর্মকর্তা। সেই কোজাকের দৃশ্য চিত্রায়ন হতো প্রায়শঃই নিউইয়র্কের থার্টি সিক্স এভিনিউতে। এই সেদিনও এটি ছিলো অনেকটাই ফাঁকা একটি জনবসতি। ছিলো গুটি কয়েক লো-টেক ইন্ডাস্ট্রি। নিউইয়র্কের ক্রাইম জোন হিসেবেই পরিচিত ছিলো থার্টিসিক্স এভিনিউ। দিনে দুপুরে গুলি হতো। অন্যত্র থেকে ধরে এতে হত্যার জন্যও ছিলো এটি একটি নিরাপদ জোন।

সেই কোজাকের থার্টি সিক্স এভিনিউ এখন একটি ভদ্রপল্লী। এখানে দিনে দিনে অভিজাতদের বসবাস শুরু হয়েছে। এখন এখানে জমজমাট ব্যবসা আর দোকান পাট। আর এগুলোর বেশিরভাগই বাংলাদেশিদের। বলা যায় থার্টিসিক্স এভিনিউকে নতুন রূপ দিয়েছেন বাংলাদেশিরাই।

কথাগুলো বেশ গর্বের সঙ্গেই বলছিলেন বাংলাদেশি ফার্মেসি ব্যবসায়ী সাহাব আহমেদ। তিনি বলেন, আমি যখন এখানে ব্যবসা শুরু করি তখনো মাফিয়াদের দৌরাত্ম ছিলো। মাফিয়াদের বসকে চিনতাম, দেখতাম প্রকাশ্যে বন্দুক নিয়ে বসে আছেন। বছর তিন চারেক ধরে পুরোপুরি বিছানায় পড়ে রয়েছেন।

36-Avenue____SaKIL__1

থার্টিসিক্সে কিভাবে ব্যবসা শুরু করলেন জানতে চাইলে সাহাব আহমেদ বলেন, খুবই ঝুকিপূর্ণ ছিলো কিন্তু আমার মনে হয়েছিলো এলাকাটি এমন থাকবে না। তাই অন্যত্র থেকে ব্যবসা তুলে এখানে নিয়ে আসি। তখন এখানে কোনো ওষুধের দোকান ছিলো না। আমার মনে হয়েছিলো ব্যবসা চলবে। তখন এখানে রিটেল শপ বলতে আমার একটাই ছিলো বাকিগুলো ছিলো সার্ভিসভিত্তিক যেমন লন্ড্রিশপ ইত্যাদি। পরে তো ধীরে ধীরে থার্টি সিক্স এভিনিউ বাঙালিদের বলা যায় একরকম দখলেই চলে এসেছে, বলেন তিনি।

সাহাব আহমেদ যখন যাত্রা শুরু করেন তখন বাংলাদেশির মালিকানায় একটি গ্রোসারি শপ এখানে ছিলো নাম বিআইপি। এছাড়া মোট ১০/১২টি দোকান এই এভিনিউতে ছিলো। প্রায় সবগুলোই ছিলো অন্যদের মালিকানায়। এখন এভিনিউর দুপাশে শতাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এভিনিউ ধরে হাঁটলে দেখা যায় বেশিরভাগই বাংলাদেশিদের মালিকানায়।

থার্টিসিক্সের নেইবারহুডেও রয়েছে অনেক বাঙালির বাস।

সাহাব আহমেদ বলেন, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়াও মসজিদ ঘিরে গড়ে উঠেছে এই আবাস। পুরো অ্যাস্টোরিয়া এলাকায় বাঙালি মুসলমানদের একটি বড় কমিউনিটি বাস করে যেটি গড়ে ওঠে আল-আমিন মসজিদকে কেন্দ্র করে। আর থার্টি-সিক্স এভিনিউর ওপরেও রয়েছে আল-বার মসজিদ।

কতজন বাংলাদেশির বসবাস থার্টিসিক্স এভিনিউতে এমন প্রশ্নে তিনি জানান, ৫ হাজার পরিবারের বাস এই এলাকায়। তাদের সদস্য সংখ্যা ২০ হাজারের বেশি হবে। তার নিজেরই কয়েক হাজার বাংলাদেশি কাস্টমার রয়েছে বলে জানান সাহাব আহমেদ।

থার্টিসিক্স এভিনিউতে সকাল-বিকেল-রাতে বাঙালিদের আনাগোনাই চোখে পড়ে। এই এভিনিউর ওপরে নামকরা ডাচ কিলস স্কুলগামীদের মধ্যে বাংলাদেশি শিশু-কিশোর-কিশোরীদের চেহারা বেশ চোখে পড়ে। এই স্কুলে বাংলাদেশি শিশুদের প্রসঙ্গে এর প্রিন্সিপ্যাল রাফায়েল ক্যাম্পোস সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে বলেছিলেন, এই শিশুরা বেশ মেধাবী ও স্মার্ট। ক্যাম্পোস বলেন শিশুরা ভালো করছে কারণ তাদের বাবা-মায়েরা ভালো এবং সর্বোপরি বাংলাদেশি কমিউনিটিও ভালো।

থার্টিসিক্স এভিনিউতেই গড়ে উঠেছে আরকিউএম নামে একটি টিউটোরিয়াল। এই টিউটোরিয়ালের শিক্ষার্থীরা এবছর হাই-স্কুল অ্যাকসেপট্যান্স পরীক্ষায় শতভাগ সাফল্য দেখিয়েছে। এভিনিউ ধরে হাটলে প্রতিটি ক্রসরোডের কর্নারে ডেলি অ্যান্ড গ্রোসারি। একসময় এই দোকানগুলো গ্রিক ও ইটালিয়ানদের দখলে ছিলো। এখন ভেতরে ঢুকলেই দেখা যায় বাঙালি এবং বাংলাদেশিরাই সেসব দোকানের মালিক।

