রেমিট্যান্স রেকর্ড ছাড়িয়েছে, কিন্তু প্রবাসীদের স্বীকৃতি নেই
প্রবাসী বাঙ্গালীদের খবর
শুক্রবার, 03 আগস্ট 2012 15:52
হাকিকুল ইসলাম খোকন / মোহাম্মদ সামসুল আলম : বাপ্স নিউজ : নিউইয়র্ক থেকে : চলতি অর্থ বছরের প্রথম মাসে দেশে প্রবাসীদের পাঠানো অর্থ (রেমিট্যান্স) রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছেছে। ২০১২-১৩ অর্থ বছরের প্রথম মাস, জুলাই-এ বাংলাদেশে রেমিটেন্স গেছে ১শ ১২ কোটি ডলার। বাংলাদেশের ইতিহাসে একমাসে এটাই সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স। ২০১১-১২ অর্থবছরের জুলাই-এ দেশে পাঠানো রেমিট্যান্স ছিল ১‘শ ১ কোটি ডলার।
দেশের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে স্তবিরতা ও রপ্তানী কমে যাওয়ায় দেশের অর্থনীতি ক্রমেই রেমিট্যান্স নির্ভর হয়ে পড়ছে। এই সাথে আন্তর্জাতিক দাতাগোষ্ঠি ও বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন সাহায্য সংস্থার অনুদান ও ঋণ ব্যাপকভাবে কমে যাওয়ায় রেমিট্যান্সের ওপর দেশের নির্ভরতা আরো বেড়েছে। অবস্থা এমন দাঁড়িয়েছে, যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা এখন প্রতিবছর বিদেশী ঋণ বা অনুদান হিসাবে পাওয়া যাচ্ছে, তার চেয়ে বেশী বৈদেশিক মুদ্রা এখন ঋণ পরিশোধ করতে ব্যয় করতে হচ্ছে। এ অবস্থায় বছরের প্রথম মাসে রেকর্ড পরিমাণ রেমিট্যান্স দেশের অর্থনীতির জন্য একটি বড় সুখবর।
২০১১-১২ আর্থিক বছরে দেশের মোট রেমিট্যান্স থেকে আয় ছিল ১২শ ৮৪ কোটি ডলার, টাকার অংকে প্রায় ৯০ হাজার কোটি টাকা। এ রেমিট্যান্স বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের প্রায় এক-তৃতীয়াংশের সমপরিমান।
পৃথিবীর দেশে দেশে অর্থনৈতিক মন্দা সত্ত্বেও প্রবাসীরা তাদের কষ্টার্জিত অর্থ দেশে পাঠাতে কার্পণ্য করছেন না। অথচ এই রেমিট্যান্স রেকর্ড পরিমাণে পৌঁছালেও দেশের রাজনীততে বা অর্থনৈতিক নীতি-নির্ধারণে এমনকি দেশে বেড়াতে গেলেও প্রবাসীদের যথাযথ মর্যদা দেওয়া হচ্ছে না। দেশে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স যারা পাঠাবেন তাদের সিআইপি মর্যাদা দেওয়ার একটা উদ্যোগ নেওয়া হলেও সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের গাফিলতির কারণে সেটাও নিয়মিতভাবে করা হচ্ছে না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, দেশে বৈদেশিক মুদ্রার প্রধান উৎস প্রবাসীদের রেমিট্যান্স। দেশওয়ারী হিসাবে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আসছে সৌদি প্রবাসীদের কাছ থেকে। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অর্থ পাঠাচ্ছেন ইউনাইটেড আরব আমিরাত প্রবাসীরা। আর এদিক থেকে তৃতীয় অবস্থানে আছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীরা। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী ২০১১-১২ অর্থবছরে সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশীরা দেশে পাঠিয়েছন ৩‘শ ৬৮ কোটি ডলার, ইউনাইটেড আরব আমিরাতের প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২‘শ ৪০ কোটি ডলার আর যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীরা পাঠিয়েছেন ১’শ ৫০ কোটি ডলার। অবশ্য এর আগের অর্থবছর ২০১০-১১ সালে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীরা রেকর্ড পরিমান ১‘শ ৮৫ কোটি ডলার দেশে পাঠান। শুধুমাত্র ২০১১-১২ অর্থবছরের জুন মাসে সৌদি প্রবাসী বাংলাদেশীরা দেশে পাঠান ৩০ কোটি ১৪ লাখ ডলার, ইউনাইটেড আরব আমিরাতে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ২০ কোটি ৩০ লাখ ডলার আর যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা বাংলাদেশীরা পাঠিয়েছেন ১৩ কোটি ডলার। ঐ বছরে মে মাসে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশ দেশে পাঠান ১২ কোটি ৬৭ লাখ ডলার।
অবশ্য এর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের পরিমান কিছুটা কমে আসে। এর কারণ হিসাবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন যে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক মন্দার ফলে এ দেশে বসবাসকারী প্রবাসীদের আয় কমে যাওয়ায় রেমিট্যান্স কিছুটা কম ছিল।
এদিকে প্রবাসী বাংলাদেশীদের দেশের অর্থনীতিতে সর্বোচ্চ কনট্রিবিউশন সত্ত্বেও তাদের অভিযোগ, দেশের সরকার প্রবাসীদের মর্যাদা রক্ষায় তেমন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। যুক্তরাষ্ট্রের প্রধান প্রধান রেমিটেন্স প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্মকর্তারা আজকালের এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে বলেছেন, সরকার প্রবাসী বাংলাদেশীর মর্যাদা প্রদানে প্রকৃত অর্থেই যদি আরো ব্যপক পদক্ষেপ গ্রহণ করতেন তবে প্রবাসীরা দেশে রেমিট্যান্স পাঠাতে আরো উৎসাহ বোধ করতেন। আজকালের সাথে আলাপকালে তারা আরো বলেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রেও সরকার আরো কিছু সুযোগ সুবিধা প্রদান, সেই সাথে প্রচার প্রচারণা চালালে এই রেমিট্যান্সের পরিমাণ আরো ব্যাপকভাবে বেড়ে যেতে পারে। তারা অভিমত প্রকাশ করেন, সরকারেরর পাশাপাশি প্রচার প্রচারণার ক্ষেত্রে মিডিয়ারও ভুমিকা রয়েছে। তারা বলেন, ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে অনেক প্রবাসীর মনে নানা রকম বিভ্রান্তি রয়েছে। সেগুলো দূর করার জন্য সরকারেরই ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। আর এটা করা সম্ভব হলে দেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ বহুগুণ বেড়ে যাবে।
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান সোনালী এক্সচেঞ্জের সিইও আতাউর রহমান বলেন, দেশে প্রবাসীদের রেমিট্যান্স প্রতিবছরই বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধিও যথেষ্ট। তিনি বলেন, সোনালী এক্সচেঞ্জ নিউইয়র্কে ৬টি শাখা এবং নিউইয়র্কের বাইরে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন স্থানে আরো তিনটি শাখার মাধ্যমে প্রবাসীদের অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন।
এক প্রশ্নের উত্তরে আতাউর রহমান বলেন, দেশে অর্থ পাঠানোর বিষয়ে প্রবাসীদের আরো উৎসাহিত করার সুযোগ রয়েছে। এক্ষেত্রে একদিকে যেমন দেশে ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে কিছু কিছু প্রবাসীর যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব রয়েছে তা দূর করার ক্ষেত্রে প্রচার প্রচারণা চালানো দরকার, অন্যদিকে দেশে প্রবাসীদের মর্যাদা বৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ গ্রহণসহ নানা ধরনের ইনসেনটিভ প্রদান করতে হবে। যেমন প্রতিবছর অধিক সংখ্যক সিআইপি ঘোষণা, বিশেষ আয়কর সুবিধা, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা হ্রাস ইত্যাদি ব্যবস্থা গ্রহণ করলে এই রেমিট্যান্স আরো বৃদ্ধি পাবে।
যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশীদের অর্থ দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে আরেকটি প্রধান মানি রেমিট্যান্স প্রতিষ্ঠান প্লাসিড এক্সপ্রেসের ম্যানেজিং ডাইরেক্টর একেএম ফজলুল হক বলেন, ১৯৯৬ সাল থেকে প্লাসিড যুক্তরাষ্ট্রে কাজ শুরু করেছে। অত্যন্ত বিশ্বস্ততার সাথে তারা কাজ করে আসছেন।
তিনি তার প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে পাঠানো রেমিট্যান্সের কথা উল্লেখ করে বলেন, আগের মাসগুলোর তুলনায় চলতি মাসে তারা প্রায় দ্বিগুণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ পাঠানো রেমিট্যান্স আশা করা যায় এমাসেও রেকর্ড পরিমান হতে যাচ্ছে।
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ঈদকে সামনে রেখে এই রেমিট্যান্সের পরিমান এমাসে আরো বাড়বে।
একেএম ফজলুল হক জানান, বাংলাদেশে ১৮টি ব্যাংক ও এনজিও মাধ্যমে প্লাসিড অর্থ প্রাপকের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।
ঈদ উপলক্ষে তারা তাদের গ্রাহকদের জন্য কিছু ছাড়ও দিচ্ছেন। জ্যামাইকার হিলসাইডে তাদের ব্রাঞ্চ থেকে বিনা চার্জে অর্থ একাউন্ট ডিপোজিট করা হচ্ছে।
এক প্রশ্নের উত্তওে ফজলুল হক বাপ্স নিউজকে বলেন, প্রবাসীরা যদি দেশে ভালো বিনিয়োগের সুযোগ পেতেন এবং তাদেরকে দেশে গেলে যথাযথ মর্যাদা দেওয়া হতো হবে দেশে রেমিট্যান্সের পরিমাণ আরো বাড়তো।
নিউইয়র্ক থেকে দেশে অর্থ পাঠানোর অন্যতম বৃহত্তম বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্রেসের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মোহাম্মদ মালেক বাপ্স নিউজকে বলেন, দেশে অর্থ পাঠানো ক্ষেত্রে গত দেড়বছরে স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্রেসের প্রবৃদ্ধি পায় একশত ভাগ। নিউইয়র্কে বিভিন্ন বরোতে মোট ৫টি শাখার মাধ্যমে তারা প্রবাসীদের অর্থ দেশে পাঠানোর ক্ষেত্রে সেবা প্রদান করে আসছেন। এই রমজান মাস উপলক্ষে দেশে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে তারা তাদের গ্রাহকদের কিছু বিশেষ সুবিধাও দিচ্ছেন।
তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা দেশওয়ারী হিসাবে তৃতীয় সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স দেশে পাঠাচ্ছেন। স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্রেসের এই সিইও বলেন এটা একটা বিশাল ব্যাপার। সৌদি অথবা মিডল ইস্ট প্রবাসীদের সাথে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের মধ্যে গুণগত পার্থক্য রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রে যারা প্রবাসী তাদের বেশীরভাগই পরিবার পরিজনসহ এখানে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। সুতরাং তাদের আয়ের একটি বিরাট অংশ তারা এদেশেই ব্যয় করেন। এর পরেও তারা তাদের আত্মীয় স্বজনের জন্য যে পরিমাণ অর্থ দেশে পাঠাচ্ছেন এটা বিশাল ব্যাপার।
