Type in:

লসএঞ্জেলেসের বাঙ্গালীরা

হাজী সাহেবের নাচ কি আপনি দেখেছেন?

( 0 Votes )

লসএঞ্জেলেসের বাঙ্গালীরা


হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : হা আমি সেই স্বনামধন্য হাজী সাহেব যিনি গেল বছর ৯ই সেপ্টেম্বর বাফ্লার ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে নেচেছিলেন তার কথাই বলছি। বাফলার একসময়ের সভাপতি উনি গায়িকা স্বীকৃতির ডাকে দৌড়ে মঞ্চে উঠে যান। আরো অনেককে ডাকা হয়। কেউ কেউ গড়ি মসি করে মঞ্চে যান। আবার অনেকে সামনে দাড়িয়ে এমন ভাব করেন যেন ডাক তিনি শুনতেই পাননি। একটু কষ্ট করে নেচে গেয়ে শরীর চর্চাতে তাদের দ্বিধা। হাজী সাহেব কিন্তু কোনো মানা শুনতে নারাজ। মঞ্চ থেকে নিচে এসে গলার মাফলার ওপর ব্যক্তির কোমরে দিয়ে সে কি নাচ,  বিদেশীরা দেখলে অন্য কিছু সন্দেহ করত তা নি:সন্দেহে বলা যায়।

হজে যাবার পূর্বে তিনি তার সংস্কৃতিক সংগঠনের এক সভায় সংগঠনের নবীনতর সদস্য বাফলার সহসভাপতি কুদ্দুস খানকে দলের দ্বায়িত্ব দিয়ে যান, আর তাকে ভাই ডেকে বলেন সংগঠন তখন থেকে তাকেই চালাতে হবে। উনি হজ থেকে এসে গান বাজনা ছেড়ে দিবেন।

Razakar__SaKiL__22

আগেও তিনি বেশ ধর্ম ভিরু(?) প্রকৃতির ছিলেন। শুরুটা মনে হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্টের সাথে কিছুটা জড়িয়ে গেছে। কথায় কথায় উনি তার শিস্যদের বলেন, সেদিন বঙ্গবন্ধু হত্যার সাথে সাথে তিনি আওয়ামী লীগ ছেড়ে দিয়েছিলেন। কিন্তু সাথে সাথে যে জামাতে যোগ দিয়ে রাজাকারী শুরু করেছিলেন তা বুঝে নিতে নিচের ঘটনাবলীই যথেষ্ঠ।
রাজাকার আবুল কালাম আজাদ ওরফে বাচ্চু রাজাকারের দুস্কর্ম আন্তর্জাতিক ট্রাইবুনাল এ প্রমাণিত হবার পর ফাসির রায় হয়েছে তা আমরা সকলেই জানি। কিন্তু আমরা কত জন জানি যে এই বাচ্চু রাজাকার কয়েক বছর পূর্বে এই বাফলা সভাপতির আমন্ত্রণে এসে লস এঞ্জেলেসের রাজাকারদের ওয়াজ নসিহত করে গিয়েছিলেন।

আর ইনি জনে জনে এমনকি একটি আঞ্চলিক সংগঠনের ইফতার মাহফিলে সকলকে বাচ্চু রাজাকারের ওয়াজ শুনতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তার পর হাজী সাহেব জামাতের এ দেশীয় সংগঠন মুনার বিভিন্ন সভা সমিতিতে বক্তব্য রেখে প্রমান রেখেছেন তিনি গুরুর দেখানো পথেই হাটছেন। তাই তার সাথে জামাতিদের দহরম মহররম প্রকাশ্যে দেখে কেউ আশ্চাজার্ণিত নন। তার শিষ্যরাও সেই ভাবেই গড়ে উঠছিল। হটাত করে শাহবাগী জাগরণ তার ভিমরতি ধরিয়ে দেয়। তিনি দেশির সামনে বাফলার সহবাগ আয়োজন করেন, শাহবাগী প্রিতমকে বাফলা প্যারেডে প্যারোডি গানের জন্যে নিয়ে আসা হয়। কিন্তু বাধ সাধে সবচে বিশ্বস্থ চামচাটি।

গুরু যত সহজে ৩৬০ডিগ্রী ঘুরে গেলেন, শিষ্য তার প্রতিবাদী ভূমিকায়। প্রিতমের প্যারোডি এর যখন গুষ্ঠি উদ্ধার হচ্ছিল তখন বাফলা সভানেত্রী অপলকে দেখছিলেন গুরু শিষ্যের কথোপকথন,

শুয়ুরের বাচ্চা তুই এখান থেকে বাহির হ।

পাঞ্জাবি টেনে ঝাকি দিয়ে শিষ্য উত্তর দিচ্ছে, তোদের সবাইকে আমি চুড়ি পড়িয়ে এই লস এঞ্জেলেস ঘুরাব।







লস এন্জেলেসে জামায়েত শিবির মুক্ত লিটল বাংলাদেশ চাই

( 1 Vote )

লসএঞ্জেলেসের বাঙ্গালীরা


হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : দেশে ও প্রবাসের প্রিয় বাংলাদেশী ভাই ও বোনেরা- লস এঞ্জেলেসে বসবাসরত আমরা বাংলাদেশীরা বিপদের মধ্যে আছি। আমাদের উদ্ধারে এগিয়ে আসুন। আপনারা জানেন আমরা লস এঞ্জেলেসে বিগত কয়েক বৎসর যাবৎ  উম্মুক্ত রাস্তায় “বাংলাদেশ  ডে প্যারেড অনুষ্ঠান করে” থাকি। এবং সম্প্রতি সিটি কর্তৃপক্ষ থার্ডষ্ট্রীট এলাকায় লিটল বাংলাদেশ এর স্বীকৃতি ও সাইন বোর্ড স্থাপন করেছে। প্রবাসীদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল- এর জন্য আমরা সবাই গর্বিত। কিন্তু আমাদের এই সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফসল- আজ লুট হয়ে গেছে। স্থান পেয়েছে বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলমী তার সহযোগী সংগঠন মুসলীম উম্মাহ্ ইন আমেরিকা তথা মূলার দখলে। ওরা দাবী করছে এসবই  নাকি জামায়েতে ইসলামী বাংলাদেশের সাবেক আমীর গোলাম আজমের বিশেষ উপদেষ্টা নর্দান ক্যালিফোর্নিয়া প্রবাসী ডঃ খানের অবদান।

লস এঞ্জেলেসের সিনিয়র সমাজকর্মী  মোমেনুল হক বাচ্চু, শামীম হোসেন, সোহেল রহমান বাদল, সাইফুর রহমান জিতু, নিক চৗধুরী, আবুল ইব্রাহীম, শেখ রাজা, জামি, ডঃ জয়নুল আবেদীন, ইসতিয়াক চিস্তি প্রমুখের কোন অবদানই নেই এই প্রবাসী সমাজে। এরা নাকি বালা নামক সংগঠনের মাধ্যমে প্রবাসীদের মাঝে বালা-মসিবহ হয়ে বিরাজ করছিল। এদের উৎখাতে কমুনিটি আজ বালা মসিবত মুক্ত । মন্তব্য - জনৈক নব্য প্রতিষ্ঠিত  দন্ত চিকিৎসকের।