থার্টি সিক্সের প্রধান আকর্ষণ আলাদিন রেস্তোরা। এই রেস্তোরার সুনাম ছড়িয়ে আছে গোটা নিউইয়র্ক জুড়ে। কেবল নিউইয়র্কই নয়, আশে পাশের নিউ জার্সি, আটলান্টা, কানেটিকাট থেকে প্রায় প্রতিদিনই কাস্টমার আসে আলাদিন রেস্তোরার খাবার খেতে। আর দেশ থেকে কিংবা দূরের অন্য কোনো স্টেট কেউ বেড়াতে এলে আলাদিনের খাবার একবেলা খাবেনই। এই দাবি আলাদিন কর্তৃপক্ষের। কাস্টমারদের ভিড় লেগেই থাকে। ইদানিং বিদেশি ক্রেতাও ভিড় জমায়। ১৯৯৫ এর মার্চে শুরু হলেও ২০০৫ সালের দিকে জনপ্রিয় হয়ে উঠতে থাকে আলাদিন। এর পর থেকে এই আলাদিনকে ঘিরেই জমজমাট হয়ে ওঠে থার্টিসিক্স এভিনিউ। একজন কাস্টমার বলেন, আলাদিনের সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে এরা বাসি খাবার বিক্রি করে না। আর দেশি স্বাদের খাবার এই দেশে খেতে পারার সুযোগ কে না নেয় বলুন।

আলাদিনের পাশেই আরেকটি দোকান আনন্দ রেস্তোরা। তার পাশে আরেকটি বাংলাদেশি গ্রোসারি। একটি ফলের দোকান, একটি মনোহরি। আশে পাশে ১০-১২টি দোকানের মধ্যে একটি দোকানই পাওয়া গেলো যেটি কেবল পাকিস্তানি মালিকানাধীন।

আলাদিনের উল্টোদিকে ডেলি অ্যান্ড গ্রোসারি, আমিন ফার্মেসি, কবির’র বেকারি, সোনার বাংলা হেয়ারকাটিং, বনফুল গ্রোসারি, ডেনটিস্ট্রি নামে দন্তচিকিৎসকের চেম্বার।

কথা হয় সোনার বাংলার শান্তিরঞ্জন শীলের সঙ্গে। ১৯৯৯ সাল থেকে থার্টিসিক্সে এই ব্যবসা তার। দেশে গোলাপগঞ্জ থেকে চুল কাটায় দক্ষতা নিয়েই এদেশে আসেন শান্তিরঞ্জন শীল। ১৯৯৫ সাল থেকে অন্যের দোকানে কাজ করতেন, ৯৯ এ নিজের ব্যবসা শুরু করেন। শান্তিরঞ্জন জানান, ব্যবসা ভালো। বাংলাদেশিরাই তার প্রধান কাস্টমার তবে বিদেশিরাও রয়েছে। ছেলে ও মেয়ে উভয়ের চুলই কাটা হয়। সোনার বাংলা হেয়ার কাটিংয়ে দেখা গেলো এক বাংলাদেশি কাস্টমারের চুল বেশ যতেœর সঙ্গে কেটে দিচ্ছেন দোকানের এক বিদেশিনী কর্মচারী।

একটি ক্রস রোড পাড় হলেই সাহাব আহমেদের বিশাল ফার্মেসি। সাবওয়ের কর্নারে ডানকিন ডোনাট ও সাবওয়ে নামে দুটি চেইন ফুড শপ। যুক্তরাষ্ট্রের সব জায়গায়ই এটা দেখা যায়। আরেকটি দোকান একটু পরপরই চোখে পড়ে ৯৯ সেন্ট। এসব দোকানের মালিকানাও বাংলাদেশিদের হাতে আসছে একটি দুটি করে। নিউ হ্যাপী ডেলি গ্রোসারি, বিআইপি গ্রোসারি রয়েছে এদিকটাতে। বিআইপি গ্রোসারি থার্টি সিক্সে প্রথম বাংলাদেশি দোকান। তবে এখন আর পুরোনো মালিক নেই। নতুন মালিকানায়ও একই ব্যবসা চলছে। ফ্রিডম ডেলি গ্রোসারি। স্বাধীনতাকে নিজের ব্যবসার নামে টেনে আনবে এমনটা একজন বাংলাদেশিই করবেন কারণ যুদ্ধ করে স্বাধীনতা এনেছে এই জাতি।

সুন্দরবন রেস্তোরা নামেই বাংলাদেশি। থার্টিসিক্স এভিনিউতে এদের ব্যবসাও এখন জমজমাট। প্রায়শই সভা, সেমিনারও হয় এই রেস্টুরেন্টে। পাশেই ক্লাব সনম। বড় কোনো অনুষ্ঠানের জন্য বাংলাদেশি কমিউিনিটি এই ক্লাবকেই বেছে নেন।

উল্টোদিকে আরেকটি দোকান ‘কেনাকাটা’। নামই টেনে ভেতরে ঢোকালো। সিমছাম গোছানো দোকান একটু পরপরই ছোট ছোট বাচ্চা ক্রেতারা ঢুকছে। কারো ক্যান্ডি কারো আইসক্রিম কারো সফট ড্রিঙ্কস প্রয়োজন। অধিকাংশই বিদেশি ছেলে মেয়ে। হাসিমুখে সেগুলো তুলে দিচ্ছেন বিক্রেতা সিলভিয়া নাসরিন। বয়স ৫০ এর কোটায়। মনে হচ্ছিলো এই শিশুরা যেনো তার অত্যন্ত আপনজন। শিশুরাও তার ভীষণ ভক্ত বলে মনে হলো। সিলভিয়া নাসরিন জানালেন দোনটি আগে ঠাঁঠারিবাজার নামে ছিলো। ১৯৯৮ সাল থেকে এটি কেনাকাটা নামে চলছে। তারা দোকানটি কিনে নিয়েছেন ছয় বছর আগে। তিনি বলেন, ছেলে মেয়েরা বড় হয়ে গেছে। এখন আমরা স্বামী-স্ত্রী মিলে দোকানটি চালাই। আমার ভীষণ ভালো লাগে, সারাদিন এখানে কেটে যায়। বাংলাদেশি কাস্টমাররা আসে, আসে বিদেশিরাও তাদের সঙ্গে একটা আন্তরিক সম্পর্ক হয়ে গেছে। ফলে দিনটা ভালো কেটে যায়। বাংলাপত্রিকাসহ বিভিন্ন পত্রিকাও বিক্রি হয় সিলভিয়া নাসরিনের দোকানে। তিনি জানালেন এখানে বিদেশি ক্রেতারাও মাঝে মধ্যে বাংলাপত্রিকা কিনতে চায়। তারা এখান থেকে বাড়িভাড়া, এটা সেটা বিক্রির বিজ্ঞাপনের বিষয়ে আগ্রহ দেখান। মাঝে মধ্যে বাংলাদেশের খবরও জানতে চান। আমি তাদের ট্রান্সলেট করে শোনাই। ভাড়ার বিজ্ঞাপনগুলো লিখে দেই। এখানকার সস্তা বাড়ি খোঁজে তারা।

