Type in:

আনর্তজাতিক খবর

যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী ‘ফ্লাইট বিলম্ব’ চরমে পৌঁছেছে

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর



যুক্তরাষ্ট্রব্যাপী বিভিন্ন এয়ারপোর্টে ফ্লাইট বিলম্ব এখন চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।যুক্তরাষ্ট্র থেকে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটগুলো এখনো কোনোমতে তাদের ফøাইট স্কাজুয়াল রক্ষা করে যেতে পারলেও বিভিন্ন এয়ারপোর্টে শত শত লোকাল ফ্লাইট এই বিলম্বের ফাঁদে আটকা পড়েছে।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানায়, ফেডারেল বাজেট ছাঁটাইয়ের পরিণতিতে এয়ারপোর্টের ট্রাফিক কন্ট্রোলার ও নিরাপত্তাকর্মীদের ব্যাপক ছাঁটাই এই বিলম্বের মূল কারণ। এই ব্যাপক ফ্লাইট বিলম্বের ফলে এয়ারপোর্টগুলোতে হাজার হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগের শিকার। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে যে যুক্তরাষ্ট্রের এক পয়েন্ট থেকে আরেক পয়েন্টে যাত্রার ক্ষেত্রে বিমানের চেয়ে এখন ট্রেনেই কম সময় লাগছে।

ফেডারেল এভিয়েশন কর্র্তৃপক্ষ জানায়, তাদের হাতে প্রয়োজনীয় অর্থ না থাকায় তারা বেশ কিছু সংখ্যক এয়ারট্রাফিক কন্ট্রোলার ও এয়ারপোর্ট নিরাপত্তাকর্মী ছাঁটাই করতে বাধ্য হয়েছেন। এপ্রিল মাস থেকে স্বয়ংক্রিয় ভাবে ফেডারেল বাজেট থেকে ৮৫ বিলিয়ন ডলার কেটে নেওয়া হলে বিভিন্ন ফেডারেল এজেন্সি চরম বাজেট সংকটের মধ্যে পড়ে। এই অবস্থায় তারা তাদের কর্মচারীদের ছাঁটাই-এর পথ বেছে নিতে বাধ্য হয়। এই ৮৫ বিলিয়ন ডলার বাজেট ছাঁটাই-এ সবচেয়ে বেশী সংকটে পড়েছে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি ডিপার্টমেন্টের অধীনের বিভিন্ন এজেন্সি ও ফেডারেল এভিয়েশন অথরিটি।

যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ লাগুয়ার্ডিয়া এয়ারপোর্ট থেকে প্রতিটি ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ের অনেক পরে যাত্রা করছে। গত সোমবার পর্যন্ত মোট ফ্লাইটের মাত্র ৬ শতাংশ বিমান বিলম্বে ছাড়ে যা স্বাভাবিক। তবে ১০ দিনের ব্যবধানে মঙ্গলবার এই ফ্লাইট বিলম্ব রেকর্ড ছাড়িয়েছে।

ওয়াশিংটন রিগ্যান ন্যাশনাল এয়ারপোর্ট, নিউইয়ার্ক এয়াপোর্টসহ যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় সব এয়ারপোর্টে একই চিত্র। তবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের ক্ষেত্রে এই বিলম্ব এখনও সীমা অতিক্রম করেনি বলে কর্মকর্তারা জানান।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের অধীনে মোট কর্মকর্তা-কর্মচারীর সংখ্যা ৪৭ হাজার। এর মধ্যে ১৫ হাজার এয়ার কন্ট্রোলার। কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যে তাদের কর্মজীবীদের মধ্যে ১০ শতাংশ ছাঁটাই করেছে। - আজকাল




যুক্তরাষ্ট্রের ৫ সেন্টের একটি কয়েন ৩১ লাখে বিক্রি !

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর


হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : যুক্তরাষ্ট্রের ১০০ বছরের পুরনো পাঁচ সেন্টের একটি ধাতব মুদ্রা (কয়েন) ৩১ লাখ ডলারে বিক্রি হয়েছে। ১৯১২ সালে নিকেল ধাতু দিয়ে কয়েকটি পাঁচ সেন্টের মুদ্রা তৈরি করা হয়েছিল, সেগুলোর একটি এটি। গত বৃহস্পতিবার মুদ্রাটি নিলামে তোলা হয়েছিল।

নিলামকারী প্রতিষ্ঠান হেরিটেজ অকশন জানায়, তাদের ধারণা ছিল, এটি হয়তো ২৫ লাখ ডলারে বিকোতে পারে। কেন্টাকি ও ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের দুই ব্যক্তি মুদ্রাটি যৌথভাবে কিনে নিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, মুদ্রাটির ঘটনাবহুল ইতিহাসই এত বেশি দামে বিক্রির কারণ। ১৯১২ সালে ফিলাডেলফিয়ার টাঁকশালে কিছুসংখ্যক এ ধরনের মুদ্রা তৈরি করা হয়। ধারণা করা হয়, এগুলোকে নকল করতে স্যামুয়েল ব্রাউনের এক কর্মী সেগুলোতে '১৯১৩' সালের ছাপ দেন। ১৯২০ সালে ব্রাউন মুদ্রাগুলো বিক্রি করার আগ পর্যন্ত বিষয়টি সবার অজানা ছিল।

১৯৬২ সালে মুদ্রা সংগ্রহকারী জর্জ ওয়ালটন এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। তাঁর সঙ্গে থাকা জিনিসপত্রের মধ্যে ওই পাঁচ সেন্টের মুদ্রার একটি পাওয়া যায়। এরপর সেটি ওয়ালটনের বোন মেলভা গিভেনসের হাতে পড়ে। গিভেনস মারা যাওয়ার পর ২০০৩ সালে তাঁর পরিবার মুদ্রাবিষয়ক প্রদর্শনীতে তোলে সেটি। নিলামের আগ পর্যন্ত কলোরাডো অঙ্গরাজ্যে আমেরিকান নিউমিজমেটিক অ্যাসোসিয়েশনের জাদুঘরে রাখা ছিল মুদ্রাটি। সূত্র : বিবিসি।





যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও সাবেক পাঁচ প্রেসিডেন্ট এক মঞ্চে

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর


Obama_Bush_Library__SaKiL_2
হ-বাংলা নিউজ : যুক্তরাষ্ট্র থেকে : যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান ও সাবেক পাঁচ প্রেসিডেন্ট এক মঞ্চে সমবেত হয়েছিলেন গত বৃহস্পতিবার। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাসে জর্জ ডাব্লিউ বুশ প্রেসিডেনশিয়াল সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান এনে দিয়েছিল এ উপলক্ষ।