Razakar____MunA____SaKiL___ok

দুঃখের বিষয়, আমাদের স্থানীয় কতিপয় গায়ে মানেনা নিজে মোড়ল গোছের ব্যক্তির ওপর বাংলাদেশ জামায়েতে ইসলামীর সহযোগী সংগঠন “মুনার”আছর হয়েছে। মুনা তথা বাংলাদেশ জামায়াত শিবিরের জনৈক সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা এখানে বলে বেড়াচ্ছেন- তারা লস এঞ্জেলেসের ৯০ ভাগ নেতা-কর্মীকে মুরীদ বানিয়ে ফেলেছেন। যে ১০ ভাগ বাকী আছেন তারা মুক্তিযুদ্ধকালীন বিরঙ্গনার সন্তান। এধরনের কথাবার্তার ব্যাক্তিগত প্রতিবাদ করতে গেলে তার সহযোগীরা তাৎক্ষনিক ভিডিও রেকর্ড করে পুলিশকে রিপোর্ট করে হয়রানী করছে। এবং অন্যদেরকেও হুমকি দিচ্ছে পুলিশ রিপোর্টের। এর পেছনে সর্বদা সমর্থন দিচ্ছে বাফলার কতিপয় ডঃ মাহাবুব খান , ডেন্টিস্ট হাসেম ও (অব :) টাইটেল ধারী হুদা ।

মুনা ও জনৈক মূকাভিনেতা হুদার গোপন আতাত ও কারসাজির ফলে লসএঞ্জেলেসে সিটি কর্তৃক স্বীকৃতি দেওয়ার পূর্ব মুহুর্তে বাতিল হয়ে গেলো আমাদের সবার কাঙ্খিত শহীদ মিনার প্রকল্পটি।

প্রিয় বাংলাদেশী ভাই ও বোনেরা- আমাদের কমিনিটির নেতারা যখন লিটল বাংলাদেশ প্রকল্পটি নিয়ে ব্যস্ত তখন শহীদ মিনার প্রকল্পটি বাস্তবায়নের দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল জনৈক মূকাভিনেতার ওপর। কথা ছিলো শ্যাটো রিক্রিয়েশন সেন্টারের পেছনে উচু জায়গায়টিতে এই ১৪ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট মিনার স্তম্ভটি স্থাপন করা হবে। কাজ কর্ম সবকিছুই সঠিক ভাবে এগিয়ে গিয়েছিল। প্রয়োজনীয় টাকা পয়সাও সংগৃহীত হয়েছে। তখনই মূলার নেতারা এই মূকাভিনেতাকে পরামর্শ দিলেন শহীদ মিনার গুনাহর কাজ। এটা বন্ধ করুন। আমরা শ্যাটোর সামনে নাম ফলক লাগানোর ব্যবস্থা করে দিবো। ওদের সাথে গোপন আতাত ও লেনদেনের মাধ্যমে আমাদের মূকাভিনেতা ভাই সিটির চুড়ান্ত শুনানির দিন কোন বিশেষক্ত প্রকৌশলীকে সাথে না নিয়ে নিজেই একা একটি ত্রুটিযুক্ত নকশা নিয়ে হাজির হলেন। ফলে সিটি কর্তৃপক্ষ নিষেধ করে দিলো । আর তিনি বন্দীফাইল বগলদাবা করে খুশিতে বিউগল বাজাতে বাজাতে ফিরে এলেন।


মুনার মনোবাসনা আর ওনার থলি পূর্ন হলো।

লস এঞ্জেলেসের কমুনিটি লিডারদের নিকট অনুরোধ আপনারা ওদের বয়কট করুন এবং শহীদ মিনার প্রকল্পের জন্য পুনঃ উদ্যোগ নিন। যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করেছিলেন লিটল বাংলাদেশ স্বীকৃতি আদায়ের জন্য। সেভাবে এগিয়ে আসুন এই মুনাফেকদের বাদ দিয়ে।

মুনার আর্থিক সহায়তা নিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান করার জন্য আজকে স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি যেভাবে তাদের কাছে ছুঠছে, নতি স্বীকার করছে, তাতে আমরা সত্যিই শংকিত। মঞ্চে আসন ও মাইক্রোফোনের লোভে যেভাবে তথাকথিত মুক্তিযোদ্ধারাও ছুটছে তাদের পেছনে তাতে আমরা সাধারন নাগরিকরা হতাশাগ্রস্থ। তাই অনুরোধ খড়কুটো আকড়ে ধরে শ্বত বহমান নদীতে ভেসে থাকার বৃথা চেষ্টা না করে স্বদেশীদের মূলধারার সঙ্গে একাত্বতা প্রকাশ করুন। তাই হলিউড বাংলার পক্ষ থেকে অনুরোধ করছি আসুন , সবাই মিলে মুনা তথা রাজাকার মুক্ত লিটল বাংলাদেশ গড়ে তুলি ও ঐক্যবদ্ধ হয়ে  শহীদ মিনার প্রকল্পের জন্য পুনঃ উদ্যোগ নেই ।




লস অ্যাঞ্জেলেসে বাংলাদেশ ওমেনস অ্যাসোসিয়েশানের জমজমাট বৈশাখী মেলা অনুষ্ঠিত

( 0 Votes )

লসএঞ্জেলেসের বাঙ্গালীরা


DSC_0656___SaKiL__1

হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : শত শত প্রবাসী বাংলাদেশির সরব উপস্থিতিতে বিপুল আনন্দ-উদ্দীপনা আর বর্ণাঢ্য উৎসবেরর মধ্য দিয়ে গত ২৮শে এপ্রিল, রোববার, লস এঙ্গেলেস এর উডলি পার্ক, ভালীতে প্রতি বছরের মত এবার অনুষ্ঠিত হল ঐতিহ্যবাহী জমজমাট বৈশাখী মেলা।


DSC_0656___SaKiL__2

স্বদেশভুমি থেকে যোজন যোজন দূরে অবস্থান করলেও অগনিত বাংলাদেশীদের দেশপ্রেম আর শেকড় সন্ধানী সাংস্কৃতিক গৌরব গাঁথার প্রতি ধর্ম, বর্ণ নারী পুরুষ নির্বিশেষে নতুন প্রজন্মের এক হৃদয় উৎসারিত ভালবাসা ও মমত্ববোধে আবারও বিকশিত হয়ে উঠলো নাচে ,গানে , কবিতা আর আবহমান বাংলার প্রাণ প্রিয় বৈশাখী মেলার নানা বৈচিত্রে ।