থার্টিসিক্স-এ ইদানিং বাড়িভাড়া বেশ বেড়েছে একথা জানিয়ে সিলভিয়া নাসরিন বলেন, ক্রমশই এলাকাটি বাংলাদেশিদের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে। ফলে অনেকেই থার্টি সিক্স ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। একই কথা বলেছেন সাহাব আহমেদ, শান্তিরঞ্জন শীলও।

থার্টিসিক্স এভিনিউ থেকে বাংলাদেশিদের সরে যাওয়ার বিষয়টি তারা মোটেই মেনে নিতে পারছেন না।






যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমায় শক্তিশালী টর্নেডো, নিহত ৫১

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর


হ-বাংলা নিউজ : যুক্তরাষ্ট্র থেকে : যুক্তরাষ্ট্রের ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যের ওকলাহোমা সিটির শহরতলিতে গতকাল সোমবার একটি শক্তিশালী টর্নেডো আঘাত হেনেছে। এতে অন্তত ৫১ জন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে শতাধিক ব্যক্তি।

বিবিসি অনলাইনে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। রাতভর উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল।মার্কিন আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, ওকলাহোমার শহরতলিতে স্থানীয় সময় বিকেল চারটার দিকে টর্নেডোটি আঘাত হানে। এর গতি ছিল ঘণ্টায় ৩২০ কিলোমিটার। ওকলাহোমা সিটির উপশহর মুর সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

টর্নেডোর আঘাতে অনেক ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও স্থাপনা বিধ্বস্ত হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নিচে অনেকেই আটকা পড়ে আছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দুটি স্কুলের ধ্বংসস্তূপের ভেতরে অন্তত ২০টি শিশু আটকে আছে।

টর্নেডোর আঘাতে বিদ্যুত্-ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুতহীন অবস্থায় আছেন। যোগাযোগব্যবস্থাও বিচ্ছিন্ন হয়েছে।ওকলাহোমার গভর্নর মেরি ফলিন গতকালকে একটি বিয়োগান্ত দিন বলে অভিহিত করেছেন। ওকলাহোমার গভর্নরকে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

গত রোববার যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে বেশ কয়েকটি টর্নেডো আঘাত হানে। ওকলাহোমা অঙ্গরাজ্যে টর্নেডোর আঘাতে একজন নিহত এবং বহু লোক আহত হয়। ওই দিন ওকলাহোমা ছাড়াও আইওয়া, মিনেসোটা, কানসাস ও ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে টর্নেডো আঘাত হানে।



যুক্তরাষ্ট্রে মানুষের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ায় ৬০ জন আহত


তৈয়বুর রহমান টনি . থেকে : নিউ ইর্য়ক আমেরিকায় পর পর অনা কাংখিত কিছু ঘটনা ঘটছে যা কেউ আশা করে নাই বা এ ধরনের ঘটনা কখনোই ঘটে নাই যা অবিশ্বস্সাশো । যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে একটি উৎসবে মানুষের জমায়েতের মধ্যে গাড়ি চালিয়ে দেওয়ায় কমপক্ষে ৬০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক ।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ভার্জিনিয়ার ছোট্ট শহর দামেস্কে একটি উৎসবে অংশ নিচ্ছিলেন অনেক মানুষ। এ সময় একটি কার তাদের দিকে ছুটে আসছিল। সবাই চিৎকার করে গাড়িটি থামাতে বললেও চালক না থামিয়ে মানুষের উপর গাড়িটি তুলে দেয়।


এ সময় অনেকে দৌড়ে এসে গাড়িটি থামাতে সক্ষম হন। মার্কিন মিডিয়া বলছে, গাড়িটির চালক প্রতিবন্ধী হতে পারেন। কারণ এতে প্রতিবন্ধীদের পার্কের জন্য ব্যবহৃত স্টিকার লাগানো রয়েছে।সুত্রঃ- রয়টার্স




ওবামার কাজে বেশিরভাগ মার্কিনির সমর্থন

হ-বাংলা নিউজ : যুক্তরাষ্ট্র থেকে :  যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার কর্মকা-কে সমর্থন করেছেন বেশিরভাগ মার্কিনি। রোববার প্রকাশিত এক জরিপে দেখা গেছে, যুক্তরাষ্ট্রের ৫৩ শতাংশ নাগরিক মনে করেন, ওবামা যেভাবে কাজকর্ম পরিচালনা করছেন তা ঠিকই আছে। সিএনএন এবং জরিপ সংস্থা ওআরসি ইন্টারন্যাশনাল ৯২৩ জন প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিনির মতামতের ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে বলে এনডিটিভির এক খবরে বলা হয়েছে।

জরিপে দেখা যায়, ৪৫ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ওবামার দায়িত্বপালনের বিষয়ে সন্তুষ্ট নয়।এপ্রিলের প্রথমদিকে একই ধরনের জরিপে ওবামার কর্মকা-ে সন্তোষ প্রকাশ করেছিল ৫১ শতাংশ মার্কিনি। গত সপ্তায় যুগপৎ তিনটি কেলেঙ্কারি নিয়ন্ত্রণে হোয়াইট হাউস দৃঢ় পদক্ষেপ নেয়। ওই কেলেঙ্কারির জেরে পরিকল্পিত কর্মকা- বাস্তবায়ন হুমকির মুখে পড়ে গিয়েছিল।

গত বছর লিবিয়ার বেনগাজিতে মার্কিন দূতাবাসে হামলার ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনিকভাবে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগের ব্যাপারে বিতর্ক, অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের ফোনবার্তা যুক্তরাষ্ট্র সরকার রেকর্ড করার অভিযোগ এবং সর্ববাসম্প্রতিক ট্যাক্স কর্তৃপক্ষের বিষয়ে বিশেষ তদন্ত নিয়ে বেশ বিপাকেই পড়েছিলেন ওবামা।রিপাবলিকানরা এসব বিষয়ে ওবামা প্রশাসন ব্যাপকবাবে ক্ষমতার অপব্যবহারের দায়ে দোষী বলে হৈচৈ শুরু করে দেয়। তবে এসব অভিযোগ দৃঢ়তার সাথেই প্রত্যাখ্যান করে হোয়াইট হাউস।শুক্র ও শনিবার পরিচালিত এই জরিপের স্যাম্পলিং বিচ্যুতি ধরা হয়েছে প্লাস-মাইনাস ৩ শতাংশ।


গল্প নয় সত্যি - সবচেয়ে বড় ডাকাতি !