Obama_Bush_Library__SaKiL_1

ছবিতে বাঁ থেকে-বর্তমান প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা, সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লিউ বুশ, বিল ক্লিনটন, জর্জ এইচ ডাব্লিউ বুশ ও জিমি কার্টার। ছবি : ইয়াহু




ক্যান্সার মহামারির ঝুঁকিতে লাতিন আমেরিকা

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর


হ-বাংলা নিউজ : যুক্তরাষ্ট্র থেকে : লাতিন আমেরিকার দেশগুলোতে ক্যান্সার মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে সতর্ক করেছেন গবেষকরা। তাঁদের হিসাবে, এসব দেশে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইউরোপের চেয়ে ক্যান্সার আক্রান্তের হার কম হলেও এতে মারা যাওয়ার সংখ্যা অনেক বেশি। সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় না হওয়াসহ যথাযথ চিকিৎসার অভাবই মূলত মহাদেশটিতে ক্যান্সারে মৃত্যুহার বাড়াচ্ছে।

নিউ ইয়র্ক ভিত্তিক ক্যান্সারবিষয়ক সাময়িকী ল্যানসেট অনকোলজিতে গত শুক্রবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বিষয়টি উঠে এসেছে। এদিন ব্রাজিলের সান পাওলোতে অনুষ্ঠিত ল্যাটিন আমেরিকান কো-অপারেটিভ অনকোলজি গ্রুপের (এলএসিওজি) সম্মেলনেও বিষয়টি তোলা হয়। গবেষকরা বলছেন, জরুরিভিত্তিতে এখনই তামাকের ব্যবহার কমানো ও স্থূলতা প্রতিরোধসহ ক্যান্সার নিয়ন্ত্রণে নানা ধরনের প্রতিরোধী ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। ২০৩০ সাল নাগাদ লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ১০ লাখ ৭০ হাজার মানুষের ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। লাতিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে ক্যান্সারের বিস্তার এবং এর চিকিৎসা পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ অঞ্চলে মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে ক্যান্সার একটি সাধারণ ব্যাধিতে পরিণত হচ্ছে। বেশির ভাগ দেশই রোগটি নিয়ন্ত্রণে হিমশিম খাচ্ছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এখানকার মানুষ আগের চেয়ে বেশি আয়েশি জীবনযাপন করছে। অস্বাস্থ্যকর খাবার খাচ্ছে। তাদের তামাক সেবন ও অ্যালকোহল পানের মাত্রা বেড়েছে। কঠিন (কয়লা, কাঠ ইত্যাদি) জ্বালানি ব্যবহারের কারণে দূষণও এর পেছনে দায়ী বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, লাতিন আমেরিকার প্রতি লাখে ক্যান্সারে আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ১৬৩। যুক্তরাষ্ট্রে এ সংখ্যা ৩০০ ও ইউরোপে ২৬৪। অথচ যুক্তরাষ্ট্রে এ রোগে ৩৭ জনের মধ্যে মারা যায় ১৩ জন। ইউরোপে ৩০ জনের মধ্যে মারা যায় ১৩ জন। সেখানে লাতিন আমেরিকায় ২২ জনের মধ্যে মারা যায় ১৩ জন। সূত্র : বিবিসি, এএফপি।





নিউ ইয়র্কে ২১ বছরের নীচে সিগারেট বিক্রিয় নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর



হ- বাংলা নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে :  যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে এবার ২১ বছরের নীচে কারও কাছে সিগারেট বা তামাক জাতীয় পণ্য বিক্রিয় নিষিদ্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। নিউ ইয়র্কের বিভিন্ন স্কুলের কমপক্ষে ২০ হাজার কিশোর ধূমপানে আসক্ত। এদের কথা মাথায় রেখেইে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান শহরে এ ধরনের আইন করা হচ্ছে। নিউ ইয়র্ক সিটি কাউন্সিলের স্পিকার ক্রিস্টিন কুইন এ সংক্রান্ত একটি আইনের প্রস্তাব করেছেন।

এ প্রস্তাবে তামাক জাতীয় পণ্য কেনার ক্ষেত্রে বয়সের সীমা ১৮ থেকে ২১ বছর নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়েছে। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন প্রাপ্ত বয়স্কদের অনেকেই ২১ বছরের আগে এ ভয়াবহ বদ অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। আমাদের শিশু এবং কিশোরদের জন্য ধূমপান শুরুর বয়সটা বাড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে তাদের ধূমপানের প্রবণতা শুরুর বাধাগ্রস্ত করা হবে এবং এভাবে আমার একটি স্বাস্থ্যকর শহর তৈরি করার সুযোগ পাবো।


বোস্টন হামলার জের - গোয়েন্দা নজরদারি মুসলিম কমিউনিটিতে

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর


নিউইয়র্ক: বোস্টন ম্যারাথনে কাপুরুষোচিত বোমা হামলায় আবারও যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের জীবনে নেমে আসছে নতুন সংকট। এখন থেকে মুসলমান কমিউনিটিতে অব্যাহত নজরদারি আসছে।

যুক্তরাষ্ট্র হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভের বর্তমান ‘কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স’ বিষয়ক সাবকমিটির চেয়ারম্যান ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি কমিটির সাবেক চেয়ারম্যান পিটার কিং স্বয়ং এই প্রস্তাব দিয়েছেন।

কংগ্রেসম্যান পিটার কিংয়ের এই বক্তব্য বিশেষ করে মুসলমানসহ বিভিন্ন মহলে বিতর্কের জন্ম দিলেও বাস্তবতায় যুক্তরাষ্ট্রের জনগণের  নিরাপত্তার বিষয়টিই সরকারের কাছে সর্বাগ্রে গুরুত্বপূর্ণ। নাইন ইলেভেনের বর্বোরোচিত সন্ত্রাসী হামলার পর বোস্টন ম্যারাথনে বোমা হামলার ঘটনা আবারও নতুন করে সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রকেই কাঁপিয়ে তুলেছে। আর সে কারণেই যুক্তরাষ্ট্রে মুসলমানদের মধ্যে আবারও আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে।

নিউইয়র্ক থেকে নির্বাচিত রিপাবলিকান দলীয় কংগ্রেসম্যান পিটার কিং বলেছেন, “পুলিশকে উপলব্ধি করতে হবে, মুসলমান কমিউনিটি থেকেই হুমকি আসছে। পুলিশকে মুসলিম সম্প্রদায়ের ওপর নজরদারি বাড়াতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “অনেকদিন ধরেই আমি মুসলিম উগ্রবাদের কথা বলে আসছি। পুলিশকে কমিউনিটির অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে হবে এবং যত বেশি সম্ভব কমিউনিটির ভেতরে পুলিশের ‘সোর্স’ তৈরি করতে হবে।”