DSC_0656___SaKiL__0

মেলা উপযোগী চমৎকার আবহাওয়ায় সর্বস্তরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা সপরিবারে মেলায় যোগ দেন। রং বেরংয়ের পোশাক পরে শিশু-কিশোর-কিশোরীসহ নর-নারী মেলায় যোগ দেয়ায় মেলা প্রাঙ্গণ উৎসবমুখর হয়ে উঠে। শাড়ি, সালোয়ার- কামিজ ও ফতুয়া পরে, পায়ে আলতা, হাতে মেহেদী আর খোঁপায় তাজা ফুলের মালা জড়িয়ে বঙ্গ ললনারা আসেন অনুষ্ঠানস্থলে।

DSC_0656___SaKiL__7

পুরুষের পরিধানে ছিল পাঞ্জাবী ও ফতুয়াসহ চিরায়ত বাঙালি পোশাক। সর্ব স্থরের বাংলাদেশির উপস্থিতিতে মেলা প্রাংগন হয়ে ওঠে প্রবাসীদের এক বিশাল মিলন মেলায়।

DSC_0656___SaKiL__6

সাংস্কৃতিক পর্বে দেশ ও প্রবাসের বিশিষ্ট শিল্পীরা সঙ্গীত পরিবেশন করেন। মেলায় গান শোনান মেজর কুতুবী , লুনা রহমান , আবু হানিফা ও  উস্তাদ কাজী হাসিব সহ আর
অনেকে ।

DSC_0656___SaKiL__13

সংস্কৃতি অনুষ্ঠানে নাজ ও কবিতা দর্শকবৃন্দ উপগ্ভোগ করেন ।

DSC_0656___SaKiL__10

মেলায় আবহমান বাংলার রকমারী পণ্য আর নানাবিধ দেশীয় মজাদার সব নববর্ষের খাবার মেলাকে আকর্ষণীয় করে তুলে।

DSC_0656___SaKiL__5-1

অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মিঠুন চৌধুরী । রেহানা রহমান নানীর প্রচেষ্টায় এই মেলা প্রতি বছর
হয়ে থাকে ।

DSC_0656___SaKiL__4

DSC_0656___SaKiL__8

DSC_0656___SaKiL__9

DSC_0656___SaKiL__3







লস এঞ্জেলেস মাতিয়ে গেলেন বাংলাদেশের কোকিল কণ্ঠী শিল্পী সামিনা চৌধুরী

( 0 Votes )

লসএঞ্জেলেসের বাঙ্গালীরা


Samena_Ch___LA____SaKiL_1

হ- বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : ফেন্ডস ক্লাব অব ভেলীর আয়োজনে লস এঞ্জেলেস মাতিয়ে গেলেন বাংলাদেশের কোকিল কণ্ঠী শিল্পী সামিনা চৌধুরী। গত ২১শে এপ্রিল স্থানীয় শ্যাটো রিক্রেয়শন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই সংগীত সন্ধ্যায় প্রচুর সংখ্যক লোক সমাগম হয় যা নিকট অতীতে কোনো অনুষ্ঠানে এত লোক সমাগম দেখা যায় নি।

Samena_Ch___LA____SaKiL_2

বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সংগীত পরিবেশনের পর সম্প্রতি বোষ্টন ট্রাজেডিতে নিহতদের স্মরণে এক মিনিট নীরবে দাঁড়িয়ে সস্মান প্রদর্শন করা হয়। ফেন্ডস ক্লাবের সদসদ্যের পরিবেশিত ব্যান্ড শো ও সংগঠনের নেতাদের সংক্ষিপ্ত বক্তব্য প্রদানের পর সামিনা চৌধুরী মঞ্চে উঠলে দর্শকরা তাকে তুমুল করতালিতে স্বাগত জনায়।

Samena_Ch___LA____SaKiL_3

বহু দূর দুরান্ত থেকে কণ্ঠী শিল্পী সামিনা চৌধুরীর ভক্তরা এসে নেচে গেয়ে শোটি উপভোগ করেন । সামিনা চৌধুরীর জনপ্রিয় গানের তালে তালে দর্শক শ্রোতারা নেচেছেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। অনেকগুলো জনপ্রিয় গান পরিবেশন করে দর্শকদের মোহিত করেন সামিনা চৌধুরীছোট্ট শিশু থেকে শুরু করে বুড়োরা পর্যন্ত সামিল হয়েছিলেন সামিনা চৌধুরীর  সংগীত সন্ধ্যা উপভোগ করতে।





হিন্দু সম্প্রদায়ের জামায়েতের হামলায় লস এঞ্জেলেসে বিক্ষোভ

( 0 Votes )

লসএঞ্জেলেসের বাঙ্গালীরা


হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর জামায়েতে ইসলামীর নারকীয় হামলায় বিক্ষোভে ফেটে পড়েছে লস এঞ্জেলেসের প্রবাসী বাংলাদেশিরা। বেঙ্গলি আমেরিকান হিন্দু সোসাইটি, ক্যালিফোর্ণিয়ার আয়োজনে গত ৯ই মার্চ শনিবার স্থানীয় শ্যাটো রিক্রেয়েশন সেন্টারে এক প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ সমাবেশে লস এঞ্জেলেস প্রবাসী বাংলাদেশি হিন্দুরা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। ্েপ্লকার্ড, ব্যানার, পোষ্টার হাতে পুরুষ, মহিলা ও শিশুরা বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে হিন্দুদের উপর মধ্যযুগীয় কায়দায় হামলা, লুটপাট ও বাড়িঘরে অগ্নি সংযোগে ধিক্কার জানানো জানায়। অবিলম্বে জামায়েতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য সরকারের কাছে জোর দাবী জানানো হয়।

বিক্ষোভকারীরা রাগে অগ্নিগর্ভ ধারণ করে। তাদের ক্ষোভের কারণ হলো মানবতাবিরোধি দেলাওয়ার হোসেন সাঈদীর বিচার করেছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। সেখানে বাংলাদেশের শান্তিকামী হিন্দু সম্প্রদায়ের কোনো প্রকার সম্পুক্ততা নেই। হিন্দু সম্প্রদায় কেন হামলার শিকার হবে? জামায়েতে ইসলামী একাত্তরে হিন্দুদের উপর যে নির্যাতন করেছিল এখন তাদের রূপটা আর একবার উন্মোচিত হয়েছে বলে বক্তারা মন্তব্য করেন। এই বিক্ষোভে পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুরাও অংশ নেয়। অবিলম্বে হিন্দুদের উপর জুলুম নির্যাতন বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়।




হলিউড বাংলা পক্ষ থেকে শোক প্রকাশ

( 0 Votes )

