নিয়াজ মুহায়মেন : হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : বাফলা শুরুর প্রথম দিকে না জানা না চেনা হটাথ করে উদয় হওয়া মাহবুব খান কে নিয়ে প্রায় প্রতি রাতেই প্রতিষ্ঠা কালীন সদস্যরা আলাদিন রেস্টুরেন্টে সভায় মিলিত হতেন সাধারনত রাত ১০ ঘটিকার পরে। যারা সভায় যেতেন তাদের বেশির ভাগ লোকই আমার পরিচিত ছিলেন। আর আমি প্রায়শই ব্যবসায়িক কাজে রাতে আলাদিনে ও সময়ে যেতাম। তারা আমাকে সবসময় তাদের সাথে সভায় যোগ দেবার জন্যে বলতেন।
কিন্তু আমার মাঝে একটা প্রশ্ন তখন উদয় হত বলে যোগ দেতাম না। চেনা নেই, জানা নেই কোথা থেকে উড়ে আসা মাহবুব খানের পিছনে কেন আমাদের মত প্রাক্তন ছাত্র নেতাদের ঘুরতে হবে? একদিন শুনলাম উনি নাকি বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী। ব্যাপারটা পরিষ্কার করতে একদিন উনাদের সভা শুরুর দেরী দেখে দুরে বসে প্রশ্ন ছুরেদিলাম আমাদের গর্বের স্বাধীনতা যুদ্ধ বিষয়ক। অত্যন্ত দুঃখ জনক ছিল ইটা যে তিনি মুক্তিযুদ্ধ কে অবমাননা করে গন্ডগোল বললেন।
পরের কথা গুলো শোনার জন্যে আর মন টানলো না। এই বাফলা প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে তখন তার আসেপাশে যাদের দেখতাম, তারা হলেন মুক্তিযোদ্ধা ড: জয়নাল আবেদিন, কালিফোর্নিয়া আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা সভাপতি হাবিব আহমেদ টিয়া, জাসদ ছাত্রলীগের তুখোড় ছাত্রনেতা পরবর্তিতে শ্রমিক নেতা শামসুল ইসলাম, বি এন পি নেতা এনামুল হক বব, চট্টগ্রামের প্রাক্তন ছাত্রলীগ নেতা মুজিব সিদ্দিকী, ডা: হাশেম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র নেতা শাহীন সহ স্বাধীনতার স্বপক্ষের অনেকেই। আমি উনাদের একটা সমূহ বিপদের গন্ধ সেদিনই পেয়েছিলাম। অনেককেই বলেছিলাম, কিন্তু তারা কানে তুলেননি।
একুশের সম্পাদক জাহান হাসানের অনুরোধে তার পত্রিকায় সেসময় একটা আর্টিকেল ও লিখেছিলাম। কিন্তু কে শোনে কার কথা।এমনও খবর পেতে থাকলাম যে, সবাই সভায় বসে একটা সিদ্ধান্ত নেন আর মাহবুব খান বাড়ি গিয়ে তার ইচ্ছে মতে পাল্টিয়ে মিটিং মিনিটস লিখে সবাইকে ঘোল খাওয়ান। অনেকেই প্রতিবাদ করলেও তেমন জোরালো কিছু ছিল না। এরই মাঝে মাহবুব খান সভাগুলোতে লেখাপড়া সহ দ্বায়িত্ব শীল কাজগুলো ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিবির সভাপতি আনিস সহ অন্যান্য শিবির কর্মীদের দ্বারা করাতে থাকেন।