সম্প্রতি, প্রভাবশালী সংবাদ মাধ্যম ‘ন্যাশনাল রিভিউ’-কে দেওয়া সাক্ষাতকারে এ সব কথা বলেন তিনি।

পিটার কিং বলেন, “রাজনৈতিক শুদ্ধতার কাছে আমরা বাধা পড়তে পারি না। আমি মনে করি, যে সব কমিউনিটি থেকে হুমকি আসছে, সে সব কমিউনিটিতে আরও পুলিশ প্রয়োজন, আরও নজরদারি প্রয়োজন। তা বিপথগামীদের আইরিশ কমিউনিটি (নিউইয়র্ক সিটির আইরিশ-আমেরিকান গ্যাং) ইটালিয়ান মাফিয়া কমিউনিটি অথবা ইসলামিক টেরোরিজমের মুসলমান কমিউনিটিই হোক।”  

কংগ্রেসম্যান পিটার কিং আরও বলেছেন, “বোস্টনের বোমা হামলাই প্রমাণ করে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শেষ হতে আরও বাকি।”

তিনি তার বক্তব্যের সমর্থনে নতুন তথ্য উপস্থাপনে জোর দিয়ে বলেন, “অনেকেই ভীত সন্ত্রস্ত যে, কোনোরকম ‘ক্রিমিনাল রেকর্ড’ ছাড়াও যে কেউ নিউইয়র্ক সিটিতে হামলায় সফল হতে পারে।”

তিনি বলেন, “হামলার আগে গোয়েন্দাদের নজরদারিতে কোনো রকম আশঙ্কা বৃদ্ধির সংকেত ছাড়াই সন্ত্রাসীরা ভেতর থেকেই হামলা চালাতে পারে।”

কংগ্রেসম্যান পিটার কিং বলেন, “নতুন আশঙ্কা অবশ্যই অভ্যন্তরীণ এবং আমরা আমাদের প্রতিরক্ষাকে ভেঙে পড়ে যেতে  দিতে পারি না।”

সামাজিক ব্যবসায়ীরা যে কোনো ধরনের সন্দেহজনক কেনাকাটা, বিশেষ করে বিস্ফোরণ কাজে ব্যবহৃত হতে পারে, তেমন দ্রব্যাদির অধিক পরিমাণে ক্রয় সম্পর্কে পুলিশকে অবহিত করবে। এমনটাই দেখতে চান কংগ্রেসম্যান পিটার কিং।

বোস্টনের বোমা হামলায় জড়িত সন্দেহের দুই সহোদর তামেরলান সারনেভ ও জোক্খার সারনেভের সঙ্গে চেসনিয়ার সম্পৃক্ততা রয়েছে।

কংগ্রেসম্যান পিটার কিং বলেছেন, “এর অর্থ, সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধে এটা একটি নতুন ফ্রন্টও হতে পারে।”

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে চেচনিয়ান কমিউনিটি থেকে হামলার সূত্রপাত হয়নি। সুতরাং, সে বিবেচনায় এটা একটা নতুন ফ্রন্ট তৈরি হয়েছে।”

ইমিগ্রেশন নীতিমালা ঢেলে সাজানোর উদ্যোগে বোস্টনের বোমা হামলার ঘটনা কোনো প্রভাব ফেলবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

বোস্টনের বোমা হামলায় সাধারণ মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে এবং সাধারণ মানুষই এর ভুক্তভোগী। এ হামলার অন্য কোনো উদ্দেশ্য নেই উল্লেখ করে কংগ্রেসম্যান পিটার কিং বলেন, “ঘটনাটি এমন নয় যে, তারা সরকারি নিদর্শন উড়িয়ে দিতে চেয়েছে, যেখানে একই সঙ্গে সাধারণের প্রাণহানি ঘটেছে।”

উল্লেখ্য, বোস্টনের ম্যারাথনে বোমা হামলায় ৮ বছরের শিশুসহ তিনজনের প্রাণহানি ও ১৭২ জন আহত হন। এই ঘটনার পর নিউইয়র্ক সিটিতে বাড়তি সতর্কতা হিসেবে পুলিশের সন্ত্রাস বিরোধী ইউনিটের এক হাজার সদস্যকে নিয়োজিত করা হয়েছে। কংগ্রেসম্যান পিটার কিংয়ের মতে, কেবল নগন্য কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা এ কাজে পর্যবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করছেন।




অভিবাসন বিল আশা জাগিয়েছে সবমহলে

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর



হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : যুক্তরাষ্ট্রে বহুল আলোচিত ও প্রতিক্ষিত ইমিগ্রেশন বিল অবশেষে সিনেটে তোলা হয়েছে। বহুজাতির মেল্টপট বলে খ্যাত এই দেশে অভিবাসী, শ্রমিক ও মানবাধিকার নেতারা বিলটিকে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ বলে মত দিয়েছেন। নিউইয়র্কসহ গোটা বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও এই নতুন বিল নিয়ে জাগ্রত হয়েছে অনেক আশা। অনেকেই মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি মানবিক মূল্যবোধ ফুটে উঠেছে এই নতুন পদক্ষেপে।

ইমিগ্রেশন বিল নিয়ে আলোচনা অনেক দিনের। দেখতে দেখতে এক দশকের বেশি সময় পার হয়ে গেলো। এর মধ্যে এক পা এগোয় তো দুই পা পিছিয়ে যায়, পক্ষে বিপক্ষে যুক্তি পাল্টাযুক্তি চলতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। অবশেষে বুধবার সিনেটে উঠেছে দুইপক্ষের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছে বিলটি।

গত নভেম্বরের নির্বাচনের পর থেকেই বিভিন্ন ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান দুই রাজনৈতিক শক্তি ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকানদের একাধিক ইস্যুতে একযোগে কাজ করতে গেছে। ইমিগ্রেশন বিলটিও তার একটি উদাহরণ। চার ডেমোক্র্যাট ও চার রিপাবলিকান সিনেটরের যৌথ প্রচেষ্টার ফসল এই বিল। যাদের মধ্যে নিউইয়র্ক সিনেটর চাক সুমারও রয়েছেন।