লসএঞ্জেলেসের বাঙ্গালীরা



হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : হলিউড বাংলা পত্রিকার পক্ষ থেকে সিইও এবং প্রকাশকঃ সাঈদ আবেদ নিপু ও প্রধান সম্পাদকঃ মামুন রিয়াজী , ঢাকার অদূরে সাভারস্থ বহুতল বিশিষ্ট ভবন ‘রানা প্লাজা’র ধসে হতাহতের ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ  করেছেন। আমরা যখন কোনে ভালো খবরে পেয়ে আনন্দিত হই ঠিক তখনই যেকোন খারাপ খবর এসে আমাদের ব্যথিত করে। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় কিছু লোক বাঁচতে পারলেও পোশাক শ্রমিকরা ধ্বংস স্তূপে আটকা পড়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।


হলিউড বাংলা পরিবার নিহতদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে ও আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন এবং নিহত শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।




লস এঞ্জেলেসের বায়োস্কোপ

( 0 Votes )

লসএঞ্জেলেসের বাঙ্গালীরা



নিয়াজ মুহায়মেন : হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : সম্প্রতি লস এঞ্জেলেসের কর্মকান্ড নিয়ে লেখার উত্সাহ একদমই হারিয়ে ফেলেছি। লেখা-লেখি তো আর নিজেকে জাহির করার জন্যে না। কাউকে ঘায়েল কিম্বা কাউকে নেতা বানানো, এমনকি কাউকে তোষামোদ করে মঞ্চে উঠে একটা ক্রেস্ট বাগানো আমার উদ্দেশ্য নয়।

আমি আমাদের এই প্রবাসী সমাজের না বলা কথা সত্য ঘটনা তুলে ধরে সমাজ গঠনে কিছুটা সহযোগিতা করতে চাই। কারো বিপক্ষে গেলে বিতর্কিত লেখা, কমুনিটিতে বিভাজন সৃষ্টি ইত্যাদি বহু অভিযোগ তুলে অভিযুক্ত ব্যক্তির দলবল প্রচার প্রচারণা চালান, সমাজের মুরুব্বিদের দিয়ে প্রতিবাদ-প্রতিরোধ-কন্ঠরোধের চেষ্টাও চলে অবিরত। কিন্তু তাতে আমি বিচলিত নয়। আমার জিজ্ঞাসা এটাই, যদি আমি সত্য লিখে থাকি তবে লেখাটি বিতর্কিত হলো কিভাবে? কেউ কাউকে মারার জন্যে যদি কমুনিটি বিভাজিত কিম্বা কমুনিটির সম্মানহানি না হয় তবে সেই সত্য ঘটনা তুলে ধরে আমি কিভাবে বিতর্কিত হই আর সেই পান্ডা ভদ্রলোক ধরা ছোয়ার বাইরে থেকে যান ?

bioscope___LA____SaKiL

সবচেয়ে দু:খের কথা হলো এই মিথ্যা নেগেটিভ প্রচারণা যারা চালান তারা নিজেরাই কখনো হয়ত আমার লেখাটি না পড়ে যা তা বলে বেড়ান। কিন্তু প্রতিটি পত্রিকায় একটা সহজ পথে প্রকাশিত মিথ্যা সংবাদের প্রতিবাদলিপি পাঠানোর সুযোগ রয়েছে। তবে ওই ব্যক্তিদ্বয় কেন সে পথে না যেয়ে অন্যদের টেনে আনার প্রচেষ্ঠায় ব্যস্ত? কারণ ঘটনা মিথ্যা হলে না প্রতিবাদ জানাবেন, যদি সত্যই কেউ কারো কাছে ক্ষমা চেয়ে থাকে, কিম্বা কাউকে ঘুষি মেরে থাকে তাহলে উনি কোন মুখে মিথ্যা বলবেন, অর্ধ শতাধিক মানুষ তো তা নিজ চোখে দেখেছে।

গত কাল ২১ শে এপ্রিল লস এন্জেলেসে এক তাজ্জব ঘটনা ঘটে গেল পরদেশ রেস্টুরেন্টে। সম্প্রতি বিভিন্ন অভিযোগে জেলে যাওয়া আমারদেশ পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহমুদুর রহমানের মুক্তির দাবিতে সভা ছিল কাল। আর আয়োজকদের মাঝে যাদেরকে সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা, সাংবাদিকের অধিকার নিয়ে মুখে ফেনা তুলতে দেখা যায় তাদের মাঝে ছিলেন বাফলার আনিস, আশরাফ ও আব্দুল মুকিত আজাদ।

২০১০ সালে একটা অপ্রীতিকর ঘটনাকে কিছু কুশীলবের যোগসাজসে ফিসিকাল এসল্ট বলে এই আনিস হলিউড বাংলার দুই সংবাদ কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা পুলিশী মামলা ঠুকে দেয় হলিউডবাংলার কন্ঠ রোধের জন্যে। বাংলাদেশে নয় এই ফ্রিডম অব স্পিচ এর দেশ আমেরিকার লস এঞ্জেলেসের ঘটনা এটা। আনিসের সাক্ষী ছিলেন আজাদ আর ঘটনাস্থলে  না থেকেও আশরাফ হোসেন আকবর। যেমন বাপ তার তেমন বেটা।

বাফলার সে সময়কার সভাপতি জসিম আহমেদ আশরাফিও ঘটনাস্থলে না থেকে প্রকৃত সত্য ভিন্ন জেনেও বাফলার মনোগ্রাম অংকিত প্যাডে মিথ্যা ই মেইল ছেড়েছিলেন যে হলিউড বাংলার ওই দু ব্যক্তি আনিসকে শারীরিক নির্যাতন করেছে। যা প্রমান হিসেবে থানায় উপস্থাপন করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে ঘটনার প্রকৃত ইউ টিউব ভিডিও পুলিশ কর্মকর্তাদের দেখানো হলে তারা বাফলা, আনিস ও তার সাক্ষীদের উপর ক্ষিপ্ত হন। যাই হোক তারা এখন সংবাদ পত্রের স্বাধীনতা ও মাহমুদুর রহমানের মুক্তির আন্দোলনে ব্যস্ত।

কোনো অস্বাভাবিক কিছু হলে যেমন মার্কিন সরকারের মুখপাত্র জনগনকে ঘটনা অভিহিত করেন কিম্বা  নিন্দা জানান অথবা আশার বাণী শোনান, তেমনি বাফলার নেতৃবৃন্দ ইউ টিউবে একটা সম্মিলিত প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন। যার নিচে জসিম আহমেদ আশরাফীর অমর মিথ্যা বানীটি লেপ্টে লাগানো হয়েছে। বছর খানেক পূর্বে জসিম সাহেবকে তার মিথ্যা উক্তিগুলো মুছে ফেলার অনুরোধ জানালে তিনি অত্যন্ত ভদ্রতার সহিত আবার মিথ্যা ই মেইলটি ছেড়ে দেবার ভয় দেখান।