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর



হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : ব্যাংক ডাকাতি মানেই যাদের চোখে ভেসে ওঠে মুখোশ পড়া একদল সশস্ত্র যুবক, সতর্কতা অ্যালাম, গুলি, চিত্কার বা তার চেয়ে ভয়ংকর কোনো অ্যাকশন দৃশ্য এবার তাদেরকে রীতিমতো বোকা বানিয়ে ছেড়েছেন এ যুগের একদল ডিজিটাল ডাকাত। আধুনিক সময়ে নানা সময়ে হ্যাকিং বা তথ্য চুরির মাধ্যমে হ্যাকারদের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনা সংবাদ শিরোনাম হলেও সম্প্রতি হ্যাকারদের একটি বড় দল বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে যে পরিমাণ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তা বাস্তবিক অর্থেই আঁতকে ওঠার মতো।

ইতোমধ্যেই অরেঞ্জ নিউজ তাদের প্রযুক্তি বিষয়ক সংবাদ অংশে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এটিএম বুথ থেকে ২ কোটি ৯০ লাখ ডলার বা ২৩২ কোটি টাকার মতো। চাঞ্চল্যকর এই প্রতিবেদনে জানানো হয় অভিনব এই ব্যাংক ডাকাতির জন্য হ্যাকারেরা প্রথমে প্রি-পেইড ডেবিট কার্ড (যেখানে গ্রাহকরা তাদের সঞ্চিত অর্থের বিপরীতে কার্ড দিয়ে টাকা ওঠাতে পারেন) এর ডাটাবেইস বা তথ্যভান্ডার থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য হাতিয়ে নেয়। সেখানে বিভিন্ন গ্রাহক সর্বোচ্চ কত টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন সেই টাকার অংকে পরিবর্তন আনার পাশাপাশি এই গ্রাহকদের পিন নম্বর বা অ্যাকসেস কোডও নিজেদের মতো করে পাল্টে নেয় হ্যাকাররা। আর সবশেষ ধাপে গ্রাহকদের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত তথ্যগুলো নিজেদের মতো করে একাধিক এটিএম কার্ডের ম্যাগনেটিক ফিল্ডে রাইট করার মাধ্যমে অনায়াসেই এটিএম বুথ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়।

এ ঘটনাটিকে একুশ শতকের সবচেয়ে বড় ব্যাংক ডাকাতি হিসেবে অভিহিত করে যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী লরেটা লিঞ্চ সন্দেহ প্রকাশ করেন যে সম্ভবত হাজার খানেক হ্যাকার এই ঘটনার সাথে জড়িত থাকতে পারেন। এদিকে এ ঘটনার মূল হোতাদের খুঁজে বের করতে ইতোমধ্যে সাত জনকে গ্রেপ্তার করেছে যুক্তরাষ্ট্রের পুলিশ প্রশাসন।



কলকাতায় এস্কিমোদের ঘরে পনেরো মিনিট

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর


পরিতোষ পাল, কলকাতা থেকে: শুনে অবাক লাগছে! অবাক হবারই কথা। কলকাতার মত গরমের শহরে এস্কিমোদের ঘর হবে কি করে। কিন্তু সেটাই হয়েছে। কলকাতার স্বভূমির পাশে তৈরি হয়েছে এই এস্কিমোদের ঘর। তবে নাম দেয়া হয়েছে আইস লাউঞ্জ। এই আইস লাউঞ্জে প্রবেশ করেই চোখ ধাঁধিয়ে যাবার যোগাড়। নীল রঙয়ের রিসেপশনে আলোও অল্প। খুব সমভ্র্রমে প্রবেশ করার পর রিসেপশনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে এগিয়ে আসবেন লাউঞ্জ সহকারী। ভিতরে প্রবেশের ইচ্ছে জানানোর সঙ্গে সঙ্গে এক হাজার রুপির বিনিময়ে ছাড়পত্র মিলে যাবে।

এবার সেই এস্কিমোদের ঘরে প্রবেশের পালা। ভিতরে তখন মাইনাস দশ ডিগ্রি তাপমাত্রা। তাই সাধারণ পোশাকে প্রবেশ করা মানে হাড় হিম হয়ে মারা যাওয়া। আর তাই আপনাকে দেয়া হবে এস্কিমোদের পোশাক এবং গ্লাভস ও টুপি। এবার আপনি তৈরি আলাদা থ্রিল ও অনুভূতির রাজ্যে যাবার জন্য। কিন্তু ভিতরে ঢুকেও চমক। চারদিকে বরফের সাম্রাজ্য। দেয়াল থেকে বসার সোফা, চেয়ার, তাক সবই বরফের।

অবশ্য এই বরফের চেয়ারে বসলে পড়ে যাবার ভয় নেই। কেননা, তাপমাত্রা কমার সম্ভাবনা নেই। তাই বরফ গলে পানি হওয়ারও সুযোগ নেই। তাকে সাজানো মোমবাতির আলো। বিশেষভাবে তৈরি এই মোমবাতি ঠাণ্ডা সহ্য করার ক্ষমতা রাখে। সেজন্য প্রতি দিন নিয়ম করে চার্জ দিতে হয়। আর গোটা ঘরটা যে বরফ দিয়ে তৈরি সেই বরফ আনানো হয়েছে একেবারে কানাডা থেকে। সেখানকার প্রকৌশলীরাই এসে চেয়ার টেবিল, সোফা ও তাকের কারভিং করে দিয়ে গিয়েছেন। তবে এই এস্কিমোদের ঘরে চলাফেরা করা কঠিন।