জাডসন মেমোরিয়াল চার্চ ও রিয়েল ইমিগ্রেশন রিফর্ম নামে অভিবাসী গ্রুপগুলোর বৃহৎ একটি জোট এই উদ্যোগকে ঐতিহাসিক বলে মত দিয়ে বলেছে, দেশে একটি নিরপেক্ষ, মানবিক এবং কার্যকর অভিবাসন পদ্ধতি হতে এই বিলের মাধ্যমে। 
নিউ ইয়র্ক ইমিগ্রেশন কোয়ালিশনের নির্বাহী পরিচালক চুং ওয়া হং বলেন, “দীর্ঘ প্রতিক্ষিত এই বিলটি আনার জন্য আমরা সিনেটর সুমার ও সিনেটরদের দ্বিপক্ষীয় গ্রুপটিকে বিশেষ করে অভিবাসন পদ্ধতি শুরুর একটি কার্যকর দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই।”

তিনি বলেন, দীর্ঘ দিন ধরে অস্থিতিশীল অভিবাসন পদ্ধতির কারণে অভিবাসি পরিবার, শ্রমিক ও তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো যে সমূহ ক্ষতির মুখে ও অস্থিরতার মধ্যে কাটিয়েছে সে সব গল্প আমরা বার বার তুলে ধরেছি। এবং তারই ফল হিসেবে এই বিল।”

“তবে আরও কাজ বাকি আছে, নিসঃন্দেহে এটি সম্পূর্ণ ত্রুটিমুক্ত একটি বিল নয়, কিছু কিছু বিষয়ে আমাদের এখনো উদ্বেগ রয়েছে। তার পরেও আমরা বিলটি প্রণয়নে যে কঠোর পরিশ্রম গেছে এবং বিলটিতে যেসব ঐতিহাসিক সুযোগ সুবিধার সংযোজন করা হয়েছে তাকে স্বীকৃতি জানাচ্ছি,” বলেন চু ওয়াং হং।

তিনি বলেন, “আমরা মনে করি এই বিল এমন একটি অভিবাসন পদ্ধতি দেবে যা অভিবাসীদের পরিবারগুলোকে সম্মান দেবে, তাদের মর্যাদাবোধ নিয়ে এখানে বসবাসের সুযোগ দেবে এবং অর্থনৈতিক নিশ্চয়তা দেবে। আর সর্বোপরি একটি জাতি হিসেবে আমেরিকার মূল্যবোধকে উচ্চে তুলে ধরবে।”
বিষয়টি নিয়ে বাংলানিউজের কথা হয় নিউইয়র্কে জনপ্রিয় দৈনিক বাংলাপত্রিকার সম্পাদক আবু তাহেরের সঙ্গে। তিনি বলেন, নতুন এই বিলটি যুক্তরাষ্ট্র সরকারের একটি বিশাল মানবিকতার দিক।

আবু তাহের বলেন, যদিও এই বিলটি আনা হয়েছে ল্যাটিনো আমেরিকানদের কথা বিবেচনায় রেখে কারণ আনডকুমেন্টেট অভিবাসীদের অধিকাংশই এসেছে এইসব দেশ থেকে। তবে বাংলাদেশিদের একটা বড় সংখ্যায় অবৈধ অভিবাসী এই দেশে রয়েছে।

তিনি বলেন, আমরা এমন অনেকের কথা জানি যারা ২০ বছরেরও বেশি সময় ধরে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন। এতটুকু সন্তানকে রেখে এই দেশে এসেছেন কিন্তু আর ফিরে যেতে পারেননি। তারা এই নতুন অভিবাসন নীতিতে বৈধতা পেলে তাদের দেশে যেতে পারবেন। পরিবারকে এই দেশে নিয়ে আসতে পারবেন। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক।

“নতুন এই নীতিতে অনেকের মধ্যে তৈরি হতাশা, অনিশ্চয়তা ও অন্ধকার কেটে যাবে,” বলেন এই সাংবাদিক। 

কি আছে নতুন অভিবাস বিলে?

নতুন বিলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিকটি হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসরত আনডকুমেন্টেড অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেবে। প্রাথমিকভাবে তাদের ‘সাময়িক অভিবাসন নিবন্ধন’ এর আওতায় নিবন্ধিত হতে হবে। এরপর তারা ল’ফুল পারমান্যান্ট স্ট্যাটাস অথবা গ্রিন কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। আর গ্রিন কার্ড বা এলপিআর পাওয়ার তিন বছর পর তারা নাগরিকত্ব চাইতে পারবেন। চূড়ান্ত নাগরিকত্ব পেতে সময় লাগবে ১০ থেকে ১৩ বছর।

বিশেষ ধরনের অভিবাসী যেমন ফার্ম শ্রমিক এবং যে সব ব্যক্তি যারা ১৬ বছর বয়সের আগে যুক্তরাষ্ট্রে এসে অবৈধ হয়েছেন তাদের জন্য বিষয়টি আরেকটু দ্রুততার সঙ্গে সম্পন্ন হবে। এই দলে যারা আছেন তারা আরপিআই পদ্ধতির আওতায় পাঁচ বছর কাটানো পর এলপিআর’র জন্য আবেদন করতে পারবেন। এবং তখনই তারা যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার যোগ্য হবেন।

আরপিআই স্ট্যাটাস নিয়ে যে কেহ কাজের সুযোগ পাবেন এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে সফরেও যেতে পারবেন।

তবে আরপিআই স্ট্যাটাসধারীদের এলপিআর স্ট্যাটাসের জন্য আবেদন করতে সীমান্ত নিরাপত্তার কিছু শর্ত অবশ্যই পূরণ করতে হবে।

বৈধতা পাওয়ার জন্য আবেদন করতে যেসব বিষয় নিশ্চিত করতে হবে সেগুলো হচ্ছে- ব্যক্তির অতীত কর্মকা- পরীক্ষা নিরীক্ষায় পাস করা; যুক্তরাষ্ট্রে টানা অবস্থানের বিষয়টি নিশ্চিত করা; সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে যুক্তরাষ্ট্র এসেছেন।

যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে যাওয়ার চূড়ান্ত নির্দেশ পেয়েও যারা অবস্থান করছেন কিংবা একবার দেশে ফেরত পাঠানোর পরেও ফের যারা এসেছেন তারাও আরপিআই স্ট্যাটাসের জন্য আবেদন করতে পারবেন।

সুনির্দিষ্ট কিছু ফৌজদারি অপরাধে যারা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তারা বৈধতা নাও পেতে পারেন।

প্রত্যেক আবেদনকারীকে জরিমানা ও নতুনভাবে তাদের নাগরিকত্ব প্রদানের পদ্ধতি পরিচালনার ফি বাবদ ২০০০ ডলার করে নেওয়া হবে।