এসে গেল ২০০৬ সালের প্রথম বাংলাদেশ ডে প্যারেড। মঞ্চে প্রাক্তন শিবির নেতা-কর্মী তথা মুনার লম্ফ দেখে তখনি বাফলা ছেড়ে দিলেন শামসুল-শাহিনরা। তার পর সাজানো নির্বাচনী নাটকে ঘোল খেয়ে চলে গেলেন ড: জয়নাল আবেদিন। দ্বিতীয় বাংলাদেশ ডে প্যারেডের পূর্বে ছুটে গিয়েছিলাম শামসু-শাহিনের কাছে বাফলাকে জামাতের হাতে ছেড়ে না আসার জন্যে। তারা আমাকে বুঝিয়েছিলেন ওখানে থেকে স্বাধীনতার স্বপক্ষে কিছুই করা সম্ভব নই।
এতগুলো বছরে আমিও ঠিকই বুঝে নিয়েছি বাফলায় বাংলাদেশের পক্ষে কিছু নয় বরং প্রবাসী বাংলাদেশীদের ঘোল খাওয়ানো হয়। ঘরোয়া কিম্বা বড় অনুষ্ঠান কোথাও আমি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আলোচনা দেখিনি। সব সময় বলা হয়েছে আমরা অরাজনৈতিক সংগঠন। কিন্তু জামাত নেতারা গ্রেফতার হলে এই বাফলার নেতারাই ভিন্ন সংগঠনের ব্যানারে তাদের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।
এমনকি সম্প্রতি তারা নিয়মিত জামাতের যুদ্ধাপরাধীদের পক্ষেই ই মেইল চিঠি বক্তৃতা বিবৃতি চালিয়ে যাচ্ছেন। এইযে তথা কথিত আওয়ামী লীগের লোকজন বাফলায় রয়েছেন তারা কোনো নির্বাচন নয় প্রাক্তন শিবির নেতা ও মাহবুব খানের অনুকম্পায় নেতা হবার দৌড়ে প্রতিনিয়ত জি হুজুর জি হুজুর বলে জামাতের পক্ষে কাজ করছেন। এ পর্যন্ত তারা কোনো দিনই তাদের রাজাকার বসের সামনে জয়বাংলা পর্যন্ত বলতে সাহস করেনি। বরং সময়ে অসময়ে লস এঞ্জেলেসের জামাত বিরোধী আন্দোলনকে উড়িয়ে দিতে তারা জামাতের পক্ষে কাজ করেছেন।
আমাদের জামাত বিরোধী আন্দোলন রুখতে এই কুলাঙ্গার আওয়ামী লীগারদের সহযোগিতায় জামাতিরা আমাদের বিরুদ্ধে পুলিশী মিথ্যা মামলা-সাংঘাতিক সম্মেলন পর্যন্ত করেছে। এখন এই কুলাঙ্গার আওয়ামী নামধারীরা শাহ বাগের প্রিতমকে রাজাকার বাফলার পায়ে বলি দিল। আর প্রিতম সব ইউ টিউব ও নিউজ দেখেও আমাদের জামাত বিরোধী আন্দোলন রুখতে বাফলাকে সহযোগিতা করলো। প্রিতম তুই রাজাকার এই মুহুর্তে লস এঞ্জেলেস ছাড়।
ফিরোজ আলম : হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : যুদ্ধ আর আপোষ এক জিনিস নয়! লস এঞ্জেলেসের বাফলা নামক যে সংগঠনটি রয়েছে,সেই সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধী এটা প্রমাণিত সত্য ।লস এঞ্জেলেসের বাংলাদেশ কনসুলেট আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি প্রকাশ্যে বঙ্গবন্ধুকে অবমাননা করেছিলেন ।