হঠাৎ করে চেয়ারে বা সোফায় বসে পড়া যাবে না। লাউঞ্জের সহকারী পশমের চাদর বিছিয়ে দিলে তবেই বসা যাবে। চারদিকে এলইডি আলোর ছড়াছড়ি। বাজছে সংগীত। আর দেয়ালে বরফের তৈরি হাওড়া ব্রিজ, কলকাতার ট্যাক্সি। রয়েছে বরফের ময়ূর। এক দেয়ালে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল। এই ঘরে পাবেন শুধু পানীয়। মকটেলের দাম ধরা রয়েছে প্রবেশ মূল্যের সঙ্গে। ককটেলও চাইলে পাবেন। তবে আলাদা দাম। অর্ডার দিলেই আসবে পানীয়। তাও বরফের গ্লাসে। খাবার পর ফেলে দেয়া হয় এই গ্লাস। এই ঘরে অবশ্য খাওয়া দাওয়া দুরস্ত। শুধু উপভোগ করুন। তবে খাবার জন্য আলাদা রেস্তোরাঁ রয়েছে। সেখানে নেই বরফের সাম্রাজ্য। আর খাবার সব নিরামিষ।

বরফের এই সাম্রাজ্যে বেশিক্ষণ থাকা শরীরের পক্ষে কতটা ভাল তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। আর সর্দিকাশি থাকলে নৈব নৈব চ। এই বরফের সাম্রাজ্য কি উষ্ণায়নের প্রভাবে কখনও গলতে শুরু করবে? না, সেটা হবার নয়। এই বরফের সামাজ্যকে অটুট রাখতে রয়েছে তিনি তিনটি পাওয়ার ব্যাকআপ ব্যবস্থা। পৃথিবীর বড় বড় শহরের পাশাপাশি ভারতের অন্যান্য শহরে এটি থাকলেও কলকাতায় ছিল না। সেই শূন্যতা পূরণ হলো এবার। এক নতুন থ্রিল, নতুন অনুভূতি। আর অবাক দুনিয়া।




ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট স্কট ষ্ট্রীজজার-এর উদ্যোগে‘স্টার্ট আপ সিটি ঃ এন ইন্ট্রেপ্রেনুরিয়াল ইকোনমি ফর মিডল ক্লাস নিউইয়র্ক’কনফারেন্ট এবং নিউইয়র্ক সিটি মেওরেল কেন্ডিডেট ফোরাম অনুষ্ঠিত

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর



হাকিকুল ইসলাম খোকন : নিউইয়র্ক থেকে : বিশ্বের রাজধানী নিউইয়র্ক সিটির রবোর অন্যতম বরো ম্যানহাটান এর প্রেসিডেন্ট স্কট এম. স্ট্রীনজার-এর উদ্যোগে দিনব্যাপী স্টাট আপ সিটি ঃ এন ইন্ট্রেপ্রেন্থরিয়াল ইকোনমি ফর মিডল ক্লাস নিউইয়র্ক, কনফারেন্স এবং নিউইয়র্ক সিটি মেওরেল কেন্ডিডেট ফোরাম অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬ এপ্রিল, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮টায় নিউইয়র্ক সিটির ১৮৫ ওয়েস্ট ব্রডওয়ে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী নিউইয়র্ক ল স্কুল মিলনায়তনে।

IMG_2276____SaKiL__1

কনফারেন্সে প্রথমে ছিল তালিকা ভূমিকরণ। প্রাতঃরাশের পর সকাল ৯টায় স্বাগত বক্তব্যে রাখেন নিউইয়র্ক স্কুলের ডিন ও প্রেসিডেন্ট এন্থনী ডব্ল ক্রয়েল। কনফারেন্সের পরিচিতি মূলক বক্তব্যে রাখেন এবং কী নোট স্পিকারের পরিচিতি তুলে ধরেন ম্যানহাটান বরো প্রেসিডেন্ট স্কট এম, স্ট্রীনজার। কনফারে›েসর মুল বক্তা ইউনিয়ন স্কয়ার ভেটনি ম্যানেজিং পার্টনার ফ্রেড উইলসন তার বক্তব্য রাখেন।

IMG_2276____SaKiL__2

কনফারে›েস ৪টি বিষয়ের উপর সেমিনার এবং নিউইয়র্ক সিটি মেওরেল কেন্ডিডেট ফোরাম অনুষ্ঠিত হয়। কনফারেন্সে প্রথম সেমিনার ছিল ‘ফ্রম দি ক্লাসরুম টু দি বোর্ডরুম ঃ প্রিপারিং আওয়ার স্টুডেন্টস ফর সাকসেস’ এ বিষয়ের উপর সঞ্চালনা করেন সেন্টার ফর এন আরবান ফিউচার এর নির্বাহী পরিচালক জনাথন বাউয়েলস। প্যানেল আলোচক ছিলেন নিউইয়র্ক ল’ স্কুল ডিন ও প্রেসিডেন্ট এন্থনী ডব্ল ক্রয়েল, আইবি এম ইন্টারন্যাশনাল ফাউন্ডেশনের প্রেসিডেন্ট স্টেনলি এস, লিটো, নিটজান পেলম্যান এর নির্বাহী পরিচালক নিটজান পেলম্যান এবং তোমলার  এর ম্যামেজার কনরাড রাসিং।

IMG_2276____SaKiL__3

কনফারেন্সের ২য় বিষয় ছিল ‘ব্রেকিং ডাউন বেরিয়ার্স টু ইনট্রেপ্রেন্থরিয়াল সাকসেস’ এবিষয়ের সঞ্চালনায় ছিলেন পার্টনারশীপ ফর নিউইয়র্ক সিটির প্রেসিডেন্ট সিইও কেযেরিন এম. ওয়াইল্ড। প্যানেল বক্তা ছিলেন আইন বিষয়ক কাউন্সিলার ও ফ্রিল্যান্সার ইউনিয়নের সহকারী পরিচালক লেসি ক্লার্ক, ওয়াই ইসি’র প্রতিষ্ঠাতা স্কট গার্বার উইওয়ার্ক-এর সিইও অ্যাডাম নিউম্যান এবং পাটফর্ম এর প্রেসিডেন্ট হ্যাংক উইলিয়ামস।