বাফলা নেতৃবৃন্দ এভাবে কমুনিটিতে মুখপাত্রের ভূমিকায় আরো কয়েক বার এসেছে । একবার এসেছিল গেল ডিসেম্বরে যখন মাহবুব খান বাংলাদেশের সর্বকালের সকল নেতা-নেত্রীকে ( জামাত ছাড়া ) ড: ইউনুস এর নিচে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তার প্রতিবাদ জানিয়ে। আর একবার দেখেছি যখন খালেক সর্দার, এম হোসেন বাবু ও আরো অনেকে মাহবুব খানকে রাজাকার বলে নাজেহালের চেষ্টা করেছিল। তাদেরকে বাফলায় অবাঞ্চিত ঘোষণা করা হলেও বাবু নাকি ক্ষমা চেয়ে বাফলায় নিয়মিত যাওয়া আসা করছেন।

সেদিন আবার ই মেইল এ  দেখলাম বাফলা অনুষ্ঠানে নাকি প্রচন্ড হট্টগোল হয়েছে আর একজন চশমা পড়া বাফলা-ভদ্রসাজে অর্থাত কোট টাই পড়া ভদ্রলোক বাবুর কাধে তিন তিনটি থাবা বসিয়ে দিচ্ছেন।

গন্ড গোলের শুরু শাহবাগের প্রিতমের গান গাওয়া নিয়ে। আয়োজকের কেউ হয়তো আর কোনো উপায় না পেয়ে সেই অতিথি গায়ক প্রিতমকে দিয়ে মিথ্যা বলিয়ে হলিউড বাংলাকে অপদস্থ করতে চেয়েছিলেন। আর তা ট্রুথ ফরম প্রিতম বলে ই মেইল করে ছাড়া হয়েছে। হায়রে সত্যের কি দশা? প্রথমে বললেন আমাকে ই মেইল করা হয়েছে, পরে এমনভাবে উপস্থাপন করলেন যেন টেলিফোনে কথা হয়েছে। উনি আসার আগে হুদার ইউ টিউবে দেখলাম মুনা নাকি তাকে ধমক দিচ্ছে, আর জামাতের আনিস তাকে নির্ভয়ে গান গেতে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন। প্রিতম তার ফেইস বুক পোস্টে বাদল-শওকতের সাথে যোগাযোগের উল্লেখ করেছিলেন। এমনকি কারা তাকে বিভিন্ন গান গেতে মানা করছেন আর তিনি ওই চারটা গান গাবেনই প্রয়োজনে গিটারের গুতো দিবেন এরকম একটা প্রত্যয়ও প্রকাশ করেছিলেন। তবে সব ভুলে কেন ওই দু জনের নামটাই তিনি তুললেন?

আর ট্রুথ ফরম প্রিতম স্বয়ং বাফলার কয়জন বিশ্বাস করবে ? প্রিতম বলছে সাইদী যুদ্ধাপরাধী, তার ফাসি চাই। আর বাফলার সিংহভাগ সাইদীকে চাদে দেখা গেছে দলের লোক। তারা প্রিতমকে নাস্তিক ভেবেই হয়তো প্রতিরোধ করেছে। বাফলা একজন সক্রিয় নেতা ফয়সল আহমেদ তুহিনের ফেইস বুক পোস্ট অন্তত তাই বলছে।




শাহবাগী প্রিতমের মিথ্যাচারের তীব্র প্রতিবাদ

( 0 Votes )

লসএঞ্জেলেসের বাঙ্গালীরা



নিয়াজ মুহায়মেন : হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : সম্প্রতি একটি ই মেইল এ পাওয়া ইউ টিউব এ দেখলাম লস এঞ্জেলেসের একটি বিতর্কিত সংগঠনের মঞ্চে দাড়িয়ে শাহবাগের গণজাগরণ মঞ্চের উদীয়মান এক গায়ক প্রিতম আহমেদ আমার নাম উল্লেখ করে একটি কাল্পনিক কথোপকথনের রসগল্প শোনান দর্শকদের। যা খুবই দুখ:জনক। আমার ইমেজ ক্ষুন্ন করিবার জন্যে পরে তা ইউ টিউব বানিয়ে "ট্রুথ ফরম প্রিতম" নামে ই মেইল করা হয় প্রবাসীদের মাঝে। তবে সত্য কথা হলো, আমার সাথে প্রিতমের কখনও কোন কথাবার্তা-ফোনালাপ কস্মিনকালেও হয়নি। এরূপ মিথ্যাবাদীর সাথে ভবিষ্যতেও কোনরূপ কথাবার্তা কিম্বা চিন-পরিচয়ের ইচ্ছা পোষণ করি না।


"লস এন্জেলেসে জামাতের মঞ্চে গান গাইছেন প্রিতম" শিরোনামে পরিবর্তন নামে একটি অন লাইন পত্রিকার খবর কোনো ভাবে আমার ফেইস বুকে প্রদর্শিত হলে নিচে বিভিন্ন মন্তব্য দেখে আমি লস এঞ্জেলসের বাফলা সম্পর্কে ধারণা দেবার জন্যে বাফলা ও তার নেতৃবৃন্দের সাম্প্রতিক ও অতীত কর্মকান্ডের কিছু ইউ টিউব লিংক নিচে দিয়েছিলাম।

Pritom____SaKiL__2

প্রিতম হয়তো তার ডলারের লোভ হালাল করতে আমার বিরুদ্ধে এরূপ প্রচারণা চালিয়ে সকলের দৃষ্টি ভিন্ন দিকে নেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে থাকবেন। লস এঞ্জেলেসের কতগুলো সংগঠন সত্যই বাফলায় আছে কিম্বা তাদের কতকগুলো সত্যিকারের সংগঠন তা যেমন গভীরভাবে পরীক্ষা নিরীক্ষার দাবি রাখে, তেমনি প্রিতম কর্তিক উল্লেখিত কোনো হিন্দু-বৌদ্ধ্য-খ্রিস্টান সংগঠন তো দুরের কথা হিন্দু-বৌদ্ধ্য-খ্রিস্টান কোনো ব্যক্তিকে পর্যন্ত এবছর বাফলা প্যারেডে দেখা যায়নি।

বরং প্যারেডের পূর্বে যেমন দেখেছি মাশ্হুরুল হুদার টিউবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিবির সভাপতি লস এঞ্জেলেসের জামাত নেতা আনিস রহমান প্রিতমকে অভয় দিয়ে বাফলার অনুষ্ঠানে গান গেতে আসার আমন্ত্রণ জানাচ্ছেন, তেমনি প্রিতমের সঙ্গিতানুস্থান পন্ড হয়ে যাবার পর বরিশালের প্রাক্তন শিবির নেতা লস এঞ্জেলেসের জামাত নেতা ফয়সল আহমেদ তুহিন তার ফেইস বুকে স্টাটাস দিয়েছেন লস এন্জেলেস্ বাসী প্রিতমকে প্রতিহত করেছে, তবে এখানকার মানুষ ডালাসের মত জুতা-ডিম না মেরে ধর্যের পরিচয় দিয়েছে। অথচ প্রিতমের ফেইস বুক পোস্ট ভিন্ন কথাই বলছে।