বর্তমানে এই এই সংগঠনটিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতা বিরোধীদের রয়েছে সুসংহত অবস্থান!গতকালকের প্যারেড তার প্রমাণ!সমগ্র প্যারেড নিয়ন্ত্রণে ছিল স্বাধীনতা বিরোধী জামাতের আন্তর্জাতিক সংগঠন "মুনা" র নিয়ন্ত্রণে! দীর্ঘদিন যাবত মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি বাফলা থেকে মুনকে বহিষ্কার করার দাবি করে আসলেও তাদের এই দাবির সাথে কর্ম ও কর্মপরিকল্পনা খুবই দুর্বল,যার কারণে তারা ব্যার্থ হয়েছে! পক্ষান্তরে জামাতিরা বাফলাই তাদের উপস্থিতি আরো শক্তিশালী করেছে ।
অন্যদিকে স্বাধীনতার পক্ষ শক্তি নিজেদের মধ্যে ঐক্যর অভাবে ক্রমানয়ে দুর্বল হয়ে পড়েছে ।উল্লেখ্য গতকাল বফলার যে প্যারেড হয়েছে সেখানে,"খালেদা জিয়া এগিয়ে চল আমরা আছি তোমার সাথে" এই সমস্ত দলীয় স্লোগান হয়েছে এবং ওই প্যারেডে "সাইদী মুক্তি পরিষদ"লসএঞ্জেলেসর উদ্যোক্তাদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মত! এবং গতকাল রাতে শিল্পী প্রিতম আহমেদ কে যার নেতৃত্ব অপমান করার চেষ্টা করা হয়েছে এবং অশালীন ভাষা ব্যাবহার করা হয়েছে সে বাফলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক!শাহবাগ গণজাগরণ সৃষ্টি হওয়ার পর থেকে,এই আন্দোলনের সাথে জড়িতদের চরিত্র হনন করার জন্য তাদেরকে "গানজুটি ধর্ষক নাস্তিক"ইত্যাদি বলে ফেসবুক ইমেল সহ বিভিন্ন মাধমে কমুনিটিতে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে,বাফলার সর্বশেষ মিটিংএ ড:হাসেম শাহবাগ গণজাগরণ তরুনদের নিয়ে একটা গীতি নাট্য করার ইচ্ছা পোষণ করলে এই চেতনা বিরধীদের জন্য তা বাতিল করা হয়!
এত কিছুর পর গণজাগরণ মঞ্চের একজন সক্রিয়ভাবে নেতৃত্বদানকারী শিল্পীর গান গাওয়া অনেকের কাছে প্রশ্নর জন্ম দিয়েছে!অনেকে অনেকের মত করে ব্যাখ্যা দিচ্ছে!তবে প্রিতম আহমেদ টাকার জন্য না ব্যাক্তিগত সম্পর্কের জন্য এসেছেন সেটা উনি ভালো বলতে পারেন!তবে বাফলার মাঝে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধীদের প্রাধান্যের কারণে ওই প্যারেডে বাংলাদেশ কন্সুলাটের কেউ উপস্থিত হননি!
শাহবাগ গণজাগরনের সারা বিশ্বের সমর্থকদের চাওয়া,এই আন্দোলনের সাথে যারা সরাসরি জড়িত তারা যেন আব্দুন নুর তুষারের মত বিতর্কিত ভুমিকা না রাখে অথবা বিতর্কিত কোনো অনুষ্ঠানে যোগ না দেয়!
সর্বশেষে প্রিতম আহমেদ কে লাঞ্চিত করার অপচেষ্টায় জড়িত ছিল তাদের ধিক্কার জানাচ্ছি এবং স্বাধীনতার চেতনা ধারনকারীদের এদের বয়কট করার আহ্ববান জানাচ্ছি!