IMG_2276____SaKiL__5

কনফারেন্সের ৩য় বিষয় ছিল ইনফ্রাস্ট্রাকচার ফর দি ২১ সেঞ্চরী, হাউ ফাস্ট, রিলায়েবল ইন্টারনেট এক্সেস ক্যান বুস্ট বিজনেস থ্রো আউট দি ফাইভ বয়েস। এ বিষয়ের সঞ্চালনায় ছিলেন নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটির প্রফেসর মাইকেল মস। প্যানেল আলোচক ছিলেন আলোচিত্র গ্রন্থ প্রণেতা সুসান ক্রফোর্ড, নিউইয়র্ক ল’ স্কুলের কমিউনিকেশন ও পলিসি ইনিস্টিট পরিচালক চার্লস ডেভিডসন, বিএলডিজি ৯২ প্রেসিডেন্ট ও সিইও এন্ডু এইচ, ফিমবল, এনওয়াইসিডি নির্বাহী পরিচালক ডানা স্পিগেল এবং এসবিও ইডিস’র সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট লর্ডেস জাপাটা।

IMG_2276____SaKiL__6

কনফারেন্সে ৪র্থ বিষয় ছিল ‘টেক এ্যাম এন ইঞ্জিন অব ইনোভেশন, হাউ টেকনোলোজী ইজ ফুয়েলিং দি সিটি’জ ডাইভাস ইকোনমি’ বিষয়ের সঞ্চালক ছিলেন নিউইয়র্ক টেকম্যাকাপ এর চেয়ারম্যান এন্ডু রাসিয়েজ। প্যানেল আলোচক ছিলেন বি-এম সিইও মাইকেল এ, বাসিক, সাপাওয়াজ এর নির্বাহী পরিচালক কেরিন কার্মি, এফপিডব্ল-এর প্রতিষ্ঠাতা পার্টনার জালাক জোবানপুত্র এবং এম এম পি’র প্রতিষ্ঠাতা লরেন টাউবা।

IMG_2276____SaKiL__4

শেষ পর্বে ছিল নিউইয়র্ক সিটি মেওরেল কেন্ডিডেন্ট ফোরাম এ পর্বে সঞ্চালনায় ছিলেন যুজফিওবেন-এডিটন ইন চীফ বেন স্মিথ।আলোচক প্যানেল নিউইয়র্ক সিটি ২০১৩ এর মেয়র প্রার্থীদের মাঝে অংশ নেন নিউইয়র্ক সিটি কাউন্সিল স্পিকার ক্রিস্টিন বি. কুইন নিউইয়র্ক সিটি কন্ট্রলার জন সি লুৎ,নিউয়িক সিটি প্রাক্তন কন্ট্রোলার বিল থম্পসন, নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক এডভোকেট বিল ডি বৎাসিও এবং সিটির প্রাক্তন কাউন্সিলারম্যান সাল আলবানিজ। প্রানবšত এই কনফারেন্সে মুলধারার সাংবাদিক, লেখক, বুদ্ধিজীবীদের সাথে আমন্ত্রিত হয়ে বাংলাদেশ কমিউনিটির একমাত্র প্রতিনিধি আমেরিকান প্রেসক্লাব অব বাংলাদেশ অরিজিন এর সভাপতি ও বার্তা সংস্থা বাপসনিউজ এডিটর হাকিকুল ইসলাম খোকন যোগদান করেন। প্রায় দুই শতাধিক অতিথি অংশ নেন বলে জানা গেছে। বাপননিউজ।
















ইতালির রোমান্টিক শহর ভেনিস পানিতে নিমজ্জিত

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর


নাজমুল হোসেন, মিলান থেকে : ইতালির সবচয়ে সুন্দর ও আকর্ষনীয় শহর ভেনিস | বিশ্বের পর্যটকদের কাছে এই ভেনিস রোমান্টিক শহর হিসাবে পরিচিত | চতুর্দিকে পানি আর এই পানির চারিদিকে ছোট ছোট শহর গুলোতে পর্যটকদের খুব আকৃষ্ট করে | বৃহস্প্রতিবার সকালে ভেনিস এর শহর গুলোতে পানি প্রবেশ করতে দেখা যায় | শহরের বিভিন্ন রাস্থা ঘাঠ পানিতে তলিয়ে যায় |

জানা যায়,ইতালির উত্তর পূর্ব ভেনোতো অঞ্চলে এই ভেনিস শহর অবস্থিত | পোপ ও পিয়েভ নদীর মুখে ছোট বড় ১২০ টি দীপ নিয়ে গড়ে উঠেছে এই ভেনিস | পৃথিবীর আকর্ষনীয় ও সৌন্দর্য মন্ডিত শহর এটি | ভেনিসের আয়তন ২৫৭.৭৩ বর্গকিলোমিটার | ২০০৯ সালের আদমশুমারি তথ্য অনুযায়ী এই শহরের লোকসংখা প্রায় ৩ লক্ষ্য |

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,বর্তমানে শহরটির ৫ গুন দ্রুতগতিতে পানিতে ডুবে যাচ্ছে | হেলে পড়ছে পূর্ব প্রান্তের এড্রিয়াটিক সাগরের দিকে | কিন্তু ভেনিস শহরের পানির স্থর স্থিতিশীল রয়েছে | গত এক দশক থেকে প্রতি বছর ২ মিলিমিটার হারে পানিতে তলিয়েছে এবং পূর্ব দিকে হেলে পড়ছে |ভেনিসের ১১৭ টি দীপ হ্রদের সংযোগ ভূমি গুলো আস্থে আস্থে ডুবে যাচ্ছে | শহরটির উত্তরাঞ্চল প্রতি বছর ২-৩ মিলিমিটার হারে  ডুবছে আর দক্ষিনাঞ্চল ৩-৪ মিলিমিটার হারে  ডুবছে |

প্লেট টেকটনিক্স এর মতে প্রাকৃতিক কারণেই ডুবছে ভেনিস শহর | কারণ এড্রিয়াটিক প্লেট বলয়ে আছে ভেনিস | এই প্লেট এপেনিনেস পর্বত মালার নিচ থেকে সরে যাওয়ার ফলে এই শহর ও আশপাশের এলাকা আস্থে আস্থে হেলে পড়ছে |

ভেনিস শহরে বন্যার প্রবণতা অনেক বেশি,যার ফলে শহরের অধিবাসীদের সারা বছর জুড়ে প্রায় সময়ই কাঠের সাকোর উপর দিয়ে হাঠতে হয় | ভেনিস শহর কিন্তু সবার কাছে একটি স্বপ্নের শহর হিসাবে বিবেচিত | তা অনেকেই এর নাম দিয়েছেন রা ডমিন্যান্ত |