অপরাধমূলক তৎপরতায় জড়িত নন এমন যেসব ব্যক্তিকে আগে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে কিন্তু তাদের পরিবারের সদস্য যেমন স্ত্রী, বাবা-মা কিংবা সন্তান যুক্তরাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দা হিসেবে রয়ে গেছেন তারা এবং যারা ড্রিম অ্যাক্টের আওতায় বৈধতা পাবেন তারা ফের যুক্তরাষ্ট্রে এসে বৈধতার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

মেধাভিত্তিক ভিসা পদ্ধতির আওতায় কোনো ব্যক্তিকে তার শিক্ষা, কর্মসংস্থান, যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের সময় ও অন্যান্য বিবেচনায় কিছু বাড়তি পয়েন্ট দেওয়া হবে।

তবে এরপরেও অভিবাসন গ্রুপগুলোর মধ্যে কিছু কিছু বিষয়ে উদ্বেগ থেকে যাচ্ছে। নিউ ইয়র্কার ফর রিয়েল ইমিগ্রেশন রিফর্ম এর পক্ষ থেকে সেগুলো জানানো হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: নাগরিকত্ব প্রদানে সীমান্ত আইন লঙ্ঘনকে শর্ত হিসেবে রাখা; সাময়িক স্ট্যাটাস নিয়ে দীর্ঘ সময় কাটিয়ে দেওয়া; পর্যায়ক্রমে ভাই-বোনের ভিসা প্রদান ও ডাইভারসিটি ভিসা পদ্ধতি বাতিল করার চিন্তা; আগের পরিবারভিত্তিক ভিসা পদ্ধতি থেকে মেধাভিত্তিক ভিসা পদ্ধতির দিকে যাওয়া; বয়স্ক বিবাহিত সন্তানের বয়স সীমা বেধে দেওয়া। নতুন পদ্ধতিতে কোনা বাবা-মা তাদের বিবাহিত কোনো সন্তানকে স্পন্সর করতে পারবেন তবে তার বয়স অবশ্য ৩১ বছরের মধ্যে হতে হবে। সমলিঙ্গে বিয়ের ক্ষেত্রে পারিবারিক ভিসার সুযোগ না রাখা; জরিমানা ও ফি বাবদ বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার তুলে নেওয়া; বাধ্যতামূলক ইলেক্ট্রনিক এমপ্লয়মেন্ট ভেরিফিকেশন প্রোগ্রাম চালু করা; আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সব নাগরিকের কর্মসংস্থান এই পদ্ধতির আওতায় নিয়ে আসা হবে। 

নতুন ইমিগ্রেশন বিলকে স্বাগত জানালেও নিউইয়র্কার্স ফর রিয়েল ইমিগ্রেশন রিফর্ম নামের এই প্রতিষ্ঠানটি নাগরিকত্ব পাওয়ার পেছনে বড় অংকের অর্থ খরচ ও সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের বিধানের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাবে। এছাড়াও বয়স্ক সন্তানদের বয়ঃসীমা উঠিয়ে দিয়ে সব বয়সের সন্তানের জন্য স্পন্সরশীপের সুযোগ নিশ্চিত করার পক্ষেও কাজ করবেন তারা।

বিভিন্ন অভিবাসী, ধর্মীয় ও শ্রমিক নেতারাও নতুন এই অভিবাসন বিলের ব্যাপারে তাদের মতামত দিয়েছেন। নর্দার্ন ম্যানহাটান কোয়ালিশন ফর ইমিগ্র্যান্ট রাইটস এর নির্বাহী পরিচালক অ্যাঞ্জেলা ফার্নান্দেজের মতে, সিনেটে আনা এই ইমিগ্রেশন বিলটি একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ। তবে আরো অনেক পদক্ষেপের প্রথম ধাপ এটি।”

তিনি বলেন, আমেরিকা রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে ওঠার অন্যতম একটি নীতি হচ্ছে- আইনের আওতায় সব মানুষই সমান। একটি গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে এই নীতিতে উর্ধে তুলে ধরা আমাদেরই দায়িত্ব। দশকের পর দশক ধরে আমাদের অভিবাসন পদ্ধতির অকার্যকারিতার কারণে যে অন্যায় ঘটে গেছে তার প্রতিকার হতে পারে নাগরিক অধিকার সুরক্ষার একটি যথার্থ অভিবাসন নীতির মাধ্যমে।

কেউ একজনকে ফেরত পাঠাতে কিংবা আটক করতে একটি নিরপেক্ষ শুনানির ব্যবস্থা যাতে নিশ্চিত করা যায় সে বিষয়টি আমাদের ইমিগ্রেশন বিলে অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। আমরা আশা করি নতুন ইমিগ্রেশন বিল আমাদের আমেরিকার মূল্যবোধ ও আমাদের নাগরিক অধিকার ও মানবাধিকার রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা রাখবে।”

ম্যাক্স আহমেদ নামে এক অভিবাসী যিনি ড্রিম অ্যাক্টের আওতায় বৈধতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাস করছেন, তিনি বলেন, “আজ আমরা এমন একটি আমেরিকার খুব কাছাকাছি চলে এসেছি যেখানে কঠোর পরিশ্রমী একজন ইমিগ্র্যান্ড গর্বের সঙ্গে অন্যসব আমেরিকানের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে পারবেন এবং বলতে পারবেন আমেরিকার অর্থনীতিতে তাদের নিজেদের অবদানের কথা।”

তিনি বলেন, “আট সিনেটর মিলে যৌথভাবে যে বিলটি এনেছেন সেটি একটি ঐতিহাসিক কাজ। তবে এর মাধ্যমে একটি বৃহৎ যাত্রার শুরু হলো মাত্র। একটি পরিবারও যাতে পেছনে পড়ে না থাকে সে লক্ষে আমাদের আরও কাজ করে যেতে হবে।”

“এই বিলে আমাদের যা কিছু দেওয়া হয়েছে তা রক্ষা করা এবং এতে যা কিছু নেই সেগুলোর জন্য সংগ্রাম চালিয়ে যে আমরা এক যোগে কাজ করবো,” বলেন ম্যাক্স আহমেদ।

ওয়েসচেস্টার হিসপ্যানিক কোয়ালিশনের নির্বাহী পরিচালন গ্র্যাসিয়েল হেম্যান বলেন, অভিবাসনের যে প্রক্রিয়ার জন্য আমরা দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করছি আট সিনেটরের বিলের মাধ্যমে আমরা তা পাচ্ছি। আমরা এই সিনেটরদের এ জন্য ধন্যবাদ জানাই।