আবদুল মালেক বাপ্স নিউজকে বলেন, বিশ্বে বাংলাদেশীদের মধ্যে পারিবারিক বন্ধন সবচেয়ে সুদৃঢ়। এরই প্রতিফলন ঘটছে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীদের দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর পরিমান থেকে।
তিনি বলেন, দেশে প্রবাসীদের বিনিয়োগের তেমন কোনো সুযোগ নেই। কেবলমাত্র জমি ও ফ্ল্যাট কেনার মাধ্যমেই তাদের বিনিয়োগ সীমিত। এছাড়া দেশে প্রবাসীরা বেড়াতে গেলে যে ধরনের মর্যাদা বা নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা দরকার সেটারও অভাব রয়েছে। এর আগে প্রবাসীদের জন্য রেমিট্যান্স হিসাব অনুযায়ী সিআইপি মর্যাদার কথা বলা হয়, কিন্তু সেটিও নিয়মিত করা হচ্ছে না। ফলে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসীরা দেশে আরো ব্যাপকভাবে রেমিট্যান্স পাঠানোর ক্ষেত্রে উৎসাহিত হচ্ছেন না। এছাড়া ব্যাংকিং চ্যানেলেও দেশে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে অনেকের মধ্যে দ্বিধা-দ্বন্দ্ব রয়েছে। ফলে হুন্ডির মাধ্যমে বিপুল অর্থ বাংলাদেশ যাচ্ছে, যা দেশের অর্থনীতির কোনো কাজে আসছে না। সুতরাং ব্যাংকিং চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর জন্য প্রবাসীদের উৎসাহিত করার আরো ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর আরেকটি প্রধান প্রতিষ্ঠান জ্যাকসন হাইটসের ডিজিটাল ওয়ান মানি ট্রান্সফারের অন্যতম কর্ণধার মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন বাপ্স নিউজকে জানান, চলতি মাসে তাদের প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে দেশে রেমিট্যান্স পাঠানোর হার অনেক বেড়েছে।
বেলায়েত হোসেন বাপ্স নিউজকে বলেন, চলতি মাসের আগামী দিনগুলোতে এ অর্থ পাঠানোর পরিমাণ আরো বাড়বে। জুলাই মাসে যেমন বাংলাদেশে পাঠানো রেমিট্যান্স রেকর্ড পরিমাণে পৌঁছেছে, আশা করা যায় আগস্ট মাসেও সে ধারা বজায় থাকবে।
ডিজিটাল ওয়ানের মাধ্যমে দেশে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা ও স্বল্প চার্জ গ্রহণের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বেলায়েত হোসেন বলেন, এই নিউইয়র্কে অত্যন্ত সুনামের সাথে ডিজিটাল ওয়ান দেশে অর্থ প্রেরণে কাজ করে যাচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে অর্থ পাঠানোর আরেকটি মানি ট্রান্সফার প্রতিষ্ঠান আইএমই-এর কর্মকর্তা জামাল আহমেদ বাপ্স নিউজকে বলেন, পবিত্র ঈদ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে অর্থ পাঠানোর ক্ষেত্রে আইএমই বিশেষ সুবিধা দিচ্ছে। যে কোনো পরিমাণ অর্থ প্রেরণে চার্জ নেওয়া হচ্ছে মাত্র ৫ ডলার। তিনি আশা প্রকাশ করেন, চলতি মাসে বাংলাদেশে অর্থ পাঠানোর পরিমাণ গত মাসের চেয়ে আরো বাড়বে।
চয়েজ মানি ট্রান্সফারের বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজার মিন্টু সাহা বাপ্স নিউজকে বলেন, জুলাই মাসে যেমন বাংলাদেশে পাঠানো রেমিট্যান্স রেকর্ড পরিমাণে পৌঁছেছে, আশা করা যায় আগস্ট মাসেও সে ধারা বজায় থাকবে। রোজা ও ঈদকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বিপুলসংখ্যক প্রবাসী প্রতিদিনই আমাদের বিভিন্ন এজন্টদের কাছে আসছেন।