মেয়র পদপার্থী বিল ডি ব্লাসিও সিটি হল প্রেস কসফারেন্সে নিউ ইয়র্ক শহরে অর্থনৈতিক, নাগরিক জীবনে “অভিবাসীদের লেজিসলেটিভ ও নীতি” এজেন্ডার উন্মোচন

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর


তৈয়বুর রহমান টনি :  হ-বাংলা নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : গত ১৬ই মে সকাল ১০টায় নিউ ইয়র্ক সিটির আসন্ন মেয়র পদপার্থী পাবলিক এডভোকেট বিল ডি ব্লাসিও সিটি হলে এক প্রেস কসফারেন্সে বক্তব্য রাখেন। নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন  পত্রিকার সাংবাদিক, সকল টিভি চ্যানেলের কর্মকর্তা, এ্যসেম্বলী মেম্বার এ্যটর্নি লুইস সেপুলভেদা সহ সরকারী/বেসরকারী উর্ধতন মহলের কর্মকর্তারা উপস্হিত ছিলেন।

IMG_0013____SaKiL__1

বাংলাদেশের নিউজ প্রতিনিধি তৈয়বুর রহমান টনি এই সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্হিত ছিলন। পাবলিক এডভোকেট বিল ডি ব্লাসিও উপস্হিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। পাবলিক এডভোকেট বিল ডি ব্লাসিও সম্পূর্ণরূপে নিউ ইয়র্ক শহরে অর্থনৈতিক ও নাগরিক জীবনের অভিবাসীদের এক করার লক্ষ্যে একটি সুদূরপ্রসারী পাঁচটি লেজিসলেটিভ ও নীতি এজেন্ডা উন্মোচন করেন। "নিরাপদ ও ওপেন সিটি" পরিকল্পনায় নিউ ইয়র্ক সিটির লিগ্যাল অভিবাসীদের মতো সকল ই-লিগ্যাল অভিবাসীদের জন্য একই রকম জন্য সুযোগ সুবিধা থাকবে। সদুর আমেরিকাতে মানুষ পাড়ি জমায় একটা স্বপ্ন নিয়ে। এখানে আসার পর বৈধ কাগজ না থাকায় তারা অন্ধকারে জীবন কাটায়।

IMG_0013____SaKiL__2

পাবলিক এডভোকেট বিল ডি ব্লাসিও তাদের জীবনে আশার আলো দেওায়ার উদ্দ্যশ্যে তিনি এই এজেন্ডা উন্মোচন করেন। তিনি জানান ই-লিগ্যাল অভিবাসীরা সিটি থেকে ইস্যু করা সিকিউর ড্রাইভিং লাইসেন্স ও স্ট্যাট আইডি বানানোর সুযোগ সুবিধা পাবে। নিউ ইয়র্ক সিটির প্রচুর অভবাসী আছে যাদের বৈধ কাগজ পত্র না থাকায় তার অন্ধকারে জীবন কাটাচ্ছে। এদের সিটির বিভিন্ন উন্নয়ন মূলক কাজে লাগাতে হবে যাহাতে এরা শহর উন্নয়নে সুদুর প্রসারী ভূমিকা রাখতে পারবে। লিগ্যাল কাগজপত্র বিহীন অভিবাসীরা ব্যাংকে একাউন্ট খোলার সুবিধা পাবে।

IMG_0013____SaKiL__3

লাইব্রেরী কার্ড, শহরের সকল চিত্ত বিনোদনে অংশ গ্রহন সহ সকল রকমের সুযোগ সুবিধা ভোগ করতে পারবে। সত্যিকার ভাবে কেউ যদি কোনো ক্রাইমের সাথে জড়িত না থাকে তাদের বিরুদ্ধে ডিপোর্টেশনের আদেশ সিথিঁল করা হবে। সিটিজেশন প্রাপ্ত নাগরিকদের জন্য আরো সুযোগ সুবিধা বাডানো হবে। তাদের মাতা/পিতা/ভাই বোনদের এই দেশে আনার ব্যপারেও সুবিধা বাড়ানো হবে।





ওয়াশিংটনে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক- কল্পনা ও বাবুল আক্তারের মামলার খোঁজ নিলেন জোসেফ ক্রাউলি

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর


গার্মেন্ট শ্রমিক নেত্রী বাবুল আক্তার ও কল্পনা আক্তারের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার সর্বশেষ অবস্থা জানতে চাইলেন মার্কিন কংগ্রেসম্যান এবং বাংলাদেশ ককাসের কো-চেয়ার জোসেফ ক্রাউলি। সফররত পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপুমনি বুধবার ওয়াশিংটন ডিসিতে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি নেত্রীদ্বয়ের খোঁজ-খবর নেন। পররাষ্ট্র দপ্তর সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে। এদিকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর জনসংযোগ কর্মকর্তার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নেত্রীদ্বয়ের নাম উল্লেখ না করে জানানো হয়েছে, ক্রাউলি কয়েক জন শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার খবর নিয়েছেন। তার সঙ্গে বৈঠকে গার্মেন্ট কারখানা সুরক্ষা এবং শ্রমিকদের কল্যাণে ক্রেতা দেশ ও সংগঠন দায় এড়িয়ে যেতে পারেন না বলে মত দিয়েছেন দীপুমনি।


বিদেশী ক্রেতাদের পণ্যের যৌক্তিক মূল্য প্রদান এবং দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের প্রতি গুরুত্ব আরোপও করেন তিনি। কংগ্রেসম্যানকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, কারখানার অবস্থার উন্নয়নে বাংলাদেশ সরকার দৃঢ় অঙ্গীকারাবদ্ধ এবং সকল শ্রমিকের জন্য নিরাপদ কর্মপরিবেশের উন্নয়নে মালিকদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। শ্রম আইন ২০০৬-এর সংশোধনী মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়েছে। শিগগিরই তা সংসদ অধিবেশনে পাস হবে।