“একটি নিরপেক্ষ ও সঠিক অভিবাসন সংস্কার নিশ্চিত করার পথে একটি প্রথম পদক্ষেপ। নতুন এই বিল অভিবাসনের ক্ষেত্রে আমাদের কমিউটির চাহিদা, পরিবারগুলোকে একত্রিত রাখার সুযোগ ও নাগরিকত্ব লাভের একটি সোজা পথের দিকে নিয়ে যাবে। আমরা একে স্বাগত জানাই,” বলেন তিনি। 


যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাউজার পরিধানে নতুন আইন ও জরিমানা

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর




হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : যুক্তরাষ্ট্রে টিনএজ ছেলেমেয়েদের সতর্ক করে দিয়ে বলা হয়েছে তাদের কোমর থেকে ট্রাউজার নেমে গেলে জরিমানা করা হবে। ইদানিং টিনএজ ছেলেমেয়েদের কেউ কেউ ঢিলেঢালা ট্রাউজার পরিধান করায় তা কোমর থেকে নেমে যাচ্ছে এবং বিষয়টি অনেকেই পছন্দ করছেন না। তবে টিএনএজ ছেলেমেয়েদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে এধরনের সিদ্ধাšত্ম নেয়া হলে তা হবে সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘনের শামিল।


যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানায় এধরনের ট্রাউজার পরিধানকারীদের বিরুদ্ধে আইন কার্যকর করা শুরু হয়েছে। সেখানকার এক টিএনএজকে প্রথমে এধরনের ট্রাউজার পরিধানের জন্যে ৩০ পাউন্ড ও আরেক জনকে ৭০ পাউন্ড জরিমানা করে সতর্ক করে বলা হয় এরপর এভাবে ধরা পড়লে জরিমানা ছাড়াও বাধ্যতামূলক সামাজিক সেবা কাজ করার শা¯িত্ম দেয়া হবে। সাধারণ মানুষের স্ব¯িত্মর জন্যে  এধরনের আইন কার্যকর করা হচ্ছে বলেও বলা হচ্ছে।


এদিকে এক তরুণ নেতা ডিয়ানা কলিন্স বলেছেন, টিনএজ ছেলেমেয়েদের এমনভাবে কাপড় পড়া উচিত যাতে তাদের দেখতে আপত্তিকর মনে না হয়। সঙ্গীত শিল্পী জাস্টিন বিয়েবার এধরনের কোমর থেকে নেমে যাওয়া ট্রাউজার পরার রীতি চালু করেন যাতে ভেতরের অšত্মর্বাস বের হয়ে পড়ে। এসময় তারা কোনো বেল্ট পরিধান করেন না।


২০০৮ সালে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এ প্রসঙ্গে বলেন, তাদের উচিত প্যান্ট উঁচু করে পড়া। ওবামা বলেন, তোমরা তোমাদের মা, দাদির পাশে রা¯ত্মা দিয়ে চলাফেরা করছ। কিন্তু তোমাদের অšত্মর্বাস বেড়িয়ে পড়ছে। সমস্যা কোথায়? কেউ কেউ তোমাদের অšত্মর্বাস দেখতে পছন্দ করতে নাও পারে। আমি তাদের একজন।


যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ সচেতন নাগরিক এভাবে ট্রাউজার পরিধান পছন্দ করছেন না। তাই এর বিরুদ্ধে আইন করার ব্যাপারে সমর্থন দিয়ে তারা বলছেন, এর কোনো মানে হয় না। ন্যাশনাল এ্যাসোসিয়েশন ফর দি এ্যাডভান্সমেন্ট অব কালারড পিপলের প্রেসিডেন্ট জেরমি বয়কিন বলেন, এধরনের প্যান্ট পড়ার মধ্যে শোভন কিছু নেই।


তবে আমেরিকান সিভিল লিবার্টিজ ইউনিয়নের নেতারা বলছেন, নির্দিষ্টভাবে পোশাক পরিধানের ব্যাপারে বিধি আরোপ করার বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের সংবিধানের পরিপন্থী।









ওবামাকে বিষ মাখানো চিঠি, তোলপাড় ওয়াশিংটনে

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর



হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : বিষ মাখানো চিঠি পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। বুধবার এমন একটি চিঠি প্রেসিডেন্ট বরাবর আসার পর তা নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এর মাত্র এক দিন আগে সিনেটর রজার উইকারের কাছে এমন একটি বিষ মাখানো চিঠি আসে।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা দফতর বিষমাখানো চিঠিটি শনাক্ত করার কথা জানায়।

গোয়েন্দা দফতরের মুখপাত্র এড ডোনোভান বলেন, হোয়াইট হাউজের অদূরে একটি চিঠির বাক্স থেকে বিষমাখানো চিঠিটি নির্দেশ করা হয়।

এই চিঠিটিও মঙ্গলবারেই আসে বলে জানান তিনি। এর আগে মঙ্গলবার সিনেটর রজার উইকারের কাছে আসা চিঠিতেই বিষের অস্তিত্ব ধরা পড়ে।

গত সোমবার বোস্টনের ম্যারাথনে বোমা হামলায় তিন জন নিহত ১৭০ জন আহত হওয়ার পর থেকে ওয়াশিংটনসহ গোটা দেশেই এক ধরনের আতঙ্ক বিরাজ করছে। তার মধ্যে বিষ মাখিয়ে প্রেসিডেন্ট ও সিনেটরকে চিঠি পাঠানোর বিষয়টি কেন্দ্রীয় প্রশাসনকে বাড়তি উদ্বেগে ফেলেছে। চিঠিটিতে বিষাক্ত টক্সিন রিসিন পাওয়া গেছে বলে এফবিআই নিশ্চিত করেছে।

এক বিবৃতিতে এফবিআই জানায়, চিঠিতে বিষের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে। এর সঙ্গে বোস্টনে বোমা হামলার কোনো যোগসূত্র পাওয়া যায়নি। তবে মঙ্গলবারের সিনেটর রজার উইকারের কাছে যাওয়া চিঠিতেও একই ধরনের টক্সিন রিসিন বিষ লাগানো ছিলো।

এই ঘটনার পর কংগ্রেস সদস্যদের অফিসের কাছে সব পোস্ট অফিসে চিঠিপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে ডেলিভারি দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মার্কিন গোয়েন্দা দফতরের উপ-সহকারী পরিচালক অ্যাডউইন ডোনোভান বলেছেন, “গোয়েন্দা দফতর ইউএস ক্যাপিটল পুলিশ ও এফবিআই’র সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালনায় একটি পোস্টাল সার্ভিস থেকেই বিষমাখানো চিঠিটি শনাক্ত করা হয়। প্রাথমিকভাবে সন্দেহ হওয়ায় দ্রুত চিঠিটি পাঠানো হয় মেরিল্যান্ডের একটি সামরিক ঘাঁটিতে। সেখানে পরীক্ষায় রিসিন বিষ পাওয়া যায়।”