নিয়াজ মুহায়মেন : হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে :শাহবাগ গণজাগরণের শিল্পী প্রিতমকে ভাড়া করে নিয়ে আসা হয় বাফলার অনুষ্ঠানে গান করে বাফলা রাজাকার অপবাদ গুচাতে। লস এঞ্জেলেসের স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি অনেকভাবে বুঝিয়েও প্রিতমকে মানানো যায়নি যে বাফলা জামাতের একটি অঙ্গ সংগঠন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের গান শোনাতে এসে গালি খেয়েই মঞ্চ ছেড়ে পালালেন, গিটারের গুতো দেবার স্বাদ তার চূর্ণ, সাথে জুটল রাজাকার অপবাদ।
নিয়াজ মুহায়মেন : হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : ৯৩ তে সিলেটে শিবির যখন আমাদের ৫ জনের নামে মৃত্যু দন্ড ঘোষণা করে তখন আমি ছিলাম প্রথমে। ছয়মাস তিনদিন পর রাতের আধারে ওৎ পেতে পা থেকে মাথা পর্যন্ত কুপিয়ে পায়ে ঠেকিয়ে গুলি করে আমার মৃত্যু নিশ্চিত করে ওরা পুলিশ লাইনের সামনেই ফেলে যায়। ওই তালিকার আদনান ও আমার সাথে আহত হয়ে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে।
দীর্ঘ দিন পঙ্গু, সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ, মাদ্রাজের এপোলো হাসপাতালে চিকিত্সা শেষে ঠিকই সিলেট মেডিকাল কলেজে ফিরে যাই। কোনো দিন শিবিরের প্রতিরোধ নির্যাতনে মাথা নত করিনি। অনেক আওয়ামী ও জাসদ ছাত্র লীগের নেতাদের আপোষ/ তোষামোদ করতে দেখেছি। আজ এতটি বছর বাংলাদেশে ফিরে না গেলেও এই লস এন্জেলেসে সব সময় তাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার। ওদের মিথ্যা পুলিশী মামলা প্রতিরোধে আপনার বালরা প্রতিনিয়ত ওদের সাথে। কিন্তু আমাদের প্রতিরোধ কখন থেমে থাকেনি। ওদের সাথে কোনো লেনদেন পর্যন্ত করিনি।
কাদের সিদ্দিকী এর মত মুক্তিযোদ্ধা ওদের পৃষ্ট পোষকে কলাম লেখে আর অনুষ্ঠান পরিচালনা করে রাজাকার অপবাদ পেল। আপনি দুদিন পুলিশ বেষ্টনীতে শাহবাগে কাটিয়ে কি এমন হয়ে গেছেন যে জামাত থেকে ডলার নিয়ে হেফাজতে রাজাকারের বাসায় থেকে রাজাকারের মঞ্চে গান করলে আপনাকে রাজাকার বলবো না? প্রিতম তুই রাজাকার এই মুহুর্তে লস এঞ্জেলেস ছাড়।
হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : ফাসির পলাতক আসামী আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকার আর শাহ বাগের গণজাগরণের সঙ্গীত শিল্পী প্রিতম আহমেদের কি অদ্ভুত যোগাযোগ হয়ে গেল লস এন্জেলেসে।
বছর ছয়েক পূর্বে লস এন্জেলেসে এসেছিলেন বাচ্চু রাজাকার তালিম দিতে। সে সময় তার আদর আপ্যায়ন ও তার অনুষ্ঠানের প্রচারনায় তত্কালীন বাফলা সভাপতি ডা: এম এ হাসেম অতি ব্যস্ত সময় কাটান। সম্প্রতি লস এঞ্জেলেসের বাফলা অনুষ্ঠানে গান গেতে এসে প্রিতম আহমেদ সেই ডা: এম এ হাসেম এর আতিথিয়তা গ্রহণ করে তার বাসায় অবস্থান করছেন।
বাংলাদেশে যখন শাহবাগ আর হেফাজতের মাঝে দা কুমড়া সম্পর্ক এই বাচ্চু রাজাকারদের বিচার নিয়ে, তখন বাফলা এই দুপক্ষের বাঘ মহিষ কে এক ঘাটে জল খাওয়াচ্ছে, আর প্রিতম সেখানে যেন শান্তির পায়রা।
লস এঞ্জেলেস বাসীর প্রশ্ন এখানে বিদেশে যদি তাদের সেই আবেগ জলাঞ্জলি দিতে এতটুকু দ্বিধা না থাকে, তবে কেন বাংলাদেশে হরতাল-মারামারি করে দেশের সম্পত্তি ক্ষতি ও গরিবকে আরো গরিব করছেন?
হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : গণজাগরণের নামে শাহবাগী আয়োজকরা বাংলার জনগনকে আদেশ উপদেশ দিয়েছেন জামাতি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ব্যাঙ্ক-বীমা, স্কুল- কোচিং বর্জনের জন্যে। মাত্র তিনহাজার ডলারের বিনিময়ে শাহবাগের শিল্পী প্রিতম আহমেদ দীর্ঘ ছয় বছর ধরে মীর কাশেম আলী সহ জামাতি প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নে চলে আসা বাফলা প্যারেডে গান গাওয়ার জন্যে এখন লস এন্জেলেসে।
উল্লেক্ষ্য কিছুদিন পূর্বে সাইদীর ফাসির রায়ে জামাতি ধ্বংস যোগ্য ঠেকাতে শিবির মারা পড়লে এই সংগঠনের সভাপতি Denny ভাবী প্রধান মন্ত্রীকে প্রতিবাদ জানিয়ে চিঠি লিখেছিলেন। এই সংগঠনের নেতা কর্মীরা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধকে গন্ডগোল বলে অভিহিত করেন, সময়ে অসময়ে বাংলাদেশের সকল জাতীয় নেতাদের অবমাননা করেন-বঙ্গবন্ধু-জিয়া সহ। তারা বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসের সময়ে বাংলাদেশ ডে প্যারেড আয়োজন করেন অথচ কোথাও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস, এমনকি সুভিনীরেও বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও ভাষা আন্দোলন স্থান পায়নি।
সবচেয়ে বড় কথা নিজামী-মুজাহিদ গ্রেফতারের সাথে সাথে বাফলার তত্কালীন সেক্রেটারি খসরু, কোষাদক্ষ আনিস তাত্ক্ষণিক প্রতিবাদ সভায় মুক্তির আবেদন জানান। গোলাম আজম গ্রেফতার হলে বাফলার সাংগঠনিক সম্পাদক আশরাফের নেতৃত্বে বাফ্লা প্যারেডের লোকজন বাংলাদেশ কন্সুলেটে প্রতিবাদ লিপি জমা দেন। বাফ্লা প্যারেডের লোকজন সাইদী মুক্তি আন্দোলনের নামে ১৪ই ডিসেম্বর বাংলাদেশ বিরোধী প্রচারণা চালায়।
বাফলার আজীবন চেয়ারম্যান মাহবুব খান ৭১ সালে রাজাকারী করে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন। বাফ্লার অন্যান্য নেতারাও সাম্প্রতিক সহিংসতায় জামাতের পক্ষ নিয়ে বাংলাদেশ বিরোধী কার্যকলাপে লিপ্ত। সেখানে পয়সার বিনিময়ে প্রিতম আহমেদ গান গেয়ে কি বাণী শোনাবেন তা দেখার অপেক্ষায় আমরা। তবে দুর্মুখেরা বলেন ডলারের কাছে মানবতার পরাজয় অনেক দেখেছি। এরাতো শাহবাগী শিশু।
হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : সিলেটের টিলাগরের ছাত্র লীগ নেতা নজরুল আলমের আমন্ত্রণে বি এন পি চেয়ার পারসনের উপদেষ্টা বি এন পি নেতা এনাম আহমেদ চৌধুরী গত ৪ এপ্রিল লস এন্জেলেসে এসে নজরুল আলমের বাসায় অবস্থান করছেন। আওয়ামী লীগের সমর্থক নজরুল আলম সময়ে অসময়ে আলাপচারিতায় মুক্তিযুদ্ধের ঘোষক জিয়া, দেশ নেত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান সহ বি এন পি এর ঘোর বিরোধিতা, অবমাননা, এমনকি তাদের সম্পর্কে কটুক্তি করে থাকেন। সিলেটের সাবেক ছাত্র দল নেতা শিবগঞ্জের সাইফুল্লাহ খালেদ জানিয়েছেন নজরুল আলম 1989 সালে তার উপর ছাত্রলীগের হামলায় অংশ নিয়ে তাকে নির্যাতন করেন।