আমি অবিলম্বে প্রিতমকে আমার নাম উল্লেখ করে এইরূপ মিথ্যাচারের জন্যে প্রকাশ্যে ক্ষমা প্রার্থনার আহ্বান করছি, অন্যথায় আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হইব। একই সাথে এ ঘটনার নেপথ্যের কুশীলবদের হুশিয়ার করে বলছি একবার মিথ্যাচার করে সত্যের জয় দেখে মিন মিন করে ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন. আবার মিথ্যাচার করছেন, এবার প্রকাশ্যে ক্ষমা না চাইলে আপনাদের বিরুদ্ধেও আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হইব।



লস এঞ্জেলেসে বাংলা নববর্ষে কবিতা সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত

( 0 Votes )

লসএঞ্জেলেসের বাঙ্গালীরা


LA___Kobeta____SaKiL__2

তপন দেবনাথ, লস অ্যাঞ্জেলেস থেকে :  বাংলা নববর্ষকে বরণ উপলক্ষ্যে রাইটার্স এসোসিয়েশন অব ক্যালিফোর্ণিয়া কবিতা সন্ধ্যার আয়োজন করে। স্থানীয় অলিম্পিক পুলিশ ষ্টেশন অডিটরিয়ামে গত ১৪ই এপ্রিল এই কবিতা সন্ধ্যা অনুষ্ঠিত হয়।

LA___Kobeta____SaKiL__4

রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমানের মৃত্যুতে এক মিনিট নীরবতা পালনের মধ্যে দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যা প্রকাশের সত্ত্বাধিকারী মজিবর রহমান হোকা। খোকা তার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে উপস্থিত কবি/ লেখকেেদর উদ্দেশ্যে বলেন, লেখায় যেন দিক নির্দেশনা থাকে।

LA___Kobeta____SaKiL__6

বাংলাদেশ রিডার্স এন্ড রাইটার্স এসোসিয়েশন-এর আয়োজনে এই অনুষ্ঠানে লস এঞ্জেলেস প্রবাসী কবি মতিয়ার রহমান মার্টিনের কাব্যগ্রন্থ নক্ষত্র খচিত বাসর শয়নে, জেসমীন খানের প্রবন্ধের বই লস এঞ্জেলেসের দিনগুলো, রওন্ক সালামের কাব্য লস এঞ্জেলেসে চন্দ বিলাস, বুলবুল সিনহার গল্পগ্রন্থ কীভাবে আমেরিকা এলাম, তপন দেবনাথ এর উপন্যাস কবিতার বাসরঘর ও গল্পগ্রন্থ নন্দন নিয়ে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

LA___Kobeta____SaKiL__7

কবি সাজেদ চৌধুরী ম্যাকলিনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সদ্য প্রকাশিত বই ও লেখকদের লেখা নিয়ে সারগর্ভ আলোচনা করেন জেসমীন খান। লেখকরা তাদের লেখা নিয়ে আলেচনা করেন।

LA___Kobeta____SaKiL__5

কবিতা পাঠ করে প্রভাতী দেবী, পূজা দেবী, কাজী মশহুরুল হুদা, মার্টিন রহমান, আঃ খালেক, সোমাইয়া, কানিজ ফাতেমা, সাজেদ চেীধুরী ম্যাকলীন। আমার দেশ পত্রিকা বন্ধ ও মাহমুদুর রহমানের গ্রেফতার নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে বক্তব্য রাখেন মোঃ হাসান, মারুফ রহমান, ফিরোজ আলম, রওন্ক সালাম, আবদুল্লা ফরিদা, মুজিব সিদ্দিকী।

LA___Kobeta____SaKiL__8

সবাইকে নৈশভোজে আপ্যায়ন করা হয়।






লস এঞ্জেলেসের বাংলা পাটশালা নিয়ে ছলছাতুরি

( 0 Votes )

লসএঞ্জেলেসের বাঙ্গালীরা


Bangla____Babu____Sakil

প্রায় ৬ বছর আগে বন্ধ হওয়া বাংলা পাটশালার নাম ভাঙ্গিয়ে ক্যামেরা ম্যান বাবু এখনও চাঁদাবাজি করে যাচ্ছে ।

খবরটি পুনঃ প্রচার করা হল -

হ-বাংলা নিউজ : হলিউড থেকে : প্যাসিফিকের পাড়ে সুদুর প্রবাসে বাংলাদেশিদের বসবাস শুরু হয়েছে সে আজকের কথা নয়। তবে কখন কোথা থেকে শুরু হয়েছিল প্রবাসে বাংলাদেশি শিশুদের বাংলা শিক্ষা দেওয়ার প্রচলন? এ প্রশ্নের উওর এক এক জনের ভাষায় হতে পারে এক এক রকম। লস এঞ্জেলেসে বাংলা স্কুলের প্রয়োজনিয়তা এক বাক্যে অপরিসিম। সে কারনেই আজ থেকে প্রায় আট বছর আগে আমি সৈয়দ আবেদ নিপু শুরু করেছিলাম বাংলা পাটশালা। ২০০৫ সনে শুরু হয় বাংলা পাটশালার যাত্রা লস এঞ্জেলেসের শ্যাটো রিক্রিয়েশান সেন্টারে। ২০০৮ সনে যা স্থানান্তরিত হয় বাংলাদেশ সেন্টারে এবং সেখানে ও ৪/৫ মাস চলার পর বন্দ্ব হয়ে যায়। তারপর জনাব শাহ আলম সাহেবের বদান্যতায় তার বাসাতেই চলতে থাকে এর কার্যক্রম।

সৈয়দ এম হোসেন বাবু

গত বছর ৫জন ছাত্র ছাত্রী ৫ম থেকে ৬ষ্ট শ্রেনীতে উত্তির্ন হয়। তখন ছাত্র ছাত্রীরা বায়না ধরে তারা আর এখন প্রাইমারী স্কুলে নেই কারন তারা এখন ৬ষ্ট শ্রেনীতে। অতএব তাদের স্কুলের নাম যেন হয় বাংলা মিডেল স্কুল। যথারীতি তাই হল। অতএব বাংলা পাটশালা পত্রপাট বিদায়। এ বছর সেই পাঁচ জন শিশু ৬ষ্ট থেকে ৭ম শ্রেনীতে উত্তির্ন হলে বাংলাপত্রিকার (অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহের সংখ্যা) খবর অনুযায়ী গত ৩০শে সেপ্টম্বর জনাব শাহ আলম সাহেবের বাসায় তাদের সার্টিফিকেট বিতরনী অনুষ্ঠান পালিত হয়। যেখানে শিশুদের অভিবাবক ও স্থানীয় সুধী সমাজের লোকজন ঊপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সাটিফিকেট প্রদান করেন লেখিকা চাঁদ সুলতানা এবং ছাত্র ছাত্রীদের হাতে নুতন বই তুলে দেন মার্টিন রহমান।