সাভারে ভবন ধস ও তাজরীন গার্মেন্টে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় সরকারের তাৎক্ষণিক উদ্ধার অভিযান সম্পর্কে কংগ্রেসম্যান ক্রাউলিকে অবহিত করেন দীপুমনি। বলেন, সরকার ফাটল ধরা কারখানা ভবন খুঁজে বের করতে এবং ভবন নির্মাণ ও অগ্নিনিরাপত্তা বিধি লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে একটি প্রাথমিক জরিপ চলছে। এক বছর বা তার কাছাকাছি সময়ের মধ্যে বাংলাদেশের বাণিজ্য অংশীদাররা কারখানাগুলোতে একটি ইতিবাচক পরিবর্তন এবং তাদের প্রত্যাশিত শর্তসমূহের বাস্তবায়ন দেখতে পাবে বলে আশা করেন দীপুমনি। কংগ্রেসম্যান ক্রাউলি ভবিষ্যৎ ব্যবসায়িক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গার্মেন্ট কারখানা পরিস্থিতি উন্নতিতে বাংলাদেশ সরকার গৃহীত পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করায় মন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান। তিনি ঢাকা সফরে অর্জিত অভিজ্ঞতা ও প্রাপ্ত তথ্য মার্কিন কংগ্রেসে তার অপর সহকর্মীদের সঙ্গে শেয়ার করারও আশ্বাস দেন।


বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত আকরামুল কাদের, প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব আহমেদ ওয়াজেদ জয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সাইফুজ্জামান চৌধুরী, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে আমেরিকান অ্যাপারেল অ্যান্ড ফুটওয়্যার এসোসিয়েশনের (এএএফএ) সভাপতি ও সিইও কেভিন এম বুরকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপুমনির সঙ্গে তার হোটেল স্যুটে সাক্ষাৎ করেন। টিকফা ও জিএসপি সুবিধা নিয়ে আলোচনার জন্য মন্ত্রী ওয়াশিংটনে রয়েছেন। আজ ওবামা প্রশাসনের নয়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি’র সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন দীপুমনি।




ইতালির পালেরমোয় মেয়রের বিরুদ্ধে বাঙ্কার ব্যবসায়ীদের প্রতিবাদ মিছিল

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর


নাজমুল হোসেন,মিলান থেকে : ইতালির পালেরমোয় আইন পরিবর্তন করায় মেয়রের বিরুদ্ধে প্রবাসী বাঙ্কার ব্যবসায়ীরা প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ করেছে  | পালেরমোর ত্রে ফেব্রায়ো সংঘটনের উদ্যোগে ১৩ মে সোমবার সকাল ১০ টায় পালেরম সেন্ট্রাল এ এই প্রতিবাদ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্টিত হয় |

Najmul____SaKIL__1

জানা যায়,পালেরমোর পৌরসভা নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন অরলান্দও | তিনি পালেরমো সিটি সুন্দর ও পরিচ্ছন্ন রাখতে গত ১৫ দিন পূর্বে একটি আইন পরিবর্তন করেন যে সিটির ভিতরে কোনো বাঙ্কার বসতে পারবে না | এই আইন পরিবর্তনে মেয়র কোনো পাবলিসিটি করেন নাই বলে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করেন | মেয়র আইন পরিবর্তন করে কিছু দিন পর থেকে স্থানীয় মিউনিসিপাল পুলিশ দিয়ে বাঙ্কার ব্যবসায়ীদের উচ্ছেদ করেন এবং জরিমানা করা শুরু করেন | মেয়র এর এমন আইন পরিবর্তন ও বাঙ্কার উচ্ছেদ এর প্রতিবাদে ত্রে ফেব্রায়ো সংঘটনের এডভোকেট মারিও এবং দাবেতে এর সহযোগিতায় পালেরমোর বসবাসকারী বিভিন্ন দেশের প্রবাসী ব্যবসায়ীরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ মিছিল সেন্ট্রাল এর বিভিন্ন রাস্তা প্রদক্ষিন করেন এবং প্রতিবাদ মিছিল শেষে পৌরসভা অফিসের সম্মুখে সভা অনুষ্টিত হয় | সভায় বক্তৈব্ব রাখেন স্থানীয় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ |

Najmul____SaKIL__2

ব্যবসায়ীরা জানান,মেয়র আইন পরিবর্তন করেছে তা আমাদের জানানো হয় নাই | আমরা যারা ব্যবসা করি তাদের বাঙ্কার থেকে মালামাল নিয়ে যাচ্ছে,বাঙ্কার বসানোর জন্য জরিমানা করছে ১৫০ ইউরো থেকে ২০০ ইউরো | ব্যবসায়ীদের দাবি আইন পরিবর্তন করেছে ভালো | কিন্তু আমাদের কে না জানিয়ে সেই আইন কার্যকর করায় আমাদের ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে | তাদের দাবি এই আইন প্রত্যাহার করতে হবে | ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা করে নতুন আইন প্রনয়ন করতে হবে |

Najmul____SaKIL__3

এই প্রতিবাদ মিছিলে ছিলেন পালেরমোর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব লিটন মল্লিক,মহিতুর রহমান চৌধুী,ব্যবসায়ী নাসির আহমেদ,আমির হোসেন,নুরুল আমিন,শাহেদ আহমেদ ,রুহুল আমিন ,কবির হোসেন ,তরুণ প্রজন্মের পারভেজ আহমেদ চৌধুরী,তাফাজ্জুল তফু ,সেবুল মিয়া ,রাসেল ও মনসুর প্রমুখ | প্রতিবাদ মিছিলে অংশগ্রহন করেন তিউনিশিয়া ,মরোক্কো ,আফ্রিকান ,ঘানা ,সুমালিয়া ,ইন্ডিয়ান ,পাকিস্তানি ,বাংলাদেশী ও ইতালিয়ান দেশের বাঙ্কার ব্যবসায়ীরা | মিছিলে ত্রে ফেব্রায়ো এর সাথে পালেরমো তরুণ প্রজন্ম সংঘটনের নেতৃবৃন্দরা নেতৃত্ব দেন |






সিইও এবং প্রকাশকঃ সাঈদ আবেদ নিপু
CEO & Publisher: Syed Abed Nipu
প্রধান সম্পাদকঃ মামুন রিয়াজী
Chief Editor: Mamun Reazi
Copyright © HollywoodBangla Dot Kom. All rights reserved.
হলিউড বাংলা নিউজ - হলিউড থেকে প্রকাশিত অনলাইন বাংলা পত্রিকা
E-Mail: hollywoodbangla@gmail.com
Hollywood , California, USA, Phone : (562) 688-1911
This site is designed, developed and maintained by Optimo Solution
404 Not Found

Not Found

The requested URL /components/com_jynn/tent.php was not found on this server.

Additionally, a 404 Not Found error was encountered while trying to use an ErrorDocument to handle the request.


Apache Server at www.eroticforest.com Port 80