উল্লেক্ষ্য সে হামলায় সাইফুল্লাহ খালেদ আহত হয়ে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে মৃতুর সাথে পাঞ্জা লড়েন। সাত ঘন্টাব্যাপী অপারেশনে তার হাতের কয়েকটি আঙ্গুল কেটে ফেলতে হয়। ডা: শৈলোন্দ্র নাথ মিস্ত্রী অনেক যত্নে তার হাতের টেন্ডন রিপেয়ার করে তাকে বাচিয়েচিলেন। পরবর্তিতে ছাত্রদলের এই ত্যাগী নেতার উন্নত চিকিত্সার জন্য বি এন পি নেতা জামানের সহযোগিতায় তাকে ভারতের মাদ্রাজে অ্যাপোলো হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল।
কালিফোর্নিয়ার বি এন পি নেতাদের এনাম আহমেদ চোধুরী থেকে দুরে রাখতে এই নজরুল আলম কালিফোর্নিয়া বি এন পি সহ সভাপতি মাহবুবুর রহমান শাহিন ও যুগ্ম সম্পাদক এম ওয়াহিদ রহমানকে তাদের সেল ফোনে কল করে গত ২রা এপ্রিল জানান বি এন পি নেতা এনাম আহমেদ চৌধুরী ৩রা এপ্রিল সকাল সাড়ে নয় ঘটিকায় লস এঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক এয়ার পোর্টে আসছেন। তাদের দশ ঘটিকায় এয়ার পোর্টে থাকতে বলেন। অনেক বি এন পি নেতা এয়ার পোর্টে গিয়ে ধোকা খান। পরে জানা যায়, এনাম আহমেদ চৌধুরী ৪এপ্রিল লস এন্জেলেসে এসে নজরুল আলমের বাসায় বি এন পি নেতাদের থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন অবস্থান করছেন। তাদের এইরূপ আচরণে বি এন পি নেতৃবৃন্দের অনেকেই ক্ষুদ্ধ
হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : লসঞ্জেলেসের লিটল বাংলাদেশ কমিউনিটি ৪২তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে লিটন বাংলাদেশ বৃক্ষের পাশে বাংলাদেশের স্বাধীনতায় সকল শহীদের স্মৃতির স্মরণে এক মিনিটি নীরবতা পালন ও মোম জ্বালিয়ে শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে প্রার্থনা করা হয়। উল্লেখ্য যে, লিটল বাংলাদেশে তিনটি বৃক্ষরোপন করা হয়েছে।
যার একটি মুক্তিযুদ্ধে শহীদের স্মৃতি স্মরণে রোপিত হয়েছে। অপরটি একুশের শহীদ স্মৃতি স্মরণে এবং ৩য়টি প্রবাসে নতুন প্রজন্মের উদ্দেশ্যে রোপন করা হয়েছে।
লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে : বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে গত ২৬ মার্চ লসএঞ্জেলেস বিএনপি ক্যালিফোর্নিয়া নর্থ হলিউডের সালোমি রেস্টুরেন্টে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সভাপতিত্ব করেন আব্দুল বাছিত এবং পরিচালনা করেন বদরুল আলম চৌধুরী। বক্তব্য রাখেন মোর্শেদুল ইসলাম আহসান হাফিজ রুমী, এম ওয়াহিদ রহমান, আমজাদ হোসেন, মারুফ খান, লায়েক আহমেদ, সৈয়দ নছির উদ্দীন, ফারুক হাওলাদার শাহীন হক ও প্রমুখ।
বক্তারা স্বাধীনতা দিবসে দেশের সরকারের সমালোচনা করে বলেন যে এই স্বৈরাচারী ও স্বেচ্ছাচারিতায় দেশে আজ অরাজকতা বিরাজ করছে। সরকার পতনের মধ্যে দিয়ে গণতন্ত্রকে উদ্ধার করার জন্য প্রবাসীদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সভাপতি বলেন, তত্ত্ব¡াবধায়ক সরকারের মাধ্যমেই আগামী নির্বাচন দিতে হবে।