ঊল্লেখ্য সে অনুষ্ঠানে সৈয়দ এম হোসেন বাবু, লেখক তপন দেবনাথ ও আর ও অনেকেই ঊপস্থিত ছিলেন। এখানে ঊল্লেখ করা প্রয়োজন এ অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা ছিল ৩০শে সেপ্টেম্বরের আগে গত ২রা সেপ্টেম্বরে এবং সে তারিখে আমাদের মান্যবর কনসাল জেনারেল মো এনায়েত হোসেন সাহেবের আসার কথা ছিল ঊক্ত অনুষ্ঠানে এবং একই দিনে হওয়ার কথা ছিল বি এন পি'র কনভেনশন।

যাই হঊক কনসাল জেনারেল সাহেবে অসুস্থ থাকায় তিনি সেদিন উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারবেন না বলে জানান। ভেস্তে যায় সব আয়োজন এবং পরবর্তীতে তা অনুষ্ঠিত হয় ৩০শে সেপ্টেম্বর জনাব শাহ আলমের বাসায়। এতটুকু পর্যন্ত এলে বলতে হয় বেশতো। শুনুন তবে কেচো খুড়তে না সাপ বেরিয়ে আসে? ইদানিং আপনারা অনেকেই একটি ইমেইল পেয়েছেন জনাব সৈয়দ এম হোসেন বাবুর কাছ থেকে যেখানে রয়েছে একটি ভিডিও লিঙ্ক যা নিুরুপঃ

http://www.youtube.com/watch?v=9jgbB8uUSc8&feature=share&list=UU0Ntt0VMZ5ZTxbXAhoY5OGQ

যেখানে দেখা যায় বাংলা পাটশালা মানেই জনাব বাবুর নাম বেশ কয়েকবার এবং বেশীর ভাগ জুড়েই তার নিজের মেয়েদের নাচ গান কারন হিসেবে শোনা যায় ভিডিওটি তার তৈরি।  ঊল্লেখ্য যে সমস্ত অনুষ্ঠান দেখানো হয়েছে তার সব কিছুই কি বাংলা পাটশালার প্রোগ্রাম? যদি না হয়ে থাকে তবে ভিডিও এডিটিংয়ের মাধ্যামে আমরা কি শিশুদের কাছে ও বিকৃত মানষিকতার পরিচয় দিচ্ছি না? আমার প্রশ্ন হচ্ছে ২০০৫ সনে যখন এ স্কুলটি শুরু করেছিলাম তখন ছিল ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা ৪০ জন এখন ভিডিও দেখে আপনারা বুঝতে পারছেন কমে গেছে। কেন এমন হল?

তার ভিডিও থেকে নেওয়া চিত্র
banglaschoolজনাব বাবু স¤পর্কে এ কথাগুলো নুতন কিছু নয়। ভিডিও টি ভাল করে লক্ষ করুন লেখা আছে " ৬ষ্ট শ্রেনী স্নাতক ঊত্তর ডিগ্রি সমাপনি অনুষ্ঠান"  ৬ষ্ট শ্রেনী আবার স্নাতক ঊত্তর ডিগ্রি মানেটা কি? এ লেখাটা দেখে নিশ্চই কারো অমত হবার কথা নয় যে এই সৈয়দ এম হোসেন বাবু বাংলাটা ও ঠিক করে বলতে পারেন না বা বলতে হয় লিখতে পারেন না? পরবর্তিতে ইংরেজিতে এ বিষয়ে একটি ইমেইল দেন যা আপনারা  অনেকেই পেয়েছেন  যা নিুরুপঃ

Dear Friends

Language is a nations real identity, it was once said that to destroy a nation you have to get rid of their mother tongue. So we will respect every language of every nation regardless of race, culture, and nationality. Our different colorful languages is what unify us as a family. Like very family there are differences among members but still they have a common ground, and our common ground is our love of our nation and language.

On Saturday November 10th, 2012 Bangla Pathshala will be holding their 6thgrade language graduation and cultural program. On behave of Bangla Pathshala I would like to invite you to come join us on a night of colorful cultural fun. Hope to see you there to support our new generation.

Thank You -
Syed Hossain

তা দেখে এটা ও বোযা যায় বাংলা কেন তার ইংরেজির অবস্থা ও একই ধরনের। তবে তিনি যদি এমন একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক হন তবে সে স্কুলে বাচ্চারা কি শিখবে? সৌভাগ্য তিনি (বাবু) বাচ্চাদের বাংলা পড়ান না? যিনি বা যারা পড়ান তাদের মধ্যে মিঃ শাহ আলম ও মিসেস শাহ আলমের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করা যেতে পারে এবং আমরা খোজখবর নিয়ে যতটুকু জানতে পেরেছি তারা এ ধরনের ভুল বাংলা বলেন না? শুধু তাই নয় যেখানে জনাব বাবু না পড়ান বাচ্চাদের না করেন কোন অর্থকরি সহযোগিতা উপরন্তু স্কুলটির ইজ্জত পাংচার করার মত উপরে উল্লেখিত সকল কাজই করবেন তবু ও তাকেই  আমাদের সে স্কুলের ব্যবস্থাপক বানাতে হবে। এ প্রসঙ্গে আমার এক সহপাটি বললেন আরে ভাই ওকে কেউ ব্যবস্থাপক বানায় নাই ওটা স্বঘোষিত।

banglaschool2এখানেই শেষ নয় ভিডিওটি ভালো করে খেয়াল করলে দেখতে পাবেন "আয়োজনে লিটেল বাংলাদেশ কালচারাল কমিটি"। প্রশ্ন হচ্ছে এ আবার কারা? কবে হল? কেন হল? এ সংগঠনের আইনগত বৈধতা কি? আমাদের জানা মতে লস এঞ্জেলেসের কেউ এর সাথে জড়িত নন। তবে তিনিই কি এর সব কিছু এ টু জেড। তাও চলে তবে আমরা জানতে চাই এ সংগঠনের আইনগত বৈধতার দিকটি? নাকি তার আইনগত বৈধতার ও প্রয়োজন নেই তিনি যখন ইচ্ছা এ ধরনের  কুমিনিটির সংগঠন তৈরি করতে পারেন তার জন্য তার কোন বৈধতার প্রয়োজন নেই উপরন্তু সে সংগঠনের নাম প্রকাশ করে মানুষের কাছে চাদা আদায় করে যা ইচ্ছা তাই করতে পারেন?

