অন্যান্য খবর
বেলাল হক (বাংলাপ্রেস)পার্বতীপুর থেকে : বর্তমান সরকার এলাকার বাস্তভীটা ও ভূমিহীন গরীব আসহায় জনগনের বসবাসের লে আশ্রায়ন প্রকল্পের নামে বাড়ী নির্মান করে বসবাসের সুযোগ সৃষ্টি করলেও এলাকার প্রভাবশালী ও স্থানীয় নেতাদের দাপটে প্রকল্প গুলি হরিলুট অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, পার্বতীপুরে চন্ডিপুর ইউনিয়নের কালিকাবাড়ী আশ্রায়ন প্রকল্প-২ এর ৪০টি পরিবার থাকার জন্য ৪০টি বাড়ী নির্মান করা হয়। বাড়ীগুলি হস্তান্তরের সময় ৫ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকার বিনিময়ে বাড়ীগুলি দেয়া হয়েছে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। এ ছাড়াও পার্শ্ববতী বড়চন্ডিপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের বিবাহীত কন্যা সান্তাহারের অধিবাসী মোকলেছ এর স্ত্রী ছামিনা বেগম কে আশ্রায়ন প্রকল্পের ৭ নম্বর বাড়ীটি বরাদ্ধ দেয়া হয়। ছামিনা বেগম ১০/১২ দিন ঘরে থেকে ২০ হাজার টাকার বিনিময়ে একই গ্রামের মৃত এমাজ উদ্দিন (খোড়া) পুত্র আকরাম হোসেনের কাছে বিত্রি“ করে ছামিনা বেগম তার স্বামীর বাড়ী চলে যায়। সে সময়ে বর্তমান চেয়ারম্যান ও এলাকার মেম্বরকে অভিযোগ করা হলেও কোন প্রকার বাবস্থা নেয়া হয়নি বলে এলাকার অনেকেই অভিযোগ করে।
এছাড়াও একই গ্রামের মৃত গিয়াস উদ্দিনের দুই পুত্র আব্দুল জলিল ৩৩ নম্বর বাড়ী ও জনাব আলীকে ০৫ নম্বর বাড়ী বরাদ্ধ দেয়া হয়। সে সময়ে জনাব আলীর দুইটি বাড়ী থাকা সত্তেও রহস্য জনক কারনে তাকে বাড়ী দেয়ার বিষয়টি বোধগম্য নয়। ৫ নম্বর চন্ডিপুর ইউনিয়নের অনেক ভুমিহীন ও অশ্রায়হীন দিনমজুর বাড়ীর জন্য আবেদন করলেও তাদের দেয়া হয়নি বলে অনেক অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য যে, কালিকাবাড়ী গ্রামের মৃত কালুর স্ত্রী জহিমা বেওয়। বর্তমানে সে কালীকাবাড়ী ফোটামারীর ডাঙ্গায় আব্দুল হালিমের বাড়ীর বাহিরে খড়ের চালাদিয়ে স্বামী পরিক্তাতা মেয়েকে নিয়ে দিন পাত করছে। এছাড়াও অভিযোগ রয়েছে যে, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা-নেত্রীর সমন্বয়ে বড় চন্ডিপুর গ্রামের ৩১ জন পরিবার,জাহানাবাদ এলাকার ৮ জন ও কালীকাবাড়ী গ্রামের মাত্র ১ জনকে আশ্রায়ন প্রকল্প-২ বাড়ী দেয়া হয়েছে। এছাড়াও পার্শ্ববতী কালিকাবাড়ী আশ্রয়ন প্রকল্প-১ এ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগ গুলোর মধ্যে সাদেকুল ইসলাম দালাল তার বাড়ী থাকা সত্তেও প্রকল্পে বাড়ী পাওয়ার অভিযোগ। অনেকে আশ্রয়নের টিন ও লোহার এঙ্গেল খুলে বিত্রি“ করা ছাড়াও প্রায় ৮/১০ টি আশ্রায়ন প্রকল্প-১ এর বাড়ী বিত্রি“র অভিযোগ রয়েছে। এছাড়াও ৮ নম্বর হাবড়া ইউনিয়নের মরনাই আবাসন প্রকল্পে সরকারী তৈরী সব ল্যাট্রিন ভেঙ্গে ফেলার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হলেও অদ্যবদি কোন প্রকার ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। এমনি অভিযোগ পার্বতীপুর উপজেলার সকল ইউনিয়নের আশ্রায়ন প্রকল্প গুলির। এলাকার প্রভাবশালী ও স্থানীয় নেতাদের দাপটে প্রকল্প গুলি হরিলুটের অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।
| < পূববর্তী | পরবর্তী > |
|---|
যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১ বি ভিসা এবার লটারিতে ! 01 এপ্রিল 2013
বিয়ের আসরে তালাকের ঘটনায় তোলপাড় 01 এপ্রিল 2013
সৌদি আরব জুড়ে গ্রেফতার আতঙ্কে বাংলাদেশী শ্রমিকরা, নীরব দূতাবাস 01 এপ্রিল 2013
বনানীতে গাড়ির রেস্তোরাঁ! 01 এপ্রিল 2013
‘দ্যা ডেথ অফ শাহবাগ ?’ 31 মার্চ 2013
পাঠ্যবইয়ে ইসলামের ইতিহাস ও কোরআনের আয়াতের অর্থ বিকৃতি 31 মার্চ 2013
প্রবাসী লেখক মিনা ফারাহর লেখায় শেরপুরে তোলপাড় 31 মার্চ 2013
সময় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে 31 মার্চ 2013
কানাডার বাংলাদেশী ট্যাক্সি ড্রাইভারের স্কুল এগিয়ে যাচ্ছে সাফল্যের সঙ্গে 31 মার্চ 2013
প্রবাসে বাংলাদেশীদের লাশের বহর দীর্ঘ হচ্ছে 29 মার্চ 2013