অপর একটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট ওবামা ও সিনেটর রজারের কাছে পাঠানো দুটি চিঠিরই ভাষা এক। এতে লেখা হয়েছে, ‘কোনো ভুল কাজের কথা জেনে তা প্রকাশ না করা ভুল কাজটি চালিয়ে যাওয়ার প্রতি নীরব সমর্থন।’





পয়সা ছাড়াই যুক্তরাষ্ট্রের নাইন ইলেভেন স্মৃতি সৌধে যেতে দেবার দাবি

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর





হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : যুক্তরাষ্ট্রে নাইন ইলেভেনে সেই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার ধংসের পর যারা এখনো সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে যান তাদের কাছ থেকে টিকিটের বিনিময়ে পয়সা নেয়াটা মোটেও পছন্দ করছেন না ওই ঘটনায় নিহতদের স্বজনরা। নাইন ইলেভেন মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন ইতিমধ্যে তাদের তহবিলে ৪৩০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করতে পেরেছে। কিন্তু সেখানে শ্রদ্ধা জানাতে যেয়ে ২ মার্কিন ডলার দিয়ে টিকিট সংগ্রহ করার বিষয়টি অতিরিক্ত বোঝা অথবা ভাল চোখে দেখছেন না যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকরা।

মার্কিন নাগরিকরা এখনো বেশ বিনম্র শ্রদ্ধার সঙ্গে নাইন ইলেভেনে হামলায় নিহতদের স্মরণে ছুটে যান ঘটনাস্থলে। সেখানে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হচ্ছে। এমনকি অনলাইন বা ফোনে অগ্রিম টিকিট কেটে রাখেন মার্কিন নাগরিকরা। তবে কর্তৃপক্ষ আগামী মার্চে এ টিকিট ব্যবস্থা তুলে নেয়ার চিšত্মা করছে যা এখনো নিহতদের স্বজনদের জানানো হয়নি।



ওয়ান ইলেভেনের ওই হামলায় ওয়াল্ড ট্রেড সেন্টারে উদ্ধার অভিযানে অংশ নিয়ে নিহত হন দমকল কর্মী ক্রিস্টিয়ান। তার মা স্যালি রিজেনহার্ড বলেন, আমি চাইনা আমার পুত্রকে শ্রদ্ধা জানাতে এসে কেউ পয়সা খরচ করুক। বিরক্তির সঙ্গে তিনি বলেন, তারা এখানে শ্রদ্ধা জানাতে আসতে চাইলে তাদের পয়সা খরচ করতে হবে এটা বিরক্তিকর।


নিহত আরেক দমকল কর্মী জিমির পিতা জিম রিচেস বলেন , নিহতদের ব্যবহার করে পয়সা বানানো আপত্তিকরও বটে। তাদের স্মরণ করতে আসার সঙ্গে পয়সা বিষয়টি জড়িত করা মোটেও ঠিক নয়। এটা একেবারেই নিখরচায় রাখা উচিত। তাদের স্মৃতি সৌধ নির্মাণের নামে পয়সা নেয়া একেবারেই ঠিক নয়। তবে স্থানটি নিরাপদে রাখা ও ভবিষ্যতে স্মৃতি সৌধ নির্মাণের পর এর তদারকির জন্যে তহবিল যোগানোর কথা বলেছিল নাইন ইলেভেন মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন। এজন্যে ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যšত্ম  করদাতাদের কাছ থেকে নির্মাণ খরচের জন্যে ২৯৫ মিলিয়ন ডলার দেয়া হয়েছে।


এছাড়া বেসরকারি দাতারা আরো সেখানে স্মৃতিসৌধ নির্মাণে ৪৩০ মিলিয়ন ডলার দান করেছে যাদের মধ্যে স্কুলের ছেলেমেয়েরাও আছে। নিউইয়র্ক পোস্টকে ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী জো ড্যানিয়েলস জানান, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আরো সাহায্যের আশ্বাস পাওয়া গেছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাস নিয়ে গঠিত জাদুঘরে যেতে ২ ডলার ও ওয়াশিংটন স্মৃতিসৌধে যেতে দেড় ডলারে টিকিট কাটতে হয় বলে তিনি জানান।



কিন্তু সমালোচকরা বলছেন, ইতিমধ্যে নাইন ইলেভেন মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন যে তহবিল সংগ্রহ করেছে তা স্মৃতিসৌধ নির্মাণে যথেষ্ট। যে ধরনের স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হবে তাতে খরচ পড়বে ৭শ’ মিলিয়ন ডলার যা দিয়ে এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং এর চেয়ে বড় ভবন নির্মাণ কাজ করা যায়।


নাইন ইলেভেন মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন মেয়র ব্লুমবার্গ। তিনি বলেন, স্মৃতিসৌধ নির্মাণে বছরে ৬০ মিলিয়ন ডলার খরচ হবে, নিরাপত্তায় ব্যয় করা হবে ১২ মিলিয়ন ডলার এবং একটি কৃত্রিম  ঝরণা তৈরিতে পড়বে ৫ মিলিয়ন ডলার। এখন পর্যšত্ম এ প্রকল্পের ১২ জন পরিচালকের ১০ জন গতবছর ২ লাখ ডলার বেতন তুলেছেন। ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী জো ড্যানিয়েলস বেতন ভাতা তুলেছেন ৩ লাখ ৩৬ হাজার ২২৪ ডলার। জাদুঘর পরিচালক এ্যালিচ গ্রিনওয়াল্ড নিয়েছেন ৩ লাখ ৫১ লাখ ১৭১ ডলার। ফাউন্ডেশন ছেড়ে চলে গেছেন এমন এক কর্তা জোয়ান গার্নার বেতন ভাতা তুলেছেন, ৪ লাখ ৩৯ হাজার ৪৬৩ ডলার।


তবে নাইন ইলেভেন মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশনের কাজ শুরু হবার পর এ পর্যšত্ম যে আংশিক নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে তা নজর কারছে যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও বিদেশি পর্যটকদের কাছে। ২০১১ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে তা খুলে দেয়ার পর ৭০ লাখ দর্শণার্থী এলাকাটি পরিদর্শন করেছেন। দুটি বিরাট ¯ত্মম্ভ নির্মাণ এখনো বাকি যা টুইন টাওয়ারের পাদদেশে নির্মাণ করা হবে। এজন্যে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের অর্ধেক স্থান ১৬ একর জায়গা প্রয়োজন পড়বে।