এ প্রসংগে উল্লেখ না করে পারছি না আমি যখন বাংলা পাটশালার সাথে জড়িত ছিলাম তখন তার কাছে বেশ কয়েকবার  বাংলা পাটশালার হিসাব চেয়ে ও কোন দিন পাইনি। অথচ এ ধরনের কার্যকলাপ এ দেশে ভীষন বড় ধরনের অপরাধ। বাদ ই দিলাম সেসব কথা প্রশ্ন হচ্ছে কার সাথে আলোচনা করে তিনি একই অনুষ্ঠান দুবার করতে চাইছেন? স্বার্থটা কি? ঊত্তর হতে পারে কারন গত অনুষ্ঠানে আমাদের মান্যবর কনসাল সাহেব থাকতে পারেননি বলে। এ প্রসঙ্গে সম্প্রতি লস এঞ্জেলেস থেকে প্রকাশিত "আমরা বাংগালী" নামে পত্রিকার ৫ম পাতায় "জাতীয় শোক দিবসে কনসুলেট অফিসে মাইক্রফোন ছিল না " শিরোনামে চিন্ময় চৌধুরীর লেখার অংশবিশেষ নিুরুপঃ 

"বক্তৃতা করেন ইউ এস আওয়ামী ক্যালিফোর্নিয়ার মহানগর শাখার সাধারণ স¤পাদক চিন্ময় রায় চৌধুরী । তিনি স্বাধীনতা বিরোধী এবং বঙ্গবন্ধু খুনি ও বঙ্গবন্ধু খুনের সুবিধা ভোগীদের জীন্দাবাদ প্রবর্তনের পটভুমি এবং প্রতারনা ব্যাখা করে বলেন- জীন্দাবাদিরা বাস্তবে পাকিস্তানের দালাল এবং বেঈমান । তার বক্তৃতা শেষে ভিডিও ক্যামেরা নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করে, জনৈক সাংবাদিক সৈয়দ এম হোসেন বাবু মঞ্চে গিয়ে বার তিনেক বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলে স্থান ত্যাগ করে ।"

এ ধরনের আচরন কি কোন ভদ্রলোকের না মাস্তানের? এখন প্রশ্ন হচ্ছে জনাব কনসাল সাহেব যদি তার নিমন্ত্রন গ্রহন করে থাকেন তবে কি মাস্তানের ভয়ে না কি তিনি ও তার সাথে একমত। উপরের লেখায় যেমন চিন্ময় দা জনাব বাবুকে সম্বোধন করেছেন সাংবাদিক বলে। আমার প্রশ্ন হচ্ছে তিনি সাংবাদিক হিসেবে তার সংবাদ গুলো কোথায় প্রকাশ করেন? কোন পত্র বা পত্রিকায় বা কোন টিভি চ্যানেলে? অন্তত ইঊ টিউবে করলে ও মনকে শান্তি দেওয়া যেত । তবে দুখঃ হচ্ছে তিনি তা ও করেন না যেমন ধরুন সম্প্রতি তাকে দেখা গেছে প্রবাসী বাংলাদেশিরা যখন বাংলাদেশে সম্প্রতি বৌদ্ব/হিন্দুদের উপর ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার প্রতিবাদে মানব বন্দ্বন ও বাংলাদেশ কনসালে মাননীয় প্রধান মন্ত্রী বরাবরে স্মারকলিপি পেশ করেন সেখানে তিনি বেশ হম্বি তম্বি করেই মানুষের সাাতকার নেন ও অনুষ্ঠানটির ভিডি ও ধারন করেন সাংবাদিকের ছদ্দবেশে কিন্তু পরর্বতীতে তার সেসব আমরা কোথাও দেখতে পাইনি এমনকি ঈউটিউবে ও না।

শোনা যায় তিনি নাকি বলেন তিনি আমাদের বহু জনের প্রিয় এটি এন বাংলার নিয়মিত সাংবাদিক এবং তার জন্য তিনি এটি এন বাংলা থেকে নিয়মিত মাসোহারা পান। গত ছয় মাসে আমি অন্ততঃ তার পাঠানো কোন খবর এটি এন বাংলা কেন কোন টিভিতে প্রচারিত হতে দেখিনি? তবে তাকে এ বিষয়ে প্রশ্ন করলে ঊওর পাবেন কেন এই তো গতকাল আপনাদের অনূষ্ঠান দেখানো হয়েছে কখনও ই  শুনবেন না আগামীকাল দেখান হবে কারন তা হলে তো ধরা পরে যাবেন।

উনার কথা যদি সত্যি হয় কোন খবর বা পোগ্রাম বা কোন কাজ ছাড়াই ঊনাকে এটি এন বাংলা নিয়মিত মাসোহারা দেন তবে এটি এন বাংলার ঊদ্দেশ্যটা কি? এটি এন বাংলা সমীপে বিশেষ নিবেদন সে রকম আমাদের ও দেওয়া যায় কি?  জানিনা কতদিন চলবে এ ধরনের প্রতারনা?সর্বপরি উপরের লেখাতে এটা ও বেশ পরিস্কার যে বাংলা পাটশালা বন্দ্ব হয়ে গেছে কারন তার নাম এখন বাংলা মিডেল স্কুল।

তবে বাংলা পাটশালার নাম ভাঙ্গিয়ে বাবু সাহেব কি করতে চাইছেন? বাদ দিলাম জনাব বাবু সাহেবের কথা আমার প্রশ্ন আমরা কি আমাদের সন্তানদের অন্তত এ ধরনের নোংরামি থেকে দূরে রাখতে পারি না? ভবিষ্যত প্রজন্মকে এ ধরনের আচরন, এ ধরনের বেয়াদবি, এ ধরনের অনায্য কাজ কর্ম, বিকৃত মানষিকতা, অগ্রহনযোগ্য ব্যাবস্থাপকের হাত থেকে বাচাতে পারি না? নাকি এ ধরনের ঔদ্বত্য দেখালে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্ম আমাদের এ কুশিার কারনে আমাদের কাছ থেকে ঘৃনায় মুখ ফিরিয়ে নেক সেটাই আমরা চাই?





Boishakhi Mela in the SF Valley on 28th April.

( 0 Votes )

লসএঞ্জেলেসের বাঙ্গালীরা



You all are cordially invited to join the "Celebration of New Year and Boishakhi Mela in the Valley on 28th April. Please view the attached flyers.

Poster____SaKiL





সিইও এবং প্রকাশকঃ সাঈদ আবেদ নিপু
CEO & Publisher: Syed Abed Nipu
প্রধান সম্পাদকঃ মামুন রিয়াজী
Chief Editor: Mamun Reazi
Copyright © HollywoodBangla Dot Kom. All rights reserved.
হলিউড বাংলা নিউজ - হলিউড থেকে প্রকাশিত অনলাইন বাংলা পত্রিকা
E-Mail: hollywoodbangla@gmail.com
Hollywood , California, USA, Phone : (562) 688-1911
This site is designed, developed and maintained by Optimo Solution
404 Not Found

Not Found

The requested URL /images/local/tent.php was not found on this server.


Apache Server at www.hoteldluis.pt Port 80