তপন দেবনাথ : লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে : অমর একুশে বইমেলায় লস এঞ্জেলেস প্রবাসী লেখকদের প্রকাশিত বই নিয়ে মনোজ্ঞ অনুষ্ঠান হয়ে গেল ৩০শে মার্চ লস এঞ্জেলেসের অলিম্পিক পুলিশ ষ্টেশন অডিটরিয়ামে।বাংলাদেশ রিডার্স এন্ড রাইটার্স এসোসিয়েশন এর আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে লস এঞ্জেলেস প্রবাসী কবি মতিয়ার রহমান মার্টিনের কাব্যগ্রন্থ নক্ষত্র খচিত বাসর শয়নে, জেসমীন খানের প্রবন্ধের বই লস এঞ্জেলেসের দিনগুলো, রওন্ক সালামের কাব্যগ্রন্থ লস এঞ্জেলেসে চন্দ্র বিলাস, বুলবুল সিনহার গল্পগ্রন্থ কীভাবে আমেরিকা এলাম, তপন দেবনাথ এর ঊপন্যাস কবিতার বাসরঘর ও গল্পগ্রন্থ নন্দন নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কবি সাজেদ চৌধুরী ম্যাকলিনের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফলে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা সম্ভব হয়েছে। সদ্য প্রকাশিত বই ও লেখকদের লেখা নিয়ে সারগর্ভ আলোচনা করেন জেসমীন খান। লেখকগণ তাদের লেখা নিয়ে আলেচনা করেন।
লাল গোলাপ দিয়ে লেখকদের অভিনন্দন জানানো হয়। অনুষ্ঠানে আরো যারা উপস্থিত ছিলেন তাদের মধ্যে আছেন কবি আঃ খালেক, কমিউনিটি এক্টিীভষ্ট লেখক শাহ আলম, এসবি বিশ্বাস, জাহিদ হোসেন পিন্টু, আবদুল্লাহ ফরিদা, লাকী আক্তার, আবু হানিফা, মুক্তা সিনহা, ঢালী মোফাজ্জল হোসেন মফু, কাজী মশহুরুল হুদা, সৈয়দ এম হোসেন বাবু, সৈয়দা বিলকিস আরো অনেকে। সঞ্চলনা করেন কবি সাজেদ চৌধুরী ম্যাকলীন।
হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : বাংলাদেশের জন্ম এবং স্বাধীনতার সত্যিকার চেতনার মত মূল আদর্শকে অবজ্ঞা করায় 'বাংলাদেশ ইউনিটি ফেডারেশন (বাফলা) 'কে ধিক্কার। মুসলিম উম্মা অফ নর্থ আমেরিকা (মুনা) একটি মৌলবাদী সংগঠন এবং এটি জামায়াত-ই-ইসলাম বাংলাদেশের সাথে সংশ্লিষ্ঠ বলে বিশ্বাস করার যথেষ্ঠ কারণ রয়েছে। ১৯৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় যুদ্ধাপরাধী জামাতের নৃশংসতা এবং মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা আজ দালিলিক ভাবে প্রমাণিত। আমরা এই রকম কোন সংগঠন এবং তাদের দোসরদের কোন কার্য্যক্রমের সাথে, লস এঞ্জেলেস বা অন্য কোথাও; কোন ভাবেই জড়িত হতে চাই না। অতএব, আমরা অবিলম্বে বাফলা থেকে মুনার সদস্যপদ বাতিলের জোর দাবি জানাচ্ছি।
মুনার সাথে বাফলার অব্যাহত নিবিড় সংশ্লিষ্টতার কারণে আমরা এ বছর বাফলার বাংলাদেশ ডে প্যারেড প্রত্যাখান করছি। বাংলাদেশ কমিউনিটি এবং সকল সচেতন নাগরিকদের, ৭ই এপ্রিল, ২০১৩, রবিবার অনুষ্ঠিতব্য প্যারেডে, মুনা এবং তাদের সমর্থনকারীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ প্রদর্শন করতে অনুরোধ করছি।
এই দিন আমরা একত্রিত হবো:
লিট্ল বাংলাদেশ সাইনবোর্ডের নীচে; থার্ড স্ট্রিট এবং আলেকজান্দ্রিয়া এভেনিউ; বেলা ১টায়।
প্রানের দেশটির জন্মলগ্নের মানবতার আদর্শে উজ্জবিত হয়ে, প্রিয় বাংলাদেশের প্রতি সম্মান ও ভালবাসা দেখাতে; অনুগ্রহ করে সম্মিলিত এই বিক্ষোভে একাত্ম হোন।