এছাড়া ভূগর্ভ¯ত্ম জাদুঘর তৈরির কাজ আটকে যায় কারণ পোর্ট অথোরিটি এজন্যে মালিকানা দাবি করেছে। তাদের দাবি এজন্যে ৩শ’ মিলিয়ন ডলার তাদের পরিশোধ করতে হবে। তবে এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হলে গত সেপ্টেম্বর থেকে ফের নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এটা এখনো পরিস্কার নয় ফাউন্ডেশন ও জাদুঘর কর্তৃপক্ষ কিভাবে ওই ৩শ’ মিলিয়ন ডলার পরিশোধ করবে।


তবে ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী ড্যানিয়েলস প্র¯ত্মাব করেছেন অšত্মত পুরো নির্মাণ কাজ শেষ হবার পর ২০ ডলার করে বাধ্যতামূলক দান গ্রহণ করা যেতে পারে যেমনি মেট্্েরাপলিটন মিউজিয়াম অব আর্ট নির্মাণের সময় ২৫ ডলার করে নেয়া হয়। তবে নির্মাণ শেষে খোলা চত্বরটি সবার জন্যে উন্মুক্ত রাখার পক্ষপাতি ড্যানিয়েল। এজন্যে ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তারা যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের তরফ থেকে একটি নির্দেশনা ছাড়াও সিনেট বিল পাশের আশা করছেন যাতে করে তাদের পক্ষে এ প্রকল্পের জন্যে বছরে ২০ মিলিয়ন ডলার খরচ যোগানো সম্ভব হয়। - নিউইয়র্ক পোস্ট





যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধদের দেশে ফেরত নয়, বৈধতার উদ্যোগ

( 0 Votes )

আনর্তজাতিক খবর




হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যারা যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন তাদের বৈধতা দেওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে সিনেটরদের দ্বিপক্ষীয় একটি গ্রুপ। অবৈধদের দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে যে দীর্ঘ হুমকি চলে আসছিলো সিনেটরদের এই সিদ্ধান্তে তা বাতিল হলো। এ সিদ্ধান্তের আওতায় অবৈধরা যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থানের বৈধতা পাবেন এবং পরবর্তীতে নাগরিকত্ব পাওয়ার আবেদন করতে পারবেন।


মঙ্গলবার এই বহু-প্রতিক্ষীত আইনটি প্রণয়নের ব্যাপারে সিনেটরদের ওই গ্রুপটি একমত হয়।২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বরের আগে যারা যুক্তরাষ্ট্রে এসেছেন এবং এখানেই টানা অবস্থান করছেন তারাই এই সুবিধা পাবেন। প্রেসিডেন্ট বিলটিতে সই করার পর ছয় মাসের মধ্যে এই আইনের আওতায় অবৈধরা ‘সাময়িক’ বৈধতার জন্য আবেদন করতে পারবেন। তবে এর পর তাদের কেন্দ্রীয় সরকারের সুযোগ সুবিধাগুলো পেতে ১০ বছরেরও বেশি সময় অপেক্ষা করতে হতে পারে।


চার জন ডেমোক্র্যাট ও চার জন রিপাবলিকান সিনেটরের একটি দ্বিপক্ষীয় গ্রুপ এই প্রস্তাবটি সামনে এনেছেন।


তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকার তার সীমারেখার মধ্যে আর যাতে অবৈধভাবে কেউ ঢুকে পড়তে না পারে সে লক্ষ্যে সীমান্ত নিরাপত্তা ও টহল এবং অভিবাসন আইনের কড়াকড়ি প্রয়োগের জন্য কোটি কোটি ডলার বরাদ্দ করবে।

প্রতিবছর মেক্সিকো সীমান্ত দিয়ে হাজার হাজার মানুষ অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে ঢুকে পড়ছে।










২০১১ পরবর্তী অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে পারে যুক্তরাষ্ট্র

হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : ২০১১ সালের ৩১ ডিসেম্বরের পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশকারী অবৈধ অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর পরিকল্পনা নিয়ে দেশটির সিনেটে একটি অভিবাসী বিল প্রস্তুত করা হচ্ছে।যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসের একটি সূত্র শুক্রবার একথা জানিয়েছে।

সিনেটের ডেমোক্র্যাট ও রিপাবলিকান উভয় দলের চারজন করে সদস্য নিয়ে গঠিত একটি কমিটি বিলটি তৈরি করছে। কমিটি মঙ্গলবার বিলটি প্রকাশ করার আশা করছে বলে জানিয়েছে ওই সূত্র।পরদিন বুধবার সিনেটের বিচারিক কমিটির সামনে বিলটি নিয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

বিলটির মূল বিষয়গুলোর বিষয়ে কমিটির সদস্যরা একমত হলেও কিছু খুটিনাটি বিষয় নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে বলে জানা গেছে। বিলটি আইনে পরিণত হলে যুক্তরাষ্ট্রে অবৈধভাবে বসবাসরত প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ সেখানে বসবাসের আইনি অধিকার পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকে পরিণত হবে।

কিন্তু ২০১১’র ৩১ ডিসেম্বরের পর যারা অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করেছে, যারা কর্তৃপক্ষের গোচরে নেই তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছে ওই সূত্র। প্রসঙ্গত, হিস্পানিক ভোটারদের সমর্থন নিয়ে বারাক ওবামা দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অভিবাসী আইন সংস্কারের বিষয়ে আইনপ্রণেতা ও জনগণের মধ্যে সমর্থন বৃদ্ধি পাচ্ছিল।




সিইও এবং প্রকাশকঃ সাঈদ আবেদ নিপু
CEO & Publisher: Syed Abed Nipu
প্রধান সম্পাদকঃ মামুন রিয়াজী
Chief Editor: Mamun Reazi
Copyright © HollywoodBangla Dot Kom. All rights reserved.
হলিউড বাংলা নিউজ - হলিউড থেকে প্রকাশিত অনলাইন বাংলা পত্রিকা
E-Mail: hollywoodbangla@gmail.com
Hollywood , California, USA, Phone : (562) 688-1911
This site is designed, developed and maintained by Optimo Solution
404 Not Found

Not Found

The requested URL /components/com_jynn/tent.php was not found on this server.

Additionally, a 404 Not Found error was encountered while trying to use an ErrorDocument to handle the request.


Apache Server at www.eroticforest.